গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি ঃ
ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে বোনকে মারধর করে জখম করার অভিযোগ উঠেছে সৎভাইয়ের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার পৌর শহরের কালীপুর মধ্যমতরফ এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।
ভুক্তভোগী শরীফা আক্তার (২৮) বাদী হয়ে গৌরীপুর থানায় শফিকুল ইসলাম সোহাগসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অন্য অভিযুক্তরা হলেন—শফিকুল ইসলাম সোহাগের দুই ছেলে সাকিবুর রহমান (২০) ও সজিব (১৮), হাবিবুর রহমানের ছেলে মোজাহিদ (১৮), হাবিবুর রহমানের স্ত্রী রাহিমা খাতুন (৪০) এবং সোহাগের স্ত্রী জুলেখা (৪৩)।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পৈত্রিক ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে শরীফা আক্তারের সঙ্গে তার সৎভাই সোহাগের বিরোধ চলছিল। বৃহস্পতিবার বিকেলে শরীফা তার প্রাপ্য জমি বুঝিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করলে সোহাগ ক্ষিপ্ত হয়ে গালিগালাজ শুরু করেন। একপর্যায়ে তার প্ররোচনায় পরিবারের অন্য সদস্যরা শরীফার ওপর হামলা চালায়।
এসময় তাকে চুল ধরে টানা-হেঁচড়া করা হয় এবং কাঠের লাঠি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া সাকিবুর রহমান তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন বলেও দাবি করা হয়। মারধরের একপর্যায়ে শরীফা অজ্ঞান হয়ে পড়লে তার গলা থেকে প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা মূল্যের একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। হামলার সময় শরীফার মা জামেনা খাতুন মেয়েকে রক্ষা করতে গেলে তাকেও ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয় এবং মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
ভুক্তভোগী শরীফা আক্তার জানান, তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে এবং তিনি ও তার মা বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
তবে অভিযুক্ত শফিকুল ইসলাম সোহাগ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মারধরের ঘটনা মিথ্যা ও বানোয়াট। বাড়ির মহিলাদের মধ্যে সামান্য ঝগড়া হয়েছে।
এ বিষয়ে গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুল হাসান বলেন, ঘটনার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে বোনকে মারধর করে জখম করার অভিযোগ উঠেছে সৎভাইয়ের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার পৌর শহরের কালীপুর মধ্যমতরফ এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।
ভুক্তভোগী শরীফা আক্তার (২৮) বাদী হয়ে গৌরীপুর থানায় শফিকুল ইসলাম সোহাগসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অন্য অভিযুক্তরা হলেন—শফিকুল ইসলাম সোহাগের দুই ছেলে সাকিবুর রহমান (২০) ও সজিব (১৮), হাবিবুর রহমানের ছেলে মোজাহিদ (১৮), হাবিবুর রহমানের স্ত্রী রাহিমা খাতুন (৪০) এবং সোহাগের স্ত্রী জুলেখা (৪৩)।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পৈত্রিক ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে শরীফা আক্তারের সঙ্গে তার সৎভাই সোহাগের বিরোধ চলছিল। বৃহস্পতিবার বিকেলে শরীফা তার প্রাপ্য জমি বুঝিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করলে সোহাগ ক্ষিপ্ত হয়ে গালিগালাজ শুরু করেন। একপর্যায়ে তার প্ররোচনায় পরিবারের অন্য সদস্যরা শরীফার ওপর হামলা চালায়।
এসময় তাকে চুল ধরে টানা-হেঁচড়া করা হয় এবং কাঠের লাঠি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া সাকিবুর রহমান তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন বলেও দাবি করা হয়। মারধরের একপর্যায়ে শরীফা অজ্ঞান হয়ে পড়লে তার গলা থেকে প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা মূল্যের একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। হামলার সময় শরীফার মা জামেনা খাতুন মেয়েকে রক্ষা করতে গেলে তাকেও ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয় এবং মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
ভুক্তভোগী শরীফা আক্তার জানান, তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে এবং তিনি ও তার মা বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
তবে অভিযুক্ত শফিকুল ইসলাম সোহাগ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মারধরের ঘটনা মিথ্যা ও বানোয়াট। বাড়ির মহিলাদের মধ্যে সামান্য ঝগড়া হয়েছে।
এ বিষয়ে গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুল হাসান বলেন, ঘটনার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।