তৈয়বুর রহমান (কালীগঞ্জ) গাজীপুর :
গাজীপুর-৫ আসনের সদর উপজেলার বাড়িয়া ইউনিয়নের খুন্দিয়া মায়া ফিলিং স্টেশনে তেল বিক্রিকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয়েছে নজিরবিহীন যানজট। তেলপ্রত্যাশী মোটরসাইকেল চালকদের চাপে গাজীপুর-আজমতপুর-ইটাখোলা সড়কে প্রায় ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে কয়েক ঘণ্টা স্থবির হয়ে পড়ে জনজীবন, চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যার পর একটি পেট্রোলবাহী গাড়ি মায়া ফিলিং স্টেশনে আসে। এই খবরটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের কয়েকটি ইউনিয়নসহ দূর-দূরান্ত থেকে শত শত মোটরসাইকেল চালক পাম্পে ভিড় করতে থাকেন। মুহূর্তের মধ্যেই মারতা বাজার থেকে আমতলী পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন পড়ে যায়।
পাম্পে তেল নিতে আসা জাংগালিয়া ইউপি সদস্য শহীদ উল্লাহ শহীদ বলেন, "প্রায় ৪ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর মাত্র ১ হাজার টাকার পেট্রোল পেয়েছি। পাম্পের ভেতর প্রচণ্ড ভিড় আর ঠেলাঠেলিতে আমার মোটরসাইকেলেরও বেশ ক্ষতি হয়েছে।"
অন্য এক চালক মহিদ তার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে বলেন, "গাড়িতে তেল ছিল না বলে বন্ধুর মোটরসাইকেল থেকে পাইপ দিয়ে তেল বের করে পাম্প পর্যন্ত এসেছি। ঈদের পর আজই প্রথম মেয়েকে স্কুলে নেওয়ার জন্য গাড়ি বের করেছি। ৫ ঘণ্টা অপেক্ষার পর ১ হাজার টাকার তেল সংগ্রহ করতে পেরেছি।"
রাস্তায় আটকে পড়া সাধারণ যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল চালকরা এলোমেলোভাবে গাড়ি রেখে সম্পূর্ণ রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছেন। প্রায় ৩-৪ ঘণ্টা যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় নারী, শিশু ও অসুস্থ রোগীদের অবর্ণনীয় কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে। তাদের দাবি, পাম্প কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের উচিত ছিল শুরু থেকেই ভিড় নিয়ন্ত্রণ করে রাস্তা সচল রাখা।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে গাজীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মামুনুর রশিদ জানান, পাম্পের সঠিক লোকেশন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অন্যদিকে, গাজীপুর সদর ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ জাহাঙ্গীর বলেন, "আমরা ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষকে কঠোরভাবে বলেছি যেন রাস্তার ওপর কোনো ভিড় না হয় এবং যান চলাচল স্বাভাবিক থাকে। খবর পাওয়ার পর থেকেই পুলিশ যানজট নিরসনে কাজ করছে।"
তৈয়বুর রহমান (কালীগঞ্জ) গাজীপুর :
গাজীপুর-৫ আসনের সদর উপজেলার বাড়িয়া ইউনিয়নের খুন্দিয়া মায়া ফিলিং স্টেশনে তেল বিক্রিকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয়েছে নজিরবিহীন যানজট। তেলপ্রত্যাশী মোটরসাইকেল চালকদের চাপে গাজীপুর-আজমতপুর-ইটাখোলা সড়কে প্রায় ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে কয়েক ঘণ্টা স্থবির হয়ে পড়ে জনজীবন, চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যার পর একটি পেট্রোলবাহী গাড়ি মায়া ফিলিং স্টেশনে আসে। এই খবরটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের কয়েকটি ইউনিয়নসহ দূর-দূরান্ত থেকে শত শত মোটরসাইকেল চালক পাম্পে ভিড় করতে থাকেন। মুহূর্তের মধ্যেই মারতা বাজার থেকে আমতলী পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন পড়ে যায়।
পাম্পে তেল নিতে আসা জাংগালিয়া ইউপি সদস্য শহীদ উল্লাহ শহীদ বলেন, "প্রায় ৪ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর মাত্র ১ হাজার টাকার পেট্রোল পেয়েছি। পাম্পের ভেতর প্রচণ্ড ভিড় আর ঠেলাঠেলিতে আমার মোটরসাইকেলেরও বেশ ক্ষতি হয়েছে।"
অন্য এক চালক মহিদ তার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে বলেন, "গাড়িতে তেল ছিল না বলে বন্ধুর মোটরসাইকেল থেকে পাইপ দিয়ে তেল বের করে পাম্প পর্যন্ত এসেছি। ঈদের পর আজই প্রথম মেয়েকে স্কুলে নেওয়ার জন্য গাড়ি বের করেছি। ৫ ঘণ্টা অপেক্ষার পর ১ হাজার টাকার তেল সংগ্রহ করতে পেরেছি।"
রাস্তায় আটকে পড়া সাধারণ যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল চালকরা এলোমেলোভাবে গাড়ি রেখে সম্পূর্ণ রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছেন। প্রায় ৩-৪ ঘণ্টা যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় নারী, শিশু ও অসুস্থ রোগীদের অবর্ণনীয় কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে। তাদের দাবি, পাম্প কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের উচিত ছিল শুরু থেকেই ভিড় নিয়ন্ত্রণ করে রাস্তা সচল রাখা।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে গাজীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মামুনুর রশিদ জানান, পাম্পের সঠিক লোকেশন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অন্যদিকে, গাজীপুর সদর ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ জাহাঙ্গীর বলেন, "আমরা ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষকে কঠোরভাবে বলেছি যেন রাস্তার ওপর কোনো ভিড় না হয় এবং যান চলাচল স্বাভাবিক থাকে। খবর পাওয়ার পর থেকেই পুলিশ যানজট নিরসনে কাজ করছে।"