নিজস্ব প্রতিবেদক
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর সামনে এসেছে তেহরানের প্রস্তাবিত ১০ দফা পরিকল্পনার বিস্তারিত। প্রস্তাবগুলোতে ইরান কেবল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নয়; বরং মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি সম্পূর্ণ বন্ধের দাবি জানিয়েছে। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে নির্ধারিত বৈঠকের ভিত্তি হিসেবে এই পরিকল্পনা ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রহণ করেছেন বলে দাবি করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা ফার্স।
এছাড়া ইরানের প্রণীত এই পরিকল্পনাটিতে শুধু যুদ্ধ থামানো নয়, বরং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, সামরিক উপস্থিতি কমানো এবং হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রিত চলাচলসহ বড় কৌশলগত বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আগামী শুক্রবার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে, তা ইরানের প্রণীত ১০ দফা পরিকল্পনার ভিত্তিতেই হবে বলে আগেই জানা গিয়েছিল এবং সেই পরিকল্পনা ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রহণ করেছেন বলেও বলা হচ্ছে।
এখন ইরানের ফার্স বার্তাসংস্থার বরাতে ওই ১০ দফার বিস্তারিত প্রকাশ পেয়েছে। সংস্থাটি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে এই তথ্য সামনে এনেছে। প্রস্তাবগুলোতে রয়েছে—
১. ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না— এমন অঙ্গীকার।
২. ইরান ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে সব ধরনের আগ্রাসন পুরোপুরি বন্ধ করার পথ তৈরি করা।
৩. মধ্যপ্রাচ্যসহ এই অঞ্চল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধরত বাহিনী প্রত্যাহার এবং আঞ্চলিক ঘাঁটি থেকে ইরানের ওপর কোনও হামলা না করা।
৪. দুই সপ্তাহের জন্য হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন সীমিত সংখ্যক জাহাজ চলাচলের অনুমতি, যা ‘সেফ প্যাসেজ প্রটোকল’ এবং ইরানের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী হবে।
৫. ইরানের ওপর আরোপিত সব প্রাথমিক, মাধ্যমিক এবং জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া।
৬. যুদ্ধের কারণে ইরানকে ক্ষতি পূরণ দিতে একটি বিনিয়োগ ও আর্থিক তহবিল গঠন করা।
৭. পারমাণবিক উপাদান সমৃদ্ধ করার ইরানের অধিকারকে যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেয়া এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধির মাত্রা নিয়ে আলোচনা করা।
৮. এই অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনার অনুমতি দেয়া।
৯. এই অঞ্চলের সব প্রতিরোধ গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অনাগ্রাসন নীতি সম্প্রসারণ করা।
১০. সব প্রতিশ্রুতি জাতিসংঘের একটি আনুষ্ঠানিক প্রস্তাবের মাধ্যমে অনুমোদন করা।
এছাড়া ইরানের প্রণীত এই পরিকল্পনাটিতে শুধু যুদ্ধ থামানো নয়, বরং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, সামরিক উপস্থিতি কমানো এবং হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রিত চলাচলসহ বড় কৌশলগত বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আগামী শুক্রবার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে, তা ইরানের প্রণীত ১০ দফা পরিকল্পনার ভিত্তিতেই হবে বলে আগেই জানা গিয়েছিল এবং সেই পরিকল্পনা ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রহণ করেছেন বলেও বলা হচ্ছে।
এখন ইরানের ফার্স বার্তাসংস্থার বরাতে ওই ১০ দফার বিস্তারিত প্রকাশ পেয়েছে। সংস্থাটি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে এই তথ্য সামনে এনেছে। প্রস্তাবগুলোতে রয়েছে—
১. ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না— এমন অঙ্গীকার।
২. ইরান ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে সব ধরনের আগ্রাসন পুরোপুরি বন্ধ করার পথ তৈরি করা।
৩. মধ্যপ্রাচ্যসহ এই অঞ্চল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধরত বাহিনী প্রত্যাহার এবং আঞ্চলিক ঘাঁটি থেকে ইরানের ওপর কোনও হামলা না করা।
৪. দুই সপ্তাহের জন্য হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন সীমিত সংখ্যক জাহাজ চলাচলের অনুমতি, যা ‘সেফ প্যাসেজ প্রটোকল’ এবং ইরানের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী হবে।
৫. ইরানের ওপর আরোপিত সব প্রাথমিক, মাধ্যমিক এবং জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া।
৬. যুদ্ধের কারণে ইরানকে ক্ষতি পূরণ দিতে একটি বিনিয়োগ ও আর্থিক তহবিল গঠন করা।
৭. পারমাণবিক উপাদান সমৃদ্ধ করার ইরানের অধিকারকে যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেয়া এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধির মাত্রা নিয়ে আলোচনা করা।
৮. এই অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনার অনুমতি দেয়া।
৯. এই অঞ্চলের সব প্রতিরোধ গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অনাগ্রাসন নীতি সম্প্রসারণ করা।
১০. সব প্রতিশ্রুতি জাতিসংঘের একটি আনুষ্ঠানিক প্রস্তাবের মাধ্যমে অনুমোদন করা।