গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে অগ্রিম টাকা দিয়েও ইট না পাওয়ার অভিযোগে একটি ইটভাটার মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন ভুক্তভোগী গ্রাহকরা। রোববার (২৯ মার্চ) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ‘ফাইজা ব্রিক্স’ (সাবেক এম.জি.এম) এর প্রায় অর্ধশত ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহক ও তাদের পরিবার এই কর্মসূচি পালন করেন। মানববন্ধন শেষে তারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।
ভুক্তভোগীদের দাবি, উপজেলার শালীহর গ্রামে অবস্থিত ওই ইটভাটার তৎকালীন লিজগ্রহীতা ও বর্তমান মালিকপক্ষের মারপ্যাঁচে প্রায় ৬০ জন গ্রাহকের ৪২ লাখ টাকার ইট আটকে আছে।
মানববন্ধনে গ্রাহক মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ২০১৮ সালে তিনি ১১ লাখ টাকা দিয়ে ২ লাখ ইট ক্রয় করেছিলেন। যার মধ্যে মাত্র ৮১ হাজার ইট পেয়েছেন। অবশিষ্ট ইটের জন্য বছরের পর বছর ঘুরলেও কোনো সুরাহা হচ্ছে না। আরেক ভুক্তভোগী মধু সরকার অভিযোগ করেন, পাওনা ইট চাইতে গেলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করেছেন।
স্মারকলিপি ও মানববন্ধন সূত্রে জানা গেছে, ইটভাটার সাবেক লিজগ্রহীতা ফারুকুল ইসলাম দায়িত্ব ছাড়ার সময় পাওনাদারদের জন্য ৭ লাখ ইট রেখে গেলেও সেগুলো গ্রাহকদের দেওয়া হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন পৌর মেয়র ও স্থানীয় প্রভাবশালীরা সেই ইট তছরুপ করেছেন। বর্তমানে ভাটার মূল মালিক বোরহান উদ্দিন শোয়েব ও তার ভাই খায়ের উদ্দিন রতন ১০ জন অংশীদার নিয়ে ভাটাটি পুনরায় চালু করলেও পুরোনো গ্রাহকদের ইট দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন।
এ বিষয়ে সাবেক লিজগ্রহীতা ফারুকুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। বর্তমান মালিক খায়ের উদ্দিন রতন দাবি করেন, ২০১৮ সালের মালিকপক্ষ বর্তমানে নেই। তৎকালীন সময়ে এটি নিয়ে ইউএনও অফিসে বৈঠকও হয়েছে। এখন তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো অনৈতিক।
ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি আলী আকবর আনিছ জানান, সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি তিনি জেনেছেন। তবে গ্রাহকরা এখনো সমিতির কাছে লিখিত অভিযোগ করেননি। বর্তমান মালিকপক্ষ টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করছে।
মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী গ্রাহক হুমায়ুন কবীর, আব্দুস সাত্তার, আব্দুল গণি, আবুল কাসেম প্রমুখ। তারা তাদের রশিদমূলে ক্রয়কৃত পাওনা ইট দ্রুত ফেরত দেওয়ার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে অগ্রিম টাকা দিয়েও ইট না পাওয়ার অভিযোগে একটি ইটভাটার মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন ভুক্তভোগী গ্রাহকরা। রোববার (২৯ মার্চ) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ‘ফাইজা ব্রিক্স’ (সাবেক এম.জি.এম) এর প্রায় অর্ধশত ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহক ও তাদের পরিবার এই কর্মসূচি পালন করেন। মানববন্ধন শেষে তারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।
ভুক্তভোগীদের দাবি, উপজেলার শালীহর গ্রামে অবস্থিত ওই ইটভাটার তৎকালীন লিজগ্রহীতা ও বর্তমান মালিকপক্ষের মারপ্যাঁচে প্রায় ৬০ জন গ্রাহকের ৪২ লাখ টাকার ইট আটকে আছে।
মানববন্ধনে গ্রাহক মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ২০১৮ সালে তিনি ১১ লাখ টাকা দিয়ে ২ লাখ ইট ক্রয় করেছিলেন। যার মধ্যে মাত্র ৮১ হাজার ইট পেয়েছেন। অবশিষ্ট ইটের জন্য বছরের পর বছর ঘুরলেও কোনো সুরাহা হচ্ছে না। আরেক ভুক্তভোগী মধু সরকার অভিযোগ করেন, পাওনা ইট চাইতে গেলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করেছেন।
স্মারকলিপি ও মানববন্ধন সূত্রে জানা গেছে, ইটভাটার সাবেক লিজগ্রহীতা ফারুকুল ইসলাম দায়িত্ব ছাড়ার সময় পাওনাদারদের জন্য ৭ লাখ ইট রেখে গেলেও সেগুলো গ্রাহকদের দেওয়া হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন পৌর মেয়র ও স্থানীয় প্রভাবশালীরা সেই ইট তছরুপ করেছেন। বর্তমানে ভাটার মূল মালিক বোরহান উদ্দিন শোয়েব ও তার ভাই খায়ের উদ্দিন রতন ১০ জন অংশীদার নিয়ে ভাটাটি পুনরায় চালু করলেও পুরোনো গ্রাহকদের ইট দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন।
এ বিষয়ে সাবেক লিজগ্রহীতা ফারুকুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। বর্তমান মালিক খায়ের উদ্দিন রতন দাবি করেন, ২০১৮ সালের মালিকপক্ষ বর্তমানে নেই। তৎকালীন সময়ে এটি নিয়ে ইউএনও অফিসে বৈঠকও হয়েছে। এখন তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো অনৈতিক।
ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি আলী আকবর আনিছ জানান, সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি তিনি জেনেছেন। তবে গ্রাহকরা এখনো সমিতির কাছে লিখিত অভিযোগ করেননি। বর্তমান মালিকপক্ষ টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করছে।
মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী গ্রাহক হুমায়ুন কবীর, আব্দুস সাত্তার, আব্দুল গণি, আবুল কাসেম প্রমুখ। তারা তাদের রশিদমূলে ক্রয়কৃত পাওনা ইট দ্রুত ফেরত দেওয়ার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।