নিজস্ব প্রতিবেদক
রংপুর বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। গত একদিনে নতুন করে আরও ১২ জন ভর্তি হওয়ায় মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৬ জনে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
শুক্রবার বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. গওসুল আজম চৌধুরী জানান, সকাল ১০টা থেকে শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল ১০টা পর্যন্ত সময়ে নতুন ১২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। গত ৩০ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট ৮৬ জন হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ৫৬ জন চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এবং বর্তমানে ৩০ জন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তিনি আরও জানান, নতুন করে আরও একজনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ জনে। শনাক্তদের মধ্যে রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধায় একজন করে এবং নীলফামারী ও ঠাকুরগাঁওয়ে দুজন করে রয়েছেন।
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম চিকিৎসা কার্যক্রমের ফোকাল পারসন ডা. আনম তানভীর চৌধুরী জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে ৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে সেখানে ২১ জন চিকিৎসাধীন, যার মধ্যে ৭ জন ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র নিয়েছেন।
অন্যদিকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৪ জন ভর্তি হয়ে ১১ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন। এছাড়া বিভাগের অন্যান্য হাসপাতালে আরও ১৬ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতিটি মেডিকেল কলেজ, জেলা ও উপজেলা হাসপাতালে হাম কর্নার চালু করা হয়েছে। আগামী রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের জন্য টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে।
এদিকে শনিবার সকালে হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক হুজুর আলী জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। টিকাদানে সাময়িক ব্যাঘাতের কারণে এ পরিস্থিতি তৈরি হলেও সরকার আবারও টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করার উদ্যোগ নিয়েছে।
শুক্রবার বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. গওসুল আজম চৌধুরী জানান, সকাল ১০টা থেকে শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল ১০টা পর্যন্ত সময়ে নতুন ১২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। গত ৩০ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট ৮৬ জন হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ৫৬ জন চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এবং বর্তমানে ৩০ জন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তিনি আরও জানান, নতুন করে আরও একজনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ জনে। শনাক্তদের মধ্যে রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধায় একজন করে এবং নীলফামারী ও ঠাকুরগাঁওয়ে দুজন করে রয়েছেন।
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম চিকিৎসা কার্যক্রমের ফোকাল পারসন ডা. আনম তানভীর চৌধুরী জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে ৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে সেখানে ২১ জন চিকিৎসাধীন, যার মধ্যে ৭ জন ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র নিয়েছেন।
অন্যদিকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৪ জন ভর্তি হয়ে ১১ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন। এছাড়া বিভাগের অন্যান্য হাসপাতালে আরও ১৬ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতিটি মেডিকেল কলেজ, জেলা ও উপজেলা হাসপাতালে হাম কর্নার চালু করা হয়েছে। আগামী রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের জন্য টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে।
এদিকে শনিবার সকালে হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক হুজুর আলী জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। টিকাদানে সাময়িক ব্যাঘাতের কারণে এ পরিস্থিতি তৈরি হলেও সরকার আবারও টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করার উদ্যোগ নিয়েছে।