নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, যে সংবিধানের দোহাই দিয়ে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা আজীবন ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করেছিলেন, গণভোটের মাধ্যমে জনগণ সুনির্দিষ্ট বিষয়ে সুস্পষ্ট রায় দেওয়ার পরও বিএনপি সেই সংবিধানের সংস্কার করতে চায় না; বরং তারা এতে কিছু সংশোধনী এনে আরও ভয়ংকর স্বৈরাচারী রূপে আবির্ভূত হতে চায়।
শনিবার দুপুরে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের মাসিক বৈঠকে সভাপতির বক্তব্য রাখছিলেন। রাজধানীর পুরানা পল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকটি পরিচালনা করেন মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমেদ।
মাওলানা মামুনুল বলেন, সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে বিএনপি গণভোটে নির্দিষ্ট বিষয়ে জনগণের সুস্পষ্ট রায় অমান্য করছে। পৃথিবীর কোনো সভ্য দেশে সরকার নিজ জনগণের সঙ্গে এমন ধৃষ্টতা প্রদর্শন করেছে—এমন নজির আমাদের জানা নেই।
তিনি বলেন, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা অসংখ্য অধ্যাদেশ তারা এখন বাতিল ও সংশোধন করছে; অথচ এসব অধ্যাদেশ জারির সময় তারা কোনো বিরোধিতা করেনি। বরং ক্ষেত্রবিশেষে কিছু অধ্যাদেশকে স্বাগত জানিয়েছে এবং কিছু তাদের দাবির প্রেক্ষিতে জারি হয়েছিল। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিএনপি সরকার মূলত গণভোটের রায়কে অমান্য করছে, যা একটি ভয়ংকর সংকটের সূচনা।
তিনি আরও বলেন, গণভোটের রায় কার্যকর করার দাবিতে আগামী ১০ এপ্রিল শুক্রবার দেশব্যাপী জেলা উপজেলায় বিক্ষোভ এবং ২৪ এপ্রিল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিতব্য গণসমাবেশ সফল করতে সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে।
সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা ইউসুফ আশরাফ, নায়েবে আমীর মাওলানা রেজাউল করীম জালালী, মুফতী সাঈদ নূর, মাওলানা কোরবান আলী কাসেমী, যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন, মাওলানা আব্দুল আজীজ, মুফতী শরাফত হোসাইন, মাওলানা তোফাজ্জল হোসাইন মিয়াজী, মাওলানা শরীফ সাইদুর রহমান।
বৈঠকে সাম্প্রতিক সময়ে সংস্কৃতি মন্ত্রীর বিভিন্ন মন্তব্য ও সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করে বলা হয়— ব্রাহ্মণ্যবাদী আধিপত্যকে তোষণ করতে গিয়ে ইসলাম ও মুসলমানদের তাহজিব-তামাদ্দুনবিরোধী কার্যক্রম সরকারকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করাতে পারে।
বৈঠকে দেশে তেল সংকট ও শিশুদের জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ টিকার ঘাটতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। নেতৃবৃন্দ বলেন, জনগণের নিত্যপ্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন এবং শিশুদের জীবনরক্ষাকারী টিকার ঘাটতি জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছে। এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সরকারের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে বিলম্বের কঠোর সমালোচনা করা হয় এবং অবিলম্বে সংকট নিরসনে জরুরি উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানানো হয়।
এ ছাড়া বৈঠকে ইরানের ওপর ইসরায়েল ও আমেরিকার অব্যাহত হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয় এবং ইসরাইলকে প্রতিহত করে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
বৈঠক শেষে, গত ২৬ মার্চ কুমিল্লার মিয়ামি হাইওয়ে রেস্টুরেন্ট সংলগ্ন এলাকায় সংঘটিত এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমদের ছোট বোন, ভগ্নিপতি মাওলানা আব্দুল মোমিন ও দুই ভাতিজা-ভাগনির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করা হয় এবং নিহতদের জন্য শাহাদাতের মর্যাদা কামনা করে দোয়া করা হয়।
অন্যান্যদের মধ্যে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন— সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল, মাওলানা এনামুল হক মূসা, মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী, মাওলানা মুহাম্মদ ফয়সাল, মাওলানা আবু সাঈদ নোমান, মাওলানা মুহসিনুল হাসান, মাওলানা নিয়ামতুল্লাহ, বায়তুলমাল সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মাওলানা সামিউর রহমান মুসা, প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা হারুনুর রশীদ ভূঁইয়া, অফিস সম্পাদক মাওলানা রুহুল আমীন খান, প্রচার সম্পাদক মাওলানা হাসান জুনাইদ, সহ-প্রশিক্ষণ মাওলানা নূর মুহাম্মাদ আজীজ, সহ-বায়তুলমাল সম্পাদক ক্বারী হোসাইন আহমদ, নির্বাহী সদস্য মুফতী হাবীবুর রহমান কাসেমী, মাওলানা আব্দুন নুর, মাওলানা সাব্বির আহমদ উসমানী, মাওলানা আব্দুল মুমিন, মাওলানা মামুনুর রশীদ, মাওলানা লিয়াকত হোসাইন, মাওলানা আমজাদ হুসাইন, মাওলানা মঈনুল ইসলাম খন্দকার, মুফতী আজিজুল হক, হাফেজ শহীদুল ইসলাম, মাওলানা ওয়ালিউল্লাহ, মাওলানা মুহসিন উদ্দিন বেলালী, মুফতী নূর হোসাইন নূরানী, মাওলানা ছানাউল্লাহ আমেনী, মাওলানা আনোয়ার হোসাইন রাজী, মাওলানা রাকিবুল ইসলাম, মাওলানা মুর্শিদুল আলম সিদ্দীক, মাওলানা জাহিদুজ্জামান ও মিজানুর রহমান মোল্লা।
শনিবার দুপুরে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের মাসিক বৈঠকে সভাপতির বক্তব্য রাখছিলেন। রাজধানীর পুরানা পল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকটি পরিচালনা করেন মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমেদ।
মাওলানা মামুনুল বলেন, সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে বিএনপি গণভোটে নির্দিষ্ট বিষয়ে জনগণের সুস্পষ্ট রায় অমান্য করছে। পৃথিবীর কোনো সভ্য দেশে সরকার নিজ জনগণের সঙ্গে এমন ধৃষ্টতা প্রদর্শন করেছে—এমন নজির আমাদের জানা নেই।
তিনি বলেন, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা অসংখ্য অধ্যাদেশ তারা এখন বাতিল ও সংশোধন করছে; অথচ এসব অধ্যাদেশ জারির সময় তারা কোনো বিরোধিতা করেনি। বরং ক্ষেত্রবিশেষে কিছু অধ্যাদেশকে স্বাগত জানিয়েছে এবং কিছু তাদের দাবির প্রেক্ষিতে জারি হয়েছিল। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিএনপি সরকার মূলত গণভোটের রায়কে অমান্য করছে, যা একটি ভয়ংকর সংকটের সূচনা।
তিনি আরও বলেন, গণভোটের রায় কার্যকর করার দাবিতে আগামী ১০ এপ্রিল শুক্রবার দেশব্যাপী জেলা উপজেলায় বিক্ষোভ এবং ২৪ এপ্রিল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিতব্য গণসমাবেশ সফল করতে সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে।
সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা ইউসুফ আশরাফ, নায়েবে আমীর মাওলানা রেজাউল করীম জালালী, মুফতী সাঈদ নূর, মাওলানা কোরবান আলী কাসেমী, যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন, মাওলানা আব্দুল আজীজ, মুফতী শরাফত হোসাইন, মাওলানা তোফাজ্জল হোসাইন মিয়াজী, মাওলানা শরীফ সাইদুর রহমান।
বৈঠকে সাম্প্রতিক সময়ে সংস্কৃতি মন্ত্রীর বিভিন্ন মন্তব্য ও সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করে বলা হয়— ব্রাহ্মণ্যবাদী আধিপত্যকে তোষণ করতে গিয়ে ইসলাম ও মুসলমানদের তাহজিব-তামাদ্দুনবিরোধী কার্যক্রম সরকারকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করাতে পারে।
বৈঠকে দেশে তেল সংকট ও শিশুদের জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ টিকার ঘাটতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। নেতৃবৃন্দ বলেন, জনগণের নিত্যপ্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন এবং শিশুদের জীবনরক্ষাকারী টিকার ঘাটতি জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছে। এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সরকারের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে বিলম্বের কঠোর সমালোচনা করা হয় এবং অবিলম্বে সংকট নিরসনে জরুরি উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানানো হয়।
এ ছাড়া বৈঠকে ইরানের ওপর ইসরায়েল ও আমেরিকার অব্যাহত হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয় এবং ইসরাইলকে প্রতিহত করে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
বৈঠক শেষে, গত ২৬ মার্চ কুমিল্লার মিয়ামি হাইওয়ে রেস্টুরেন্ট সংলগ্ন এলাকায় সংঘটিত এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমদের ছোট বোন, ভগ্নিপতি মাওলানা আব্দুল মোমিন ও দুই ভাতিজা-ভাগনির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করা হয় এবং নিহতদের জন্য শাহাদাতের মর্যাদা কামনা করে দোয়া করা হয়।
অন্যান্যদের মধ্যে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন— সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল, মাওলানা এনামুল হক মূসা, মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী, মাওলানা মুহাম্মদ ফয়সাল, মাওলানা আবু সাঈদ নোমান, মাওলানা মুহসিনুল হাসান, মাওলানা নিয়ামতুল্লাহ, বায়তুলমাল সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মাওলানা সামিউর রহমান মুসা, প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা হারুনুর রশীদ ভূঁইয়া, অফিস সম্পাদক মাওলানা রুহুল আমীন খান, প্রচার সম্পাদক মাওলানা হাসান জুনাইদ, সহ-প্রশিক্ষণ মাওলানা নূর মুহাম্মাদ আজীজ, সহ-বায়তুলমাল সম্পাদক ক্বারী হোসাইন আহমদ, নির্বাহী সদস্য মুফতী হাবীবুর রহমান কাসেমী, মাওলানা আব্দুন নুর, মাওলানা সাব্বির আহমদ উসমানী, মাওলানা আব্দুল মুমিন, মাওলানা মামুনুর রশীদ, মাওলানা লিয়াকত হোসাইন, মাওলানা আমজাদ হুসাইন, মাওলানা মঈনুল ইসলাম খন্দকার, মুফতী আজিজুল হক, হাফেজ শহীদুল ইসলাম, মাওলানা ওয়ালিউল্লাহ, মাওলানা মুহসিন উদ্দিন বেলালী, মুফতী নূর হোসাইন নূরানী, মাওলানা ছানাউল্লাহ আমেনী, মাওলানা আনোয়ার হোসাইন রাজী, মাওলানা রাকিবুল ইসলাম, মাওলানা মুর্শিদুল আলম সিদ্দীক, মাওলানা জাহিদুজ্জামান ও মিজানুর রহমান মোল্লা।