নিজস্ব প্রতিবেদক
হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদে সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে গণ-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।সমাবেশ থেকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ,দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তার দাবি জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে মধ্যনগর বাজারের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে ‘হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলন’-এর উদ্যোগে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সংগঠনটির উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক আশরাফ উদ্দিন হিল্লোলের সভাপতিত্বে এবং জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো.ওবায়দুল হক মিলনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংগঠনের জেলা কমিটির সভাপতি মো.রাজু আহমেদ এবং স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কমিটির সদস্য সচিব খসরুজ্জামান কবীর।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জেলা কমিটির সহ-সভাপতি ওবায়দুল মুন্সী,উপজেলা কমিটির উপদেষ্টা কবি আকিকুর রহমান,যুগ্ম আহ্বায়ক আতিউর রহমান চৌধুরী ও সুজিত কানু,সদস্য মেহেদী হাসান মুক্তসহ স্থানীয় কৃষকরা।
বক্তারা বলেন,টানা বৃষ্টিতে উপজেলার টগা,বোয়ালা,কাইল্যানী,বাইনচাপড়া, গুড়মার,রুপেশ্বর, গুড়াডুবা ও শালদীঘাসহ বিভিন্ন হাওরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে বোরো ধানের বিস্তীর্ণ জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। কৃষকরা নিজ উদ্যোগে সেচ পাম্প বসিয়ে পানি অপসারণের চেষ্টা করলেও কোনো সরকারি সহায়তা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন তারা।
তাদের অভিযোগ,ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি(পিআইসি)গঠন থেকে শুরু করে বাস্তবায়ন পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে অনিয়ম হয়েছে।বিভিন্ন বাধেঁ বালু ব্যবহার,ঘাস না লাগানো,বরাদ্ধের অপচয় এবং তদারকির ঘাটতির কারণে অনেক বাঁধ কার্যকারিতা হারিয়েছে। প্রয়োজনীয় স্থানে স্লুইসগেট না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই হাওরে পানি জমে যাচ্ছে।
বক্তারা আরো বলেন, দীর্ঘদিন ধরে খাল-নদী ও হাওর খনন না হওয়ায় পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।ফলে প্রতিবছরই কৃষকদের একই ধরনের দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। স্থায়ী সমাধানের জন্য খাল-নদী খনন এবং প্রয়োজনীয় স্থানে স্লুইসগেট নির্মাণের দাবি জানান তারা।
সমাবেশে অভিযোগ করা হয়, বিভিন্ন পিআইসির কাজ পরিদর্শন করে অনিয়মের বিষয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
সমাবেশ থেকে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ,ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং হাওর ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। দাবি আদায় না হলে পরবর্তী সময়ে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ারও ঘোষণা দেন বক্তারা।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে মধ্যনগর বাজারের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে ‘হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলন’-এর উদ্যোগে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সংগঠনটির উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক আশরাফ উদ্দিন হিল্লোলের সভাপতিত্বে এবং জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো.ওবায়দুল হক মিলনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংগঠনের জেলা কমিটির সভাপতি মো.রাজু আহমেদ এবং স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কমিটির সদস্য সচিব খসরুজ্জামান কবীর।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জেলা কমিটির সহ-সভাপতি ওবায়দুল মুন্সী,উপজেলা কমিটির উপদেষ্টা কবি আকিকুর রহমান,যুগ্ম আহ্বায়ক আতিউর রহমান চৌধুরী ও সুজিত কানু,সদস্য মেহেদী হাসান মুক্তসহ স্থানীয় কৃষকরা।
বক্তারা বলেন,টানা বৃষ্টিতে উপজেলার টগা,বোয়ালা,কাইল্যানী,বাইনচাপড়া, গুড়মার,রুপেশ্বর, গুড়াডুবা ও শালদীঘাসহ বিভিন্ন হাওরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে বোরো ধানের বিস্তীর্ণ জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। কৃষকরা নিজ উদ্যোগে সেচ পাম্প বসিয়ে পানি অপসারণের চেষ্টা করলেও কোনো সরকারি সহায়তা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন তারা।
তাদের অভিযোগ,ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি(পিআইসি)গঠন থেকে শুরু করে বাস্তবায়ন পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে অনিয়ম হয়েছে।বিভিন্ন বাধেঁ বালু ব্যবহার,ঘাস না লাগানো,বরাদ্ধের অপচয় এবং তদারকির ঘাটতির কারণে অনেক বাঁধ কার্যকারিতা হারিয়েছে। প্রয়োজনীয় স্থানে স্লুইসগেট না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই হাওরে পানি জমে যাচ্ছে।
বক্তারা আরো বলেন, দীর্ঘদিন ধরে খাল-নদী ও হাওর খনন না হওয়ায় পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।ফলে প্রতিবছরই কৃষকদের একই ধরনের দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। স্থায়ী সমাধানের জন্য খাল-নদী খনন এবং প্রয়োজনীয় স্থানে স্লুইসগেট নির্মাণের দাবি জানান তারা।
সমাবেশে অভিযোগ করা হয়, বিভিন্ন পিআইসির কাজ পরিদর্শন করে অনিয়মের বিষয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
সমাবেশ থেকে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ,ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং হাওর ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। দাবি আদায় না হলে পরবর্তী সময়ে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ারও ঘোষণা দেন বক্তারা।