নিজস্ব প্রতিবেদক
চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, আল্লাহর ভয় যার অন্তরে নেই, ওই মানুষ এমনকি আলেম, মুফতি ও পীরের কোনো মূল্য নেই। মানুষ আজ আল্লাহকে ভুলে অহরহ নাফরমানি করছে। সুতরাং তাকওয়া বা আল্লাহর ভয় অর্জনের মাধ্যমে মহান রবের সন্তুষ্টি নিয়ে কবরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে হবে।
শনিবার চরমোনাই মাদরাসা প্রাঙ্গণে তিন দিনব্যাপী মাহফিলের শেষ দিনে আখেরি মোনাজাতে তিনি এসব কথা বলেন।
রেজাউল করীম বলেন, নিজেকে ছোট মনে করতে হবে। দিল থেকে বড়ত্ব ও আমিত্ব ভাব ও তাকাব্বুরি পরিত্যাগ করতে হবে। হিংসা-বিদ্বেষ পরিত্যাগ করতে হবে। ঘোড়ার মুখে যেভাবে লাগাম থাকে, সেভাবে রাগের মুখে লাগাম লাগাতে হবে। সকাল-সন্ধ্যা জিকিরের মাধ্যমে কলব পরিশুদ্ধ করতে হবে। গিবতের মতো গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে হবে।
গত বুধবার বাদ জোহর মাওলানা মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের উদ্বোধনী বয়ানের মাধ্যমে ফাল্গুনী মাহফিল শুরু হয়। শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় সমাপনী অধিবেশন ও আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়। মাহফিলটি দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা হাজার হাজার মুসল্লির মিলনমেলায় পরিণত হয়।
আখেরি মোনাজাতে চরমোনাই পীর ফিলিস্তিন, ভারত, কাশ্মীর, মিয়ানমার, সিরিয়া, ইরান, লেবাননসহ বিশ্বের নির্যাতিত মুসলমানদের নিরাপত্তা, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটের অবসান ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনা করেন।
মাহফিলে আসা মুসল্লিদের মধ্যে দুজন হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন। তারা হলেন নরসিংদী এলাকার এমদাদুল হাসান (৮৬) এবং টাঙ্গাইলের মোহাম্মদ তালহা (২২)। জানাজা শেষে উভয়ের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
চরমোনাই মাহফিলের মিডিয়া সমন্বয়ক কেএম শরীয়ত উল্লাহ জানান, এবারের মাহফিলে দুজন অমুসলিম পীর শায়খে চরমোনাইয়ের কাছে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।
শনিবার চরমোনাই মাদরাসা প্রাঙ্গণে তিন দিনব্যাপী মাহফিলের শেষ দিনে আখেরি মোনাজাতে তিনি এসব কথা বলেন।
রেজাউল করীম বলেন, নিজেকে ছোট মনে করতে হবে। দিল থেকে বড়ত্ব ও আমিত্ব ভাব ও তাকাব্বুরি পরিত্যাগ করতে হবে। হিংসা-বিদ্বেষ পরিত্যাগ করতে হবে। ঘোড়ার মুখে যেভাবে লাগাম থাকে, সেভাবে রাগের মুখে লাগাম লাগাতে হবে। সকাল-সন্ধ্যা জিকিরের মাধ্যমে কলব পরিশুদ্ধ করতে হবে। গিবতের মতো গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে হবে।
গত বুধবার বাদ জোহর মাওলানা মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের উদ্বোধনী বয়ানের মাধ্যমে ফাল্গুনী মাহফিল শুরু হয়। শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় সমাপনী অধিবেশন ও আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়। মাহফিলটি দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা হাজার হাজার মুসল্লির মিলনমেলায় পরিণত হয়।
আখেরি মোনাজাতে চরমোনাই পীর ফিলিস্তিন, ভারত, কাশ্মীর, মিয়ানমার, সিরিয়া, ইরান, লেবাননসহ বিশ্বের নির্যাতিত মুসলমানদের নিরাপত্তা, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটের অবসান ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনা করেন।
মাহফিলে আসা মুসল্লিদের মধ্যে দুজন হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন। তারা হলেন নরসিংদী এলাকার এমদাদুল হাসান (৮৬) এবং টাঙ্গাইলের মোহাম্মদ তালহা (২২)। জানাজা শেষে উভয়ের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
চরমোনাই মাহফিলের মিডিয়া সমন্বয়ক কেএম শরীয়ত উল্লাহ জানান, এবারের মাহফিলে দুজন অমুসলিম পীর শায়খে চরমোনাইয়ের কাছে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।