স্বপন রবি দাশ, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।।
হবিগঞ্জ-নবীগঞ্জ সড়কের বালিখাল ব্রিজের পাটাতন ভেঙে পড়ায় সড়কটিতে সাময়িকভাবে যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দা, পথচারী ও যাত্রীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতের কোনো এক সময়ে ব্রিজটির পাটাতন ধসে পড়ে।এতে সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। জরুরি প্রয়োজনে পারাপারের জন্য মানুষ বিকল্প ব্যবস্থা না পেয়ে নৌকাযোগে নদী পার হন। ফলে শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী মানুষ এবং রোগী পরিবহনে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজটির অবকাঠামোগত দুর্বলতা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলেও স্থায়ী কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর সড়ক বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষিত হয়। পরদিন শুক্রবার ভেঙে যাওয়া পাটাতন মেরামতের কাজ সম্পন্ন করা হয়। এর ফলে সড়কটিতে পুনরায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
তবে স্থানীয়দের দাবি, ব্রিজটির পুনঃপুন মেরামতের পরিবর্তে স্থায়ী ও টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ করা প্রয়োজন। অন্যথায় ভবিষ্যতে একই ধরনের সমস্যা পুনরায় দেখা দিতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিষয়টি পর্যালোচনায় রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।
স্বপন রবি দাশ, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।।
হবিগঞ্জ-নবীগঞ্জ সড়কের বালিখাল ব্রিজের পাটাতন ভেঙে পড়ায় সড়কটিতে সাময়িকভাবে যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দা, পথচারী ও যাত্রীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতের কোনো এক সময়ে ব্রিজটির পাটাতন ধসে পড়ে।এতে সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। জরুরি প্রয়োজনে পারাপারের জন্য মানুষ বিকল্প ব্যবস্থা না পেয়ে নৌকাযোগে নদী পার হন। ফলে শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী মানুষ এবং রোগী পরিবহনে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজটির অবকাঠামোগত দুর্বলতা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলেও স্থায়ী কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর সড়ক বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষিত হয়। পরদিন শুক্রবার ভেঙে যাওয়া পাটাতন মেরামতের কাজ সম্পন্ন করা হয়। এর ফলে সড়কটিতে পুনরায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
তবে স্থানীয়দের দাবি, ব্রিজটির পুনঃপুন মেরামতের পরিবর্তে স্থায়ী ও টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ করা প্রয়োজন। অন্যথায় ভবিষ্যতে একই ধরনের সমস্যা পুনরায় দেখা দিতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিষয়টি পর্যালোচনায় রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।