কাউখালী প্রতিনিধি
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে, ২০২৫/২৬ অর্থ বছরে এসএসিপি এর আওতায় উচ্চমূল্যের ফসল (ফল) এর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার চিড়াপাড়া পারসাতুরিয়া ইউনিয়নের সুবিদপুরের কচা নদীর তীরে বাদামতলা মাঠে বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেলে এক বর্ণাঢ্য মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসার সোমা রানী দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বরিশাল অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ডক্টর নজরুল ইসলাম সিকদার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর পিরোজপুর জেলার উপ-পরিচালক সৌমিত্র সরকার, এসএস সিপির প্রকল্পের রিজিওনাল প্রজেক্ট অফিসার রিফাত সিকদার, বরিশাল অঞ্চলের তেল জাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের মনিটরিং অফিসার আলী আজিম শরীফ। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনের দায়িত্ব পালন করেন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার প্রদীপ কুমার হালদার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপসহকারী কৃষি অফিসার মাইনুল হুদা রোমান, সৈয়দ ফাহিম হোসেন, সাখাওয়াত হোসেন তুহিন, কাউখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক রিয়াদ মাহমুদ সিকদার, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক,কৃষকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মিজানুর রহমান, ফরিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ ইয়াসিন। উল্লেখ্য উপজেলার বাদামতলী এলাকায় প্রায় ৮৬ একর অনাবাদি জমিতে উন্নত জাতের তরমুজ চাষ করা হয়েছে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর পিরোজপুর জেলার উপ-পরিচালক সৌমিত্র সরকার, এসএস সিপির প্রকল্পের রিজিওনাল প্রজেক্ট অফিসার রিফাত সিকদার, বরিশাল অঞ্চলের তেল জাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের মনিটরিং অফিসার আলী আজিম শরীফ। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনের দায়িত্ব পালন করেন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার প্রদীপ কুমার হালদার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপসহকারী কৃষি অফিসার মাইনুল হুদা রোমান, সৈয়দ ফাহিম হোসেন, সাখাওয়াত হোসেন তুহিন, কাউখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক রিয়াদ মাহমুদ সিকদার, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক,কৃষকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মিজানুর রহমান, ফরিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ ইয়াসিন। উল্লেখ্য উপজেলার বাদামতলী এলাকায় প্রায় ৮৬ একর অনাবাদি জমিতে উন্নত জাতের তরমুজ চাষ করা হয়েছে।
প্রদর্শনী প্লটের সুফলভোগী কৃষকরা তাদের অভিজ্ঞতায় জানান, কৃষি অফিসের পরামর্শ ও সঠিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে তরমুজের ফলন অনেক ভালো হয়েছে। এতে উৎপাদন খরচ কম হয়েছে, লাভের সম্ভাবনাও অনেক বেশি আশা করা যাচ্ছে ।
অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সকলে প্রদর্শনী প্লটটি ঘুরে দেখেন এবং উন্নত জাতের বীজ ও চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করেন। কৃষি কর্মকর্তাদের আশা, এই ধরণের মাঠ দিবসের মাধ্যমে স্থানীয় কৃষকরা আরও বেশি সচেতন হবেন, যা জাতীয় খাদ্য উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।