নিজস্ব প্রতিবেদক
আসন্ন বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচন এবং শেরপুর-৩ (শ্রীবর্দী-ঝিনাইগাতি) আসনের নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ে বাহিনীকে একটি সমন্বিত ও জবাবদিহিমূলক কাঠামোয় সাজানো হয়েছে।
এ উপলক্ষে শেরপুরের ঝিনাইগাতি উপজেলা স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক প্রস্তুতিমূলক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ। সমাবেশে শেরপুর-৩ আসনের ১২৮টি ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য-সদস্যারা অংশ নেন। একই সময়ে অত্যাধুনিক জায়ান্ট স্ক্রিনের মাধ্যমে বগুড়া জেলার সমাবেশের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্তি স্থাপন করা হয়, যা সার্বিক কার্যক্রমে সমন্বয় ও তদারকিতে নতুন মাত্রা যোগ করে।
আগামী ৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিতব্য এ নির্বাচনকে ঘিরে শেরপুর-৩ আসনের ১২৮টি ভোটকেন্দ্রে ১,৭০৪ জন এবং বগুড়া সদর উপজেলার ১৫০টি ভোটকেন্দ্রে ১,৯৯০ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। দুই আসনের মোট ২৭৮টি ভোটকেন্দ্রে সর্বমোট ৩,৬৯৪ জন সদস্য নিরাপত্তা দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন। প্রতিটি কেন্দ্রে ১৩ জন করে সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন, যার মধ্যে একজন অস্ত্রধারী আনসার সদস্য প্রিজাইডিং অফিসারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।
নির্বাচনি নিরাপত্তা জোরদারে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যদের মধ্য থেকে দুইজন করে ‘নির্বাচনি সুরক্ষা অ্যাপ’-এর এন্ড ইউজার হিসেবে কাজ করবেন। পাশাপাশি দুই আসনে চারটি করে মোট আটটি স্ট্রাইকিং টিম গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি টিমে ১০ জন করে মোট ৮০ জন আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্য টহল ও তাৎক্ষণিক সাড়া প্রদানে নিয়োজিত থাকবেন।
সমাবেশে মহাপরিচালক বলেন, নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় আধুনিকতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বাহিনী প্রথমবারের মতো প্রযুক্তিনির্ভর মোতায়েন পদ্ধতি বাস্তবায়ন করছে। অঠগওঝ সফটওয়্যারের মাধ্যমে নিবন্ধিত প্রশিক্ষিত সদস্যদের মধ্য থেকে দক্ষতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে, যা সময়োপযোগী ও কার্যকর উদ্যোগ।
তিনি আরো জানান, সদস্যদের ভাতা প্রদানে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে AVMIS সফটওয়্যারের মাধ্যমে ব্যাংক হিসাব যাচাই করে সরাসরি ভাতা প্রদান করা হবে। এতে আর্থিক ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহিতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে।
সদস্যদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দেশের জনগণের প্রতি অর্পিত একটি গুরুত্বপূর্ণ আমানত। এই দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অবহেলা বা খেয়ানত বরদাশত করা হবে না।
এছাড়া সদস্যদের জীবনমান উন্নয়নে ‘সঞ্জীবন’ প্রকল্পের পাইলট কার্যক্রম চালুর কথাও উল্লেখ করেন তিনি। এর মাধ্যমে কৃষি, মৎস্য ও গবাদিপশু খামারসহ বিভিন্ন খাতে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরি করে সদস্যদের টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, সদস্যদের সততা, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার সমন্বয়ে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা সম্ভব এবং আধুনিক প্রযুক্তির কার্যকর প্রয়োগের মাধ্যমে একটি নিরাপদ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনি পরিবেশ গড়ে তুলতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এ উপলক্ষে শেরপুরের ঝিনাইগাতি উপজেলা স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক প্রস্তুতিমূলক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ। সমাবেশে শেরপুর-৩ আসনের ১২৮টি ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য-সদস্যারা অংশ নেন। একই সময়ে অত্যাধুনিক জায়ান্ট স্ক্রিনের মাধ্যমে বগুড়া জেলার সমাবেশের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্তি স্থাপন করা হয়, যা সার্বিক কার্যক্রমে সমন্বয় ও তদারকিতে নতুন মাত্রা যোগ করে।
আগামী ৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিতব্য এ নির্বাচনকে ঘিরে শেরপুর-৩ আসনের ১২৮টি ভোটকেন্দ্রে ১,৭০৪ জন এবং বগুড়া সদর উপজেলার ১৫০টি ভোটকেন্দ্রে ১,৯৯০ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। দুই আসনের মোট ২৭৮টি ভোটকেন্দ্রে সর্বমোট ৩,৬৯৪ জন সদস্য নিরাপত্তা দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন। প্রতিটি কেন্দ্রে ১৩ জন করে সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন, যার মধ্যে একজন অস্ত্রধারী আনসার সদস্য প্রিজাইডিং অফিসারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।
নির্বাচনি নিরাপত্তা জোরদারে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যদের মধ্য থেকে দুইজন করে ‘নির্বাচনি সুরক্ষা অ্যাপ’-এর এন্ড ইউজার হিসেবে কাজ করবেন। পাশাপাশি দুই আসনে চারটি করে মোট আটটি স্ট্রাইকিং টিম গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি টিমে ১০ জন করে মোট ৮০ জন আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্য টহল ও তাৎক্ষণিক সাড়া প্রদানে নিয়োজিত থাকবেন।
সমাবেশে মহাপরিচালক বলেন, নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় আধুনিকতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বাহিনী প্রথমবারের মতো প্রযুক্তিনির্ভর মোতায়েন পদ্ধতি বাস্তবায়ন করছে। অঠগওঝ সফটওয়্যারের মাধ্যমে নিবন্ধিত প্রশিক্ষিত সদস্যদের মধ্য থেকে দক্ষতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে, যা সময়োপযোগী ও কার্যকর উদ্যোগ।
তিনি আরো জানান, সদস্যদের ভাতা প্রদানে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে AVMIS সফটওয়্যারের মাধ্যমে ব্যাংক হিসাব যাচাই করে সরাসরি ভাতা প্রদান করা হবে। এতে আর্থিক ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহিতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে।
সদস্যদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দেশের জনগণের প্রতি অর্পিত একটি গুরুত্বপূর্ণ আমানত। এই দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অবহেলা বা খেয়ানত বরদাশত করা হবে না।
এছাড়া সদস্যদের জীবনমান উন্নয়নে ‘সঞ্জীবন’ প্রকল্পের পাইলট কার্যক্রম চালুর কথাও উল্লেখ করেন তিনি। এর মাধ্যমে কৃষি, মৎস্য ও গবাদিপশু খামারসহ বিভিন্ন খাতে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরি করে সদস্যদের টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, সদস্যদের সততা, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার সমন্বয়ে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা সম্ভব এবং আধুনিক প্রযুক্তির কার্যকর প্রয়োগের মাধ্যমে একটি নিরাপদ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনি পরিবেশ গড়ে তুলতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।