নিজস্ব প্রতিবেদক
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় দীর্ঘদিনের ভয়াবহ জলাবদ্ধতা দূর করতে পাকিস্তানি খাল খনন ও পরিষ্কার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। জেলা পরিষদের উদ্যোগে এই কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। যা স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য একটি দীর্ঘ প্রতীক্ষিত দাবি ছিল। মঙ্গলবার সকালে জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ এই খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
ডিএনডি বাঁধের অভ্যন্তরে থাকা ফতুল্লা ইউনিয়নের ইসদাইর, লালপুর, পৌষারপুকুরপাড়, মাসদাইর, গাবতলী এলাকার পানি নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম হিসেবে পাকিস্তানি খালটি ব্যবহার হয়ে থাকে। কিন্তু বিগত দুই দশকে দখলের কারনে খালটি অস্তিত্ব সংকটে পড়েছিল। খাল দিয়ে পানি প্রবাহ না হওয়ায় বছরের প্রায় ৯ মাস ফতুল্লার বিভিন্ন এলাকা পানির নিচেই থাকতো। সামান্য বৃষ্টিতেই বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছাত।
স্থানীয়দর অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে এই সমস্যার কারণে তাদের জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসা-বাণিজ্য ও দৈনন্দিন চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক এই উদ্যোগ তাদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। খাল খনন কার্যক্রম বাস্তবায়িত হলে পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরবে এবং ফতুল্লার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমে আসবে।
জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ এ বিষয়ে বলেন, ফতুল্লাবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করছি। খাল খনন কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হলে এই এলাকার মানুষ স্থায়ী সমাধানের সুফল ভোগ করবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী ভূইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী, জেলা তাঁতী দলের সাংগঠনিক সম্পাদক উজ্জ্বল, ফতুল্লা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাসান মাহমুদ পলাশ।
ডিএনডি বাঁধের অভ্যন্তরে থাকা ফতুল্লা ইউনিয়নের ইসদাইর, লালপুর, পৌষারপুকুরপাড়, মাসদাইর, গাবতলী এলাকার পানি নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম হিসেবে পাকিস্তানি খালটি ব্যবহার হয়ে থাকে। কিন্তু বিগত দুই দশকে দখলের কারনে খালটি অস্তিত্ব সংকটে পড়েছিল। খাল দিয়ে পানি প্রবাহ না হওয়ায় বছরের প্রায় ৯ মাস ফতুল্লার বিভিন্ন এলাকা পানির নিচেই থাকতো। সামান্য বৃষ্টিতেই বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছাত।
স্থানীয়দর অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে এই সমস্যার কারণে তাদের জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসা-বাণিজ্য ও দৈনন্দিন চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক এই উদ্যোগ তাদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। খাল খনন কার্যক্রম বাস্তবায়িত হলে পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরবে এবং ফতুল্লার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমে আসবে।
জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ এ বিষয়ে বলেন, ফতুল্লাবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করছি। খাল খনন কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হলে এই এলাকার মানুষ স্থায়ী সমাধানের সুফল ভোগ করবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী ভূইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী, জেলা তাঁতী দলের সাংগঠনিক সম্পাদক উজ্জ্বল, ফতুল্লা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাসান মাহমুদ পলাশ।