নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইরান। দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ আলজাজিরা আরবিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান।
গালিবাফ বলেন, চলমান সংঘাতের জন্য ইরান প্রস্তুত ছিল এবং নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ইতোমধ্যে প্রমাণ করেছে। তার মতে, এই যুদ্ধ ইসরায়েলের যুদ্ধ, এবং এর ফলে সৃষ্ট নিরাপত্তা সংকট ও ক্ষয়ক্ষতি বিশ্বকে প্রভাবিত করেছে।
তিনি দাবি করেন, আঞ্চলিক উপস্থিতি বজায় রাখতে ইরানকে বাধ্য হয়ে মার্কিন ঘাঁটি ও স্বার্থকে লক্ষ্যবস্তু করতে হয়েছে।
গালিবাফ আরো সতর্ক করেন, ইরানের বিরুদ্ধে উত্তেজনা বাড়ানো হলে যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক স্বার্থের বিরুদ্ধে “ব্যাপক ও কঠোর” প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।
তিনি বলেন, অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর স্বার্থেই জরুরি এবং টেকসই নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা ইরানের অগ্রাধিকার।
স্পিকারের মতে, বিদেশি হস্তক্ষেপ ছাড়াই আঞ্চলিক দেশগুলো দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক নিরাপত্তা চুক্তির মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করতে পারে। তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের অঞ্চলের অস্থিতিশীলতার প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বলেন, এসব প্রভাব দূর করেই টেকসই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
গালিবাফ বলেন, চলমান সংঘাতের জন্য ইরান প্রস্তুত ছিল এবং নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ইতোমধ্যে প্রমাণ করেছে। তার মতে, এই যুদ্ধ ইসরায়েলের যুদ্ধ, এবং এর ফলে সৃষ্ট নিরাপত্তা সংকট ও ক্ষয়ক্ষতি বিশ্বকে প্রভাবিত করেছে।
তিনি দাবি করেন, আঞ্চলিক উপস্থিতি বজায় রাখতে ইরানকে বাধ্য হয়ে মার্কিন ঘাঁটি ও স্বার্থকে লক্ষ্যবস্তু করতে হয়েছে।
গালিবাফ আরো সতর্ক করেন, ইরানের বিরুদ্ধে উত্তেজনা বাড়ানো হলে যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক স্বার্থের বিরুদ্ধে “ব্যাপক ও কঠোর” প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।
তিনি বলেন, অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর স্বার্থেই জরুরি এবং টেকসই নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা ইরানের অগ্রাধিকার।
স্পিকারের মতে, বিদেশি হস্তক্ষেপ ছাড়াই আঞ্চলিক দেশগুলো দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক নিরাপত্তা চুক্তির মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করতে পারে। তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের অঞ্চলের অস্থিতিশীলতার প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বলেন, এসব প্রভাব দূর করেই টেকসই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।