নিজস্ব প্রতিবেদক
কুমিল্লার নিমসার বাজারে প্রশাসনের চেয়ে শক্তিশালী আওয়ামী লীগ-বিএনপি সিন্ডিকেট" শিরোনামে আমার দেশে সংবাদ প্রকাশের পর কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার নিমসার বাজার এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দুই পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনায় উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ)। (সোমবার ৬ এপ্রিল) বেলা ১১টা থেকে এ অভিযান শুরু হয়ে বিকাল পর্যন্ত চলে ।
সড়ক ও জনপদ বিভাগ জানায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে সড়কের পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনাগুলো সরিয়ে নিতে আগে থেকেই সংশ্লিষ্টদের নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। নোটিশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্থাপনা না সরানোয় তাদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় বুড়িচং উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় সওজের কর্মকর্তারা তিনটি বুলডোজার নিয়ে নিমসার বাজারের সড়কের দুই পাশে অভিযান চালান। এ সময় মহাসড়কের দুই পাশ থেকে প্রায় চার শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।
জানা যায়, প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যবসায়ীরা সবজি, ফলমূলসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য নিয়ে এই বাজারে আসেন। এতে মহাসড়কের দুই পাশে ট্রাক, কাভার্ডভ্যানসহ বিভিন্ন যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। অনেক সময় উল্টো পথে গাড়ি চলাচল এবং সড়কের ওপর মালামাল লোড-আনলোডের কারণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের এই অংশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
গত ১৫ মার্চ সওজের পক্ষ থেকে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ১ এপ্রিলের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ৩০ মার্চ এলাকায় মাইকিং করে দখলদারদের সতর্ক করা হয়। কিন্তু বিএনপি ও আওয়ামী লীগ এর শক্তিশালী সিন্ডিকেটের প্রভাবে গত ১ এপ্রিল অভিযান থেকে সরে দাঁড়ায় সওজ । গত ৪ এপ্রিল দৈনিক আমার দেশ পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর আবারো নড়েচড়ে বসে সওজ। যার ফলে সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মহাসড়কের দুপাশে থাকা সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয় ।
স্থানীয় লোকজন বলছে, কয়েক বছর পর পর অভিযান করা হলেও কিছুদিনের মধ্যেই অসাধু ব্যবসায়ীরা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে আবারো অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেন । আজকে উচ্ছেদ করা হয়েছে তবে এগুলো যেন কেউ অবৈধভাবে দখল করতে না পারে সেদিকে সওজের দৃষ্টি রাখতে হবে ।
কুমিল্লা সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম ভূঁঞা জানিয়েছেন, মহাসড়কের স্বাভাবিক গতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এই অভিযানের উচ্ছেদ দীর্ঘায়িত করতে মহাসড়কে সার্ভিস লেন করার কথাও জানান তিনি।
সড়ক ও জনপদ বিভাগ জানায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে সড়কের পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনাগুলো সরিয়ে নিতে আগে থেকেই সংশ্লিষ্টদের নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। নোটিশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্থাপনা না সরানোয় তাদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় বুড়িচং উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় সওজের কর্মকর্তারা তিনটি বুলডোজার নিয়ে নিমসার বাজারের সড়কের দুই পাশে অভিযান চালান। এ সময় মহাসড়কের দুই পাশ থেকে প্রায় চার শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।
জানা যায়, প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যবসায়ীরা সবজি, ফলমূলসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য নিয়ে এই বাজারে আসেন। এতে মহাসড়কের দুই পাশে ট্রাক, কাভার্ডভ্যানসহ বিভিন্ন যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। অনেক সময় উল্টো পথে গাড়ি চলাচল এবং সড়কের ওপর মালামাল লোড-আনলোডের কারণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের এই অংশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
গত ১৫ মার্চ সওজের পক্ষ থেকে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ১ এপ্রিলের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ৩০ মার্চ এলাকায় মাইকিং করে দখলদারদের সতর্ক করা হয়। কিন্তু বিএনপি ও আওয়ামী লীগ এর শক্তিশালী সিন্ডিকেটের প্রভাবে গত ১ এপ্রিল অভিযান থেকে সরে দাঁড়ায় সওজ । গত ৪ এপ্রিল দৈনিক আমার দেশ পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর আবারো নড়েচড়ে বসে সওজ। যার ফলে সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মহাসড়কের দুপাশে থাকা সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয় ।
স্থানীয় লোকজন বলছে, কয়েক বছর পর পর অভিযান করা হলেও কিছুদিনের মধ্যেই অসাধু ব্যবসায়ীরা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে আবারো অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেন । আজকে উচ্ছেদ করা হয়েছে তবে এগুলো যেন কেউ অবৈধভাবে দখল করতে না পারে সেদিকে সওজের দৃষ্টি রাখতে হবে ।
কুমিল্লা সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম ভূঁঞা জানিয়েছেন, মহাসড়কের স্বাভাবিক গতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এই অভিযানের উচ্ছেদ দীর্ঘায়িত করতে মহাসড়কে সার্ভিস লেন করার কথাও জানান তিনি।