নিজস্ব প্রতিবেদক
সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার একটি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দেয়াল সংলগ্ন উন্মুক্ত স্থানে নিয়মিত ময়লা-আবর্জনা ফেলার ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার উপজেলা প্রশাসনকে লিখিত ও মৌখিকভাবে অবহিত করা হলেও দীর্ঘদিনেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দয়ামীর ইউনিয়নের আহমদনগর এলাকায় সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের পাশে মহানগর ফিলিং স্টেশনের নিকটে অবস্থিত জয়বুননেছা গার্লস হাই স্কুলের দেয়ালঘেঁষা খোলা স্থানে পাশ্ববর্তী ‘গ্রাম বাংলা’ ও ‘রাজধানী’ নামের দুটি রেস্টুরেন্টসহ আশপাশের বাসাবাড়ির বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত এ বিদ্যালয়টি বর্তমানে দুর্গন্ধে কার্যত অসহনীয় অবস্থায় পড়েছে।
এদিকে গত ২৪ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করলেও সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এর আগেই উন্মুক্ত স্থানে নিয়মিত বর্জ্য ফেলার ঘটনায় গত বছরের ১২ নভেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি, স্থানীয় মসজিদ কমিটি ও পঞ্চায়েত কমিটি একাধিকবার সংশ্লিষ্ট রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করে নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলা এবং ড্রেন নির্মাণের অনুরোধ জানালেও তা কার্যকর হয়নি। বরং আগের তুলনায় আরও বেশি পরিমাণে আবর্জনা ফেলা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
দুর্গন্ধের তীব্রতায় অনেক সময় শ্রেণিকক্ষের দরজা-জানালা বন্ধ রেখে পাঠদান করতে বাধ্য হচ্ছেন শিক্ষকরা। এতে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়ছে। একই সঙ্গে অভিভাবকদের একটি অংশ তাদের সন্তানদের এ বিদ্যালয়ে ভর্তি করাতে অনাগ্রহী হয়ে পড়েছেন।
বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাদিয়া রহমান মাইশা তালুকদার জানায়, দুর্গন্ধের কারণে ক্লাসে বসে থাকতে খুব কষ্ট হয়। অনেক সময় অসুস্থ লাগতে থাকে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম বলেন, এই অবস্থা চলতে থাকলে শিক্ষার পরিবেশ পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যাবে। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
এ বিষয়ে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষের দাবি, তারা ইচ্ছাকৃতভাবে বিদ্যালয়ের পাশে ময়লা ফেলেন না। নির্দিষ্ট ডাস্টবিন বা বর্জ্য ব্যবস্থাপনার স্থায়ী ব্যবস্থা না থাকায় সাময়িকভাবে ওই স্থানে বর্জ্য রাখা হচ্ছে। তবে প্রশাসন সেখানে একটি ড্রেন নির্মাণ করে দিলে এই সমস্যা দূর করা সম্ভব।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুনমুন নাহার আশার কাছে মুঠোফোনে ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।
সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বিষয়টি শুনে বিস্ময় প্রকাশ করেন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
এমতাবস্থায় বিদ্যালয়ের পরিবেশ রক্ষা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার স্থায়ী সমাধান এবং শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের জরুরি ও দৃশ্যমান হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দয়ামীর ইউনিয়নের আহমদনগর এলাকায় সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের পাশে মহানগর ফিলিং স্টেশনের নিকটে অবস্থিত জয়বুননেছা গার্লস হাই স্কুলের দেয়ালঘেঁষা খোলা স্থানে পাশ্ববর্তী ‘গ্রাম বাংলা’ ও ‘রাজধানী’ নামের দুটি রেস্টুরেন্টসহ আশপাশের বাসাবাড়ির বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত এ বিদ্যালয়টি বর্তমানে দুর্গন্ধে কার্যত অসহনীয় অবস্থায় পড়েছে।
এদিকে গত ২৪ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করলেও সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এর আগেই উন্মুক্ত স্থানে নিয়মিত বর্জ্য ফেলার ঘটনায় গত বছরের ১২ নভেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি, স্থানীয় মসজিদ কমিটি ও পঞ্চায়েত কমিটি একাধিকবার সংশ্লিষ্ট রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করে নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলা এবং ড্রেন নির্মাণের অনুরোধ জানালেও তা কার্যকর হয়নি। বরং আগের তুলনায় আরও বেশি পরিমাণে আবর্জনা ফেলা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
দুর্গন্ধের তীব্রতায় অনেক সময় শ্রেণিকক্ষের দরজা-জানালা বন্ধ রেখে পাঠদান করতে বাধ্য হচ্ছেন শিক্ষকরা। এতে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়ছে। একই সঙ্গে অভিভাবকদের একটি অংশ তাদের সন্তানদের এ বিদ্যালয়ে ভর্তি করাতে অনাগ্রহী হয়ে পড়েছেন।
বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাদিয়া রহমান মাইশা তালুকদার জানায়, দুর্গন্ধের কারণে ক্লাসে বসে থাকতে খুব কষ্ট হয়। অনেক সময় অসুস্থ লাগতে থাকে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম বলেন, এই অবস্থা চলতে থাকলে শিক্ষার পরিবেশ পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যাবে। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
এ বিষয়ে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষের দাবি, তারা ইচ্ছাকৃতভাবে বিদ্যালয়ের পাশে ময়লা ফেলেন না। নির্দিষ্ট ডাস্টবিন বা বর্জ্য ব্যবস্থাপনার স্থায়ী ব্যবস্থা না থাকায় সাময়িকভাবে ওই স্থানে বর্জ্য রাখা হচ্ছে। তবে প্রশাসন সেখানে একটি ড্রেন নির্মাণ করে দিলে এই সমস্যা দূর করা সম্ভব।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুনমুন নাহার আশার কাছে মুঠোফোনে ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।
সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বিষয়টি শুনে বিস্ময় প্রকাশ করেন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
এমতাবস্থায় বিদ্যালয়ের পরিবেশ রক্ষা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার স্থায়ী সমাধান এবং শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের জরুরি ও দৃশ্যমান হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।