নিজস্ব প্রতিবেদক
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য নতুন হামলার সময়সীমা ঘনিয়ে আসার মধ্যে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে ১০ দফা প্রস্তাব দিয়েছে ইরান।
দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, পাকিস্তানের মাধ্যমে এ প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পৌঁছানো হয়েছে।
প্রস্তাবে ইরান তাদের ওপর ভবিষ্যতে কোনো হামলা না করার নিশ্চয়তা, লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরাইলের সামরিক অভিযান বন্ধ এবং সব ধরনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। এর বিনিময়ে হরমুজ প্রণালির অবরোধ তুলে নেওয়ার কথা বলেছে তেহরান।
প্রস্তাব অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী প্রতিটি জাহাজ থেকে প্রায় ২০ লাখ ডলার ফি আদায় করবে ইরান, যা ওমানের সাথে ভাগাভাগি করা হবে। প্রাপ্ত অর্থ যুদ্ধবিধ্বস্ত অবকাঠামো পুনর্গঠনে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব, তবে যথেষ্ট নয়।’
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে না দিলে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে ব্যাপক বিমান হামলা চালানো হবে বলে সাম্প্রতিক সময়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।
হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার রাত ৮টার পর নতুন হামলা চালানো হতে পারে, যা ইরানের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ হবে।’
বিশ্লেষকদের মতে, বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর হামলা আন্তর্জাতিক আইনে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, প্রস্তাবে সাময়িক যুদ্ধবিরতির পরিবর্তে স্থায়ীভাবে যুদ্ধের অবসানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একইসাথে হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদে নৌ চলাচল নিশ্চিত করার একটি প্রোটোকলও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এর আগে গত ২৪ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের মাধ্যমে ১৫ দফা প্রস্তাব পাঠালেও তা প্রত্যাখ্যান করে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি ওই প্রস্তাবকে ‘অযৌক্তিক’ বলে মন্তব্য করেন।
বর্তমান পরিস্থিতিতে উভয় পক্ষের অবস্থান কঠোর থাকায় দ্রুত সমাধানের সম্ভাবনা অনিশ্চিত বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, পাকিস্তানের মাধ্যমে এ প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পৌঁছানো হয়েছে।
প্রস্তাবে ইরান তাদের ওপর ভবিষ্যতে কোনো হামলা না করার নিশ্চয়তা, লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরাইলের সামরিক অভিযান বন্ধ এবং সব ধরনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। এর বিনিময়ে হরমুজ প্রণালির অবরোধ তুলে নেওয়ার কথা বলেছে তেহরান।
প্রস্তাব অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী প্রতিটি জাহাজ থেকে প্রায় ২০ লাখ ডলার ফি আদায় করবে ইরান, যা ওমানের সাথে ভাগাভাগি করা হবে। প্রাপ্ত অর্থ যুদ্ধবিধ্বস্ত অবকাঠামো পুনর্গঠনে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব, তবে যথেষ্ট নয়।’
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে না দিলে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে ব্যাপক বিমান হামলা চালানো হবে বলে সাম্প্রতিক সময়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।
হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার রাত ৮টার পর নতুন হামলা চালানো হতে পারে, যা ইরানের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ হবে।’
বিশ্লেষকদের মতে, বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর হামলা আন্তর্জাতিক আইনে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, প্রস্তাবে সাময়িক যুদ্ধবিরতির পরিবর্তে স্থায়ীভাবে যুদ্ধের অবসানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একইসাথে হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদে নৌ চলাচল নিশ্চিত করার একটি প্রোটোকলও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এর আগে গত ২৪ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের মাধ্যমে ১৫ দফা প্রস্তাব পাঠালেও তা প্রত্যাখ্যান করে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি ওই প্রস্তাবকে ‘অযৌক্তিক’ বলে মন্তব্য করেন।
বর্তমান পরিস্থিতিতে উভয় পক্ষের অবস্থান কঠোর থাকায় দ্রুত সমাধানের সম্ভাবনা অনিশ্চিত বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।