নিজস্ব প্রতিবেদক
র্যাব-৯ ও র্যাব-১৪ এর যৌথ অভিযানে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থেকে
কিশোরী অপহরণ মামলার প্রধান আসামি ‘কামাল হোসেন’
কিশোরগঞ্জ থেকে গ্রেফতার ও ভিকটিম উদ্ধার
১। র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এলিট ফোর্স হিসেবে আত্মপ্রকাশের সূচনালগ্ন
থেকেই বিভিন্ন ধরনের নৃশংস ও ঘৃণ্যতম অপরাধ বিশেষ করে মাদক উদ্ধার, হত্যা মামলা, সন্ত্রাসী,
চাঁদাবাজ, জঙ্গি দমন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন অপরাধীদের গ্রেফতারে
অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। এছাড়াও যে কোন ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে র্যাবের
প্রতিটি সদস্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে জনসাধারণের জন্য একটি নিরাপদ বাসযোগ্য সমাজ তথা দেশ
বিনির্মাণে নিরলস ভাবে কাজ করে যা”েছ।
ঘটনার বিবরণে জানা যায় যে, ভিকটিম সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ থানাধীন নতুন
জীবনপুর এলাকার বাসিন্দা। ০১নং বিবাদী কামাল হোসেন বিবাহিত এবং তার একটি ছেলে
সন্তান রয়েছে। ০১নং বিবাদী বিভিন্ন সময়ে ভিকটিমের পিতার বাড়ির আশপাশে বেড়াতে এসে
ভিকটিমের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। বিষয়টি ভিকটিমের পরিবারের লোকজন জানতে
পেরে ০১নং বিবাদীর পরিবারকে জানায় এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে সালিশ বিচার হয়।
সালিশ বিচারে ০১নং বিবাদী ভিকটিমের সাথে কোন সম্পর্ক রাখবে না মর্মে জানায়। ঘটনার
দিন গত ১৬/০৩/২০২৬ খ্রি. তারিখ আনুমানিক রাত ২১.০০ ঘটিকার সময় ০১নং বিবাদী
ভিকটিমকে ফুঁসলিয়ে বিভিন্ন রকম ভুল বুঝিয়ে অন্যান্য বিবাদীদের সহযোগিতায় অপহরণ
করে নিয়ে যায়। অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার সময় ¯’ানীয় লোকজন দেখতে পায়। পরবর্তীতে
ভিকটিমের দাদু বিষয়টি ¯’ানীয় লোকমুখে জানতে পেরে ধারণা করেন যে, বিবাদীরা পরস্পর
যোগসাজসে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ভিকটিমকে অপহরণ করে অজ্ঞাত ¯’ানে নিয়ে গেছে। উক্ত
ঘটনায় ভিকটিমের দাদু বাদী হয়ে সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের
করেন। এরই প্রেক্ষিতে আসামিদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব-৯ এই ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু
করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯, সিপিএসসি, সিলেট এবং
র্যাব-১৪, সিপিসি-২, ভৈরব ক্যাম্প, কিশোরগঞ্জ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল অদ্য ৩০ মার্চ
২০২৬ খ্রি. তারিখ আনুমানিক দুপুর ১৪.৩০ ঘটিকার সময় কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব থানাধীন
কালিপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ থানার মামলা নং- ২৫,
তারিখ-১৭/০৩/২০২৬ খ্রি., ধারা- নারী শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী/২০২৫) এর
৭/৩০; এর মূলে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থেকে কিশোরী অপহরণ মামলার এজাহারনামীয় ০১নং
পলাতক আসামিকে গ্রেফতার এবং ভিকটিমকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারক...ত আসামি-
কামাল হোসেন (৩০), পিতা- বাবুল মিয়া, সাং- চন্দ্রনগর, থানা- কোম্পানীগঞ্জ, জেলা- সিলেট।
পরবর্তী আইনি ব্যব¯’া গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারক...ত আসামি ও উদ্ধারক...ত ভিকটিমকে
সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরি¯ি’তি স্বাভাবিক রাখতে
র্যাব-৯ এর চলমান গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
র্যাব-৯ ও র্যাব-১৪ এর যৌথ অভিযানে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থেকে
কিশোরী অপহরণ মামলার প্রধান আসামি ‘কামাল হোসেন’
কিশোরগঞ্জ থেকে গ্রেফতার ও ভিকটিম উদ্ধার
১। র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এলিট ফোর্স হিসেবে আত্মপ্রকাশের সূচনালগ্ন
থেকেই বিভিন্ন ধরনের নৃশংস ও ঘৃণ্যতম অপরাধ বিশেষ করে মাদক উদ্ধার, হত্যা মামলা, সন্ত্রাসী,
চাঁদাবাজ, জঙ্গি দমন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন অপরাধীদের গ্রেফতারে
অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। এছাড়াও যে কোন ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে র্যাবের
প্রতিটি সদস্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে জনসাধারণের জন্য একটি নিরাপদ বাসযোগ্য সমাজ তথা দেশ
বিনির্মাণে নিরলস ভাবে কাজ করে যা”েছ।
ঘটনার বিবরণে জানা যায় যে, ভিকটিম সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ থানাধীন নতুন
জীবনপুর এলাকার বাসিন্দা। ০১নং বিবাদী কামাল হোসেন বিবাহিত এবং তার একটি ছেলে
সন্তান রয়েছে। ০১নং বিবাদী বিভিন্ন সময়ে ভিকটিমের পিতার বাড়ির আশপাশে বেড়াতে এসে
ভিকটিমের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। বিষয়টি ভিকটিমের পরিবারের লোকজন জানতে
পেরে ০১নং বিবাদীর পরিবারকে জানায় এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে সালিশ বিচার হয়।
সালিশ বিচারে ০১নং বিবাদী ভিকটিমের সাথে কোন সম্পর্ক রাখবে না মর্মে জানায়। ঘটনার
দিন গত ১৬/০৩/২০২৬ খ্রি. তারিখ আনুমানিক রাত ২১.০০ ঘটিকার সময় ০১নং বিবাদী
ভিকটিমকে ফুঁসলিয়ে বিভিন্ন রকম ভুল বুঝিয়ে অন্যান্য বিবাদীদের সহযোগিতায় অপহরণ
করে নিয়ে যায়। অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার সময় ¯’ানীয় লোকজন দেখতে পায়। পরবর্তীতে
ভিকটিমের দাদু বিষয়টি ¯’ানীয় লোকমুখে জানতে পেরে ধারণা করেন যে, বিবাদীরা পরস্পর
যোগসাজসে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ভিকটিমকে অপহরণ করে অজ্ঞাত ¯’ানে নিয়ে গেছে। উক্ত
ঘটনায় ভিকটিমের দাদু বাদী হয়ে সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের
করেন। এরই প্রেক্ষিতে আসামিদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব-৯ এই ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু
করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯, সিপিএসসি, সিলেট এবং
র্যাব-১৪, সিপিসি-২, ভৈরব ক্যাম্প, কিশোরগঞ্জ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল অদ্য ৩০ মার্চ
২০২৬ খ্রি. তারিখ আনুমানিক দুপুর ১৪.৩০ ঘটিকার সময় কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব থানাধীন
কালিপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ থানার মামলা নং- ২৫,
তারিখ-১৭/০৩/২০২৬ খ্রি., ধারা- নারী শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী/২০২৫) এর
৭/৩০; এর মূলে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থেকে কিশোরী অপহরণ মামলার এজাহারনামীয় ০১নং
পলাতক আসামিকে গ্রেফতার এবং ভিকটিমকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারক...ত আসামি-
কামাল হোসেন (৩০), পিতা- বাবুল মিয়া, সাং- চন্দ্রনগর, থানা- কোম্পানীগঞ্জ, জেলা- সিলেট।
পরবর্তী আইনি ব্যব¯’া গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারক...ত আসামি ও উদ্ধারক...ত ভিকটিমকে
সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরি¯ি’তি স্বাভাবিক রাখতে
র্যাব-৯ এর চলমান গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।