নিজস্ব প্রতিবেদক
বগুড়ার ধুনট ও সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলায় বহমান ইছামতি নদীর বুকে হঠাৎ করেই দৃষ্টিনন্দন অতিথি পাখি শামুকখোলের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে। এ নদীকে ঘিরে অসংখ্য শামুকখোল পাখি এক সপ্তাহ ধরে অবস্থান করছে। এই এলাকায় এর আগে কখনো এ ধরনের অতিথি পাখির সমাগম ঘটেনি। তাই অপরিচিত এই পাখি দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছে নানা বয়সের মানুষ। বাধাহীন ভাবে পাখিগুলো উড়ছে নীল আকাশে। ঝাঁক বেঁধে শামুকখোলের খাবার শিকার বা উড়ে চলা যেন প্রকৃতির সৌন্দর্য্য বাড়িয়ে তুলেছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে সরেজমিন দেখা যায়, ইছামতি নদী ও তীরবর্তী ধান ক্ষেতে শামুকখোল পাখি দল বেঁধে খাবার সংগ্রহ করতে দেখা যায়। হেঁটে হেঁটে পানিতে ঠোঁট ডুবিয়ে সংগ্রহ করে খাবার।
দেখতে বকের মতো হওয়ায় স্থানীয় জনসাধারণ বড় আকারের বা ভিন্ন প্রজাতির বক হিসেবে ভাবছেন। বড় আকৃতির পাখির দল বেঁধে খাবার সংগ্রহ ও উড়ে চলা সাধারণ মানুষের দৃষ্টি কাড়ছে। দূর থেকে এসব পাখি দেখতে ভিড় করছেন অনেকে। জলজ এ পাখিকে অধিকাংশ সময় নদীর বুকে পানিতে ও ধান ক্ষেতে খাবার সংগ্রহ করতে দেখা গেছে। তবে খাবার সংগ্রহ শেষ হলে বিশ্রামের জন্য উঁচু গাছে আশ্রয় নেয় শামুকখোল। গ্রামীণ জনপদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য বাড়িয়ে তুলেছে শামুকখোল।
ইছামতি নদীর তীরে অবস্থিত সরকারপাড়া গ্রামের কৃষক আব্দুস ছালাম জানান, ইছামতি নদীতে অল্প পানিতে এক সপ্তাহ যাবত শামুকখোল পাখিকে দল বেঁধে খাবার সংগ্রহ করতে দেখা যায়। খাবার সংগ্রহ শেষ হলে পাখিগুলো নদী তীরের সবচেয়ে উঁচু গাছ গুলোতে আশ্রয় নেয়। তবে স্থানীয় অধিকাংশ লোকজন এ পাখির সঠিক নাম জানে না।
পাইকপাড়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক, শহিদুল ইসলামসহ অনেকে জানান, প্রতিদিন আমরা এই নদীর পাশের সড়কটি দিয়ে যাতায়াত করি। এখানে তেমন একটা পাখির দেখা মেলে না। হঠাৎ কয়েক দিন ধরে দেখতে পারছি শামুকখোল পাখি। পাখিগুলো নদীর মাছ ও শামুক খেয়ে থাকে। এই পাখিগুলো আমাদের কাছে অচেনা। হঠাৎ করে শুনতে পাই নদীতে অনেক অতিথি পাখি এসেছে। তাই সপরিবারে পাখি দেখতে চলে এসেছি। পাখিগুলো দেখে আমার মেয়ে খুবই খুশি হয়েছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে সরেজমিন দেখা যায়, ইছামতি নদী ও তীরবর্তী ধান ক্ষেতে শামুকখোল পাখি দল বেঁধে খাবার সংগ্রহ করতে দেখা যায়। হেঁটে হেঁটে পানিতে ঠোঁট ডুবিয়ে সংগ্রহ করে খাবার।
দেখতে বকের মতো হওয়ায় স্থানীয় জনসাধারণ বড় আকারের বা ভিন্ন প্রজাতির বক হিসেবে ভাবছেন। বড় আকৃতির পাখির দল বেঁধে খাবার সংগ্রহ ও উড়ে চলা সাধারণ মানুষের দৃষ্টি কাড়ছে। দূর থেকে এসব পাখি দেখতে ভিড় করছেন অনেকে। জলজ এ পাখিকে অধিকাংশ সময় নদীর বুকে পানিতে ও ধান ক্ষেতে খাবার সংগ্রহ করতে দেখা গেছে। তবে খাবার সংগ্রহ শেষ হলে বিশ্রামের জন্য উঁচু গাছে আশ্রয় নেয় শামুকখোল। গ্রামীণ জনপদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য বাড়িয়ে তুলেছে শামুকখোল।
ইছামতি নদীর তীরে অবস্থিত সরকারপাড়া গ্রামের কৃষক আব্দুস ছালাম জানান, ইছামতি নদীতে অল্প পানিতে এক সপ্তাহ যাবত শামুকখোল পাখিকে দল বেঁধে খাবার সংগ্রহ করতে দেখা যায়। খাবার সংগ্রহ শেষ হলে পাখিগুলো নদী তীরের সবচেয়ে উঁচু গাছ গুলোতে আশ্রয় নেয়। তবে স্থানীয় অধিকাংশ লোকজন এ পাখির সঠিক নাম জানে না।
পাইকপাড়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক, শহিদুল ইসলামসহ অনেকে জানান, প্রতিদিন আমরা এই নদীর পাশের সড়কটি দিয়ে যাতায়াত করি। এখানে তেমন একটা পাখির দেখা মেলে না। হঠাৎ কয়েক দিন ধরে দেখতে পারছি শামুকখোল পাখি। পাখিগুলো নদীর মাছ ও শামুক খেয়ে থাকে। এই পাখিগুলো আমাদের কাছে অচেনা। হঠাৎ করে শুনতে পাই নদীতে অনেক অতিথি পাখি এসেছে। তাই সপরিবারে পাখি দেখতে চলে এসেছি। পাখিগুলো দেখে আমার মেয়ে খুবই খুশি হয়েছে।