রাহাদ সুমন,
বরিশাল
বরিশালের গৌরনদীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের দুই নেতাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে।
আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। উপজেলার নলচিড়া ইউনিয়নের পিঙ্গলাকাঠী ও পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড কাসেমাবাদ গ্রামে মঙ্গলবার দুপুরে ও সোমবার রাতে পৃথকভাবে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে।
হামলায় আহতরা হলেন-কার্যক্রম নিষিদ্ধ নলচিড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ মিয়া মুকুল ও পৌরসভা ৯নং ওয়ার্ডের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক কাওসার হোসেন।
হামলায় আহত ফিরোজ মিয়া মুকুল বলেন, মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে পিঙ্গলাকাঠী বাজারে যাই। এসময় আওয়ামী লীগ করে আবার বাজারে আসছি কেনো বলেই সরকারী গৌরনদী কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস ফুয়াদ হোসেন এ্যানির ভাই যুবদল কর্মী শাহিন সরদার, ভাতিজা লেকাত ও সোহাগ সরদার আমাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।
এসময় স্থানীয়দের সহায়তায় আমি পালিয়ে রক্ষা পাই। হামলাকারীদের ভয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে না পেরে স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা নিচ্ছি।
হামলার বিষয়ে জানতে ফুয়াদ হোসেন এ্যানির ০১৭১২২৮১২০৩ নাম্বারে ফোন করা হলে তিনি জানাজায় আছেন বলে লাইন কেটে দেন।
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক কাওসার হোসেন বলেন, সোমবার (৩০ মার্চ) দিবাগত রাতে বেজহার গ্রামের যুবদল কর্মী নয়ন আমাকে বাসা থেকে ডেকে নেয়। বাসা থেকে বের হওয়ার পরপরই কাসেমাবাদ গ্রামের লাল মিয়া সরদারের ছেলে যুবদল কর্মী হীরা সরদারের নেতৃত্বে নয়ন ও হীরা সহ ৮/১০ জন মিলে আমাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে ফেলে যায়। এবিষয়ে অভিযুক্ত নয়ন ও হীরার ফোন বন্ধ পাওয়ায় তাদের বক্তব্য নেওয়া যায়নি।
গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল জানিয়েছেন, বিষয়টি জানা নেই। তবে এবিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।