নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক এডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ বলেছেন, ‘‘আগামীতে নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং ঠেকাতে প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে সাহসী জনশক্তি থাকতে হবে”। তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের যেসব আসনে জামায়াতে ইসলামী বিজয়ী হয়েছে ঐ সব আসনের জনশক্তি সাহসী ভূমিকা রেখেছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের ডিসি সহ নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা ফলাফল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চেষ্টা করেছিল তবে সেখানকার জনশক্তিরা ডিসি অফিসের দরজা ভেঙ্গে ইঞ্জিনিয়ারিং ঠেকাতে সক্ষম হয়েছিল। পরবর্তী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ৩ টি আসনের কোনটিতে ইঞ্জিনিয়ারিং করতে পারেনি। ফলে সেখানকার ৩টি আসনেই জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছে। তিনি বলেন, অপরাধীরা সব সময় দুর্বল থাকে। প্রতিরোধের মুখে তারা পালিয়ে যেতেও বাধ্য হয়। ডিপ স্টেটকে দুর্বল করতে মাঠের জনশক্তিকে শক্তিশালী হতে হবে। ডিপ স্টেট দুর্বল হলে জনগণের ভোট কারচুপির মাধ্যমে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সুযোগ পাবে না। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পল্টন থানার উদ্যোগে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, অতীতের সব সরকার বাহাত্তরের সংবিধানকে কাটাছেঁড়া করে নিজের ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করার সংবিধানে রূপ দিয়েছে। বাহাত্তরের সংবিধান ক্ষমতাসীনদের স্বার্থে রচিত। এজন্য বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে বাহাত্তারের কাটাছেঁড়া সংবিধান রক্ষা করতে উঠেপড়ে লেগেছে। অথচ বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার আগে জাতিকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, গণভোটে হ্যাঁ জয়যুক্ত হলে তারা জুলাই সনদ অক্ষরে-অক্ষরে পালন করবে। কিন্তু ক্ষমতায় গিয়ে তারা জনগণের সঙ্গে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের পথে হাঁটছে। তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদে বিএনপি সহ রাজনৈতিক দল গুলো স্বাক্ষর করার পর জুলাই সনদ নিয়ে নতুন করে আলোচনার কিছু থাকে না, এখন শুধু সনদ বাস্তবায়নের বাকি। জুলাই সনদে নিজেদের স্বাক্ষরের প্রতি সম্মান জানিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করতে তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিসে শুরা সদস্য ও পল্টন থানা আমীর এডভোকেট মারুফুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং মহানগরীর মজলিসে শুরা সদস্য ও পল্টন থানা সেক্রেটারি মঞ্জুরুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক শাহীন আহমদ খান, মহানগরীর মজলিসে শুরা সদস্য ও পল্টন থানা সহকারী সেক্রেটারি মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন, পল্টন থানা কর্মপরিষদ সদস্য আ. ফ. ম ইউসুফ, শামীম হাসনাইন, সাইয়েদ মুহাম্মদ জুবায়ের, আব্দুল মতিন প্রমুখ।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক এডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ বলেছেন, ‘‘আগামীতে নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং ঠেকাতে প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে সাহসী জনশক্তি থাকতে হবে”। তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের যেসব আসনে জামায়াতে ইসলামী বিজয়ী হয়েছে ঐ সব আসনের জনশক্তি সাহসী ভূমিকা রেখেছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের ডিসি সহ নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা ফলাফল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চেষ্টা করেছিল তবে সেখানকার জনশক্তিরা ডিসি অফিসের দরজা ভেঙ্গে ইঞ্জিনিয়ারিং ঠেকাতে সক্ষম হয়েছিল। পরবর্তী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ৩ টি আসনের কোনটিতে ইঞ্জিনিয়ারিং করতে পারেনি। ফলে সেখানকার ৩টি আসনেই জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছে। তিনি বলেন, অপরাধীরা সব সময় দুর্বল থাকে। প্রতিরোধের মুখে তারা পালিয়ে যেতেও বাধ্য হয়। ডিপ স্টেটকে দুর্বল করতে মাঠের জনশক্তিকে শক্তিশালী হতে হবে। ডিপ স্টেট দুর্বল হলে জনগণের ভোট কারচুপির মাধ্যমে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সুযোগ পাবে না। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পল্টন থানার উদ্যোগে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, অতীতের সব সরকার বাহাত্তরের সংবিধানকে কাটাছেঁড়া করে নিজের ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করার সংবিধানে রূপ দিয়েছে। বাহাত্তরের সংবিধান ক্ষমতাসীনদের স্বার্থে রচিত। এজন্য বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে বাহাত্তারের কাটাছেঁড়া সংবিধান রক্ষা করতে উঠেপড়ে লেগেছে। অথচ বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার আগে জাতিকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, গণভোটে হ্যাঁ জয়যুক্ত হলে তারা জুলাই সনদ অক্ষরে-অক্ষরে পালন করবে। কিন্তু ক্ষমতায় গিয়ে তারা জনগণের সঙ্গে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের পথে হাঁটছে। তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদে বিএনপি সহ রাজনৈতিক দল গুলো স্বাক্ষর করার পর জুলাই সনদ নিয়ে নতুন করে আলোচনার কিছু থাকে না, এখন শুধু সনদ বাস্তবায়নের বাকি। জুলাই সনদে নিজেদের স্বাক্ষরের প্রতি সম্মান জানিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করতে তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিসে শুরা সদস্য ও পল্টন থানা আমীর এডভোকেট মারুফুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং মহানগরীর মজলিসে শুরা সদস্য ও পল্টন থানা সেক্রেটারি মঞ্জুরুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক শাহীন আহমদ খান, মহানগরীর মজলিসে শুরা সদস্য ও পল্টন থানা সহকারী সেক্রেটারি মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন, পল্টন থানা কর্মপরিষদ সদস্য আ. ফ. ম ইউসুফ, শামীম হাসনাইন, সাইয়েদ মুহাম্মদ জুবায়ের, আব্দুল মতিন প্রমুখ।