নিজস্ব প্রতিবেদক
ইলিশের অভয়াশ্রমে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চাঁদপুরের হাইমচরে মেঘনা নদীতে জাটকা নিধন কালে অভিযানে ৩৮ জেলেকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাতে হাইমচরের সাহেবগঞ্জ এলাকায় এক বিশেষ সাঁড়াশি অভিযানে ৩৮ জেলেকে আটক করা হয়।
অভিযান শেষে আটক জেলেদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে তোলা হলে আদালত ৩৮ জেলের মধ্যে ১৩ জনকে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড এবং ১৫ জনকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। তবে বয়সে ছোট হওয়ায় এবং মানবিক দিক বিবেচনা করে ১০ জন শিশু জেলেকে কোনো সাজা ছাড়াই মুক্তি দেওয়া হয়। সাজাপ্রাপ্ত জেলেরা সবাই শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন হাইমচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমিত রায়।
মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে, চাঁদপুর সদর বা মতলবের তুলনায় হাইমচর এলাকায় ইলিশের আনাগোনা অনেক বেশি। এই অঞ্চলের বিশেষত্ব হলো ভারী কলকারখানা না থাকায় নদীর পানি ইলিশের জন্য নিরাপদ। ইলিশের প্রজনন ও বিচরণের জন্য এখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশ অত্যন্ত উপযোগী।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, এক শ্রেণির প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় আধুনিক সরঞ্জাম ও শক্তিশালী নৌকা নিয়ে জেলেরা রাতের আঁধারে জাটকা নিধনে মেতে উঠছে।
হাইমচর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এ.বি.এম. আশরাফুল হক বলেন, জাটকা রক্ষায় আমরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। নদীতে আমাদের নিয়মিত টহল চলছে এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।
এসময় অভিযান কালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য অফিস ক্ষেত্র সহকারী ইজ্জাজ মাহমুদসহ মৎস্য অধিদপ্তর ও প্রশাসনের অন্যান্যরা।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাতে হাইমচরের সাহেবগঞ্জ এলাকায় এক বিশেষ সাঁড়াশি অভিযানে ৩৮ জেলেকে আটক করা হয়।
অভিযান শেষে আটক জেলেদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে তোলা হলে আদালত ৩৮ জেলের মধ্যে ১৩ জনকে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড এবং ১৫ জনকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। তবে বয়সে ছোট হওয়ায় এবং মানবিক দিক বিবেচনা করে ১০ জন শিশু জেলেকে কোনো সাজা ছাড়াই মুক্তি দেওয়া হয়। সাজাপ্রাপ্ত জেলেরা সবাই শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন হাইমচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমিত রায়।
মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে, চাঁদপুর সদর বা মতলবের তুলনায় হাইমচর এলাকায় ইলিশের আনাগোনা অনেক বেশি। এই অঞ্চলের বিশেষত্ব হলো ভারী কলকারখানা না থাকায় নদীর পানি ইলিশের জন্য নিরাপদ। ইলিশের প্রজনন ও বিচরণের জন্য এখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশ অত্যন্ত উপযোগী।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, এক শ্রেণির প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় আধুনিক সরঞ্জাম ও শক্তিশালী নৌকা নিয়ে জেলেরা রাতের আঁধারে জাটকা নিধনে মেতে উঠছে।
হাইমচর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এ.বি.এম. আশরাফুল হক বলেন, জাটকা রক্ষায় আমরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। নদীতে আমাদের নিয়মিত টহল চলছে এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।
এসময় অভিযান কালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য অফিস ক্ষেত্র সহকারী ইজ্জাজ মাহমুদসহ মৎস্য অধিদপ্তর ও প্রশাসনের অন্যান্যরা।