নিজস্ব প্রতিবেদক
হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার পাড়াগাঁও হাওর থেকে মো. সজলু মিয়া (৩৫) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মৃত মো. সজলু মিয়া উপজেলা সদরের তাতারী মহল্লার মো. নূর হোসেন এর ছেলে। তার নিজস্ব ভিটামাটি না থাকায় পরিবার নিয়ে ছিলাপাঞ্জা (বড় বান্দে) বসবাস করতেন।
গতকাল সোমবার সকাল ৯ টায় জীবিকা নির্বাহের জন্য বাড়ি থেকে মাছ আহরণ করতে হাওরে গিয়ে আর বাড়ি ফেরেনি। স্বজনরা অনেক খোঁজাখুঁজির পর আজ মঙ্গলবার সকালে খবর পান হাওরের পানিতে ধানি জামির পাশে তার মৃতদেহ ভেসে উঠেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে থানা পুলিশ সদস্যরা লাশ উদ্ধার করেন। নিহতের স্বজনরা জানান, মো. সজলু মিয়া হাওরে মাছ মারা গিয়ে সাপের কামড়ে নিহত হন।
মো. সজলু মিয়ার স্ত্রী মোছা. রেশমি বেগম, এক মেয়ে ইয়াসমিন বেগম (৮) ও দুইছেলে মো. ইয়াসিন মিয়া (৬) মো. মুস্তাকিম মিয়া (৩) নামে ৩ সন্তান রয়েছে।
বানিয়াচং থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শরীফ আহমদ জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
মৃত মো. সজলু মিয়া উপজেলা সদরের তাতারী মহল্লার মো. নূর হোসেন এর ছেলে। তার নিজস্ব ভিটামাটি না থাকায় পরিবার নিয়ে ছিলাপাঞ্জা (বড় বান্দে) বসবাস করতেন।
গতকাল সোমবার সকাল ৯ টায় জীবিকা নির্বাহের জন্য বাড়ি থেকে মাছ আহরণ করতে হাওরে গিয়ে আর বাড়ি ফেরেনি। স্বজনরা অনেক খোঁজাখুঁজির পর আজ মঙ্গলবার সকালে খবর পান হাওরের পানিতে ধানি জামির পাশে তার মৃতদেহ ভেসে উঠেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে থানা পুলিশ সদস্যরা লাশ উদ্ধার করেন। নিহতের স্বজনরা জানান, মো. সজলু মিয়া হাওরে মাছ মারা গিয়ে সাপের কামড়ে নিহত হন।
মো. সজলু মিয়ার স্ত্রী মোছা. রেশমি বেগম, এক মেয়ে ইয়াসমিন বেগম (৮) ও দুইছেলে মো. ইয়াসিন মিয়া (৬) মো. মুস্তাকিম মিয়া (৩) নামে ৩ সন্তান রয়েছে।
বানিয়াচং থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শরীফ আহমদ জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।