নিজস্ব প্রতিবেদক
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ডাকুয়ার হাওরের প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে বাঁধ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নোয়াগাঁও, গোরেরগাঁও, কান্দাগাঁও ও উলুতুলু গ্রামের শতাধিক লোকজনের বিরুদ্ধে। এতে ডাকুয়ার হাওর ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বাঁধ কাটতে বাধা দেওয়ায় মোহনপুর গ্রামের কৃষকদের ওপর হামলা করা হলে অন্তত ২০ জন আহত হন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে প্রশাসন এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার ডাকুয়ার হাওরে বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। জলাবদ্ধতা নিরসন নিয়ে মোহনপুর গ্রাম ও নোয়াগাও গ্রামবাসীর মধ্যে গতকাল রাত থেকে উত্তেজনা দেখা দেয়। বিষয়টি প্রশসসনের নজরে এলে আজ শনিবার সকালে মোহনপুর গ্রামের লোকজন ও নোয়াগাঁও এলাকার লোকজনকে নিয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জিত কুমার বাঁধ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে জরুরি সভা করেন। তিনি বিষয়টি সমাধানের জন্য একটি কমিটি গঠন করেন। সভা চলাকালেই মছব্বির মেম্বারের নির্দেশে তার এলাকার পাঁচ শতাধিক সশস্ত্র লোকজন জোরপূর্বক বাঁধ কেটে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ সময় বাঁধ কাটতে বাধা দিলে মোহনপুর গ্রামের আলী, আফিজ, সুকুর আলী, আজিজুল, জাহাঙ্গীরসহ অন্তত ২০ জন আহত হন।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুলতানা জেরিন বলেন, সকালে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বাঁধ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সভা করেছেন। কিন্তু এর আগেই নোয়াগাঁও এলাকার লোকজন আইন অমান্য করে বাঁধ কেটে দিয়েছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জিত কুমার বলেন, এক পক্ষ প্রশাসনের সিদ্ধান্ত না মেনে বাঁধ কেটে দিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার ডাকুয়ার হাওরে বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। জলাবদ্ধতা নিরসন নিয়ে মোহনপুর গ্রাম ও নোয়াগাও গ্রামবাসীর মধ্যে গতকাল রাত থেকে উত্তেজনা দেখা দেয়। বিষয়টি প্রশসসনের নজরে এলে আজ শনিবার সকালে মোহনপুর গ্রামের লোকজন ও নোয়াগাঁও এলাকার লোকজনকে নিয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জিত কুমার বাঁধ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে জরুরি সভা করেন। তিনি বিষয়টি সমাধানের জন্য একটি কমিটি গঠন করেন। সভা চলাকালেই মছব্বির মেম্বারের নির্দেশে তার এলাকার পাঁচ শতাধিক সশস্ত্র লোকজন জোরপূর্বক বাঁধ কেটে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ সময় বাঁধ কাটতে বাধা দিলে মোহনপুর গ্রামের আলী, আফিজ, সুকুর আলী, আজিজুল, জাহাঙ্গীরসহ অন্তত ২০ জন আহত হন।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুলতানা জেরিন বলেন, সকালে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বাঁধ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সভা করেছেন। কিন্তু এর আগেই নোয়াগাঁও এলাকার লোকজন আইন অমান্য করে বাঁধ কেটে দিয়েছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জিত কুমার বলেন, এক পক্ষ প্রশাসনের সিদ্ধান্ত না মেনে বাঁধ কেটে দিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।