নিজস্ব প্রতিবেদক
শিশুদের প্রাণঘাতী হাম ও রুবেলা রোগ থেকে সুরক্ষা দিতে ময়মনসিংহে শুরু হয়েছে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি। রোববার সকালে নগরীর চুরখাই ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ডা. সৈয়দ আবু আহমেদ শাফি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপি, ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. ফয়সল আহমেদ, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শাজাহান কবির, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ শরিফুল ইসলাম এবং মাদ্রাসার অধ্যক্ষ খন্দকার মাওলানা মো. নজরুল ইসলাম।
কর্মসূচি শুরুর প্রথম দিনেই টিকাদান কেন্দ্রে অভিভাবকদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সন্তানদের টিকা দিতে পেরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন তারা। অনেক অভিভাবক জানান, দেশের বিভিন্ন স্থানে হাম আক্রান্ত হয়ে শিশুদের হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর খবর গণমাধ্যমে দেখে উদ্বিগ্ন ছিলেন। মাইকিংয়ের মাধ্যমে টিকাদানের খবর পেয়ে দ্রুত সন্তানদের নিয়ে কেন্দ্রে আসেন তারা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলার সদর, ত্রিশাল ও ফুলপুর উপজেলায় মোট ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫০০ শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য এই ক্যাম্পেইন পর্যায়ক্রমে পরিচালিত হবে।
উদ্বোধন শেষে সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ বলেন, শিশুদের মধ্যে হাম প্রতিরোধে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এর মাধ্যমে শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত হবে এবং সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আসবে। তিনি কার্যক্রম সফল করতে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান জানান।
অন্যদিকে, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম রোগের লক্ষণ নিয়ে আরও ১৯ জন শিশু ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে ৬৩ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় এ পর্যন্ত ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ডা. সৈয়দ আবু আহমেদ শাফি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপি, ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. ফয়সল আহমেদ, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শাজাহান কবির, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ শরিফুল ইসলাম এবং মাদ্রাসার অধ্যক্ষ খন্দকার মাওলানা মো. নজরুল ইসলাম।
কর্মসূচি শুরুর প্রথম দিনেই টিকাদান কেন্দ্রে অভিভাবকদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সন্তানদের টিকা দিতে পেরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন তারা। অনেক অভিভাবক জানান, দেশের বিভিন্ন স্থানে হাম আক্রান্ত হয়ে শিশুদের হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর খবর গণমাধ্যমে দেখে উদ্বিগ্ন ছিলেন। মাইকিংয়ের মাধ্যমে টিকাদানের খবর পেয়ে দ্রুত সন্তানদের নিয়ে কেন্দ্রে আসেন তারা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলার সদর, ত্রিশাল ও ফুলপুর উপজেলায় মোট ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫০০ শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য এই ক্যাম্পেইন পর্যায়ক্রমে পরিচালিত হবে।
উদ্বোধন শেষে সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ বলেন, শিশুদের মধ্যে হাম প্রতিরোধে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এর মাধ্যমে শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত হবে এবং সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আসবে। তিনি কার্যক্রম সফল করতে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান জানান।
অন্যদিকে, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম রোগের লক্ষণ নিয়ে আরও ১৯ জন শিশু ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে ৬৩ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় এ পর্যন্ত ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।