মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় ইরান যুদ্ধে চালকবিহীন ড্রোন স্পিডবোট মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এটি এই অস্ত্রের সক্রিয় যুদ্ধে প্রথম ব্যবহার।
পেন্টাগনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই ড্রোন স্পিডবোট একদিকে নজরদারি করতে সক্ষম, অন্যদিকে ‘কামিকাজি’ হামলাতেও ব্যবহার করা যায়, অর্থাৎ আঘাত করার পর লক্ষ্যবস্তুসহ নিজেকেও ধ্বংস করে।
মেরিল্যান্ডভিত্তিক কোম্পানি গ্লোবাল অটোনোমাস রিকনাইসেন্সেস ক্রাফট (GARC) তৈরি করেছে এই ড্রোন। এটি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর ৫ম ফ্লিট দ্বারা ব্যবহার হচ্ছে। এই ফ্লিটের সদর দপ্তর বাহরাইন-এ অবস্থিত এবং পারস্য উপসাগর, লোহিত সাগর, আরব সাগর ও ভারত মহাসাগরের কিছু অংশের দায়িত্বে রয়েছে।
যুদ্ধজাহাজে আঘাত করতে সক্ষম ড্রোন বা চালকবিহীন বিমান ব্যবহারের ইতিহাস এক যুগেরও বেশি, তবে ড্রোন স্পিডবোট এ ধরনের সামুদ্রিক অপারেশনে দেরিতে এসেছে। এর আগে ২০২৩ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে কৃষ্ণসাগরে প্রথমবার ব্যবহার হয়েছিল।
পেন্টাগনের মুখপাত্র টিম হকিন্স জানিয়েছেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের সমরাস্ত্র ভাণ্ডারে নতুন সম্ভাবনা এবং সক্ষমতার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।