নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশব্যাপী ৫৪টি খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধনের অংশ হিসেবে দিনাজপুর সফর করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ঢাকার বাইরে এই সফরটি ছিল একেবারেই সাদামাটা ও আনুষ্ঠানিকতাবিহীন।
সোমবার সকালে ঢাকা থেকে বিমানযোগে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে সড়কপথে সৈয়দপুর–দশমাইল–কাহারোল রুট ব্যবহার করে দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি। সৈয়দপুর থেকে কাহারোল উপজেলার দূরত্ব প্রায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার।
সরেজমিনে দেখা যায়, সৈয়দপুর থেকে দিনাজপুর পর্যন্ত দীর্ঘ সড়কজুড়ে কোথাও নেতাকর্মীদের স্বাগত তোরণ, ব্যানার বা ফেস্টুন চোখে পড়েনি। সড়কের পাশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত উপস্থিতিও ছিল না। পুরো সফরটি ছিল সাধারণ আয়োজনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।
কাহারোল উপজেলার সাহপাড়া এলাকায় পৌঁছে নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সাহপাড়া খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। স্থানীয় সূত্র জানায়, খালটি প্রায় ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ। পুনঃখনন সম্পন্ন হলে প্রায় ৩৩ হাজার কৃষক সেচ সুবিধা পাবেন এবং প্রায় ১ হাজার ২০০ হেক্টর জমি সেচের আওতায় আসবে। এর ফলে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষ উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। খালটির পানি ব্যবহারের মাধ্যমে বর্তমানে উৎপাদিত ফসলের তুলনায় প্রায় ৬০ হাজার মেট্রিক টন বেশি ফসল উৎপাদন সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
অনুষ্ঠানে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী মূল সড়ক থেকে কিছুটা পথ হেঁটে সানারপাড় এলাকার মঞ্চে পৌঁছান। এ সময় পথে উপস্থিত স্থানীয় মানুষ ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি। তার পোশাক-আশাক ও আচরণেও ছিল সরলতার ছাপ।
সানারপাড় এলাকার বাসিন্দা ৭৫ বছর বয়সী ইসমাইল হোসেন বলেন, তাদের এলাকায় এই প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রী এসেছেন এবং সেটিও হেলিকপ্টার ছাড়া। এর আগে দিনাজপুরে বড় নেতারা সাধারণত হেলিকপ্টারে করে আসতেন বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, আগে কোনো বড় নেতা এলে এলাকায় ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুনে ভরে যেত। এবার তেমন কোনো আয়োজন দেখা যায়নি। সাধারণ মানুষও তুলনামূলকভাবে সহজে অনুষ্ঠানস্থলের কাছাকাছি যেতে পেরেছেন বলে জানান তিনি।
একই এলাকার বাসিন্দা বেসরকারি চাকরিজীবী বেলাল হোসেন বলেন, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সহজভাবে মিশে জনসভা করে ফিরে যাওয়াকে তিনি ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।
সফর শেষে কর্মসূচি সম্পন্ন করে প্রধানমন্ত্রী ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।
সোমবার সকালে ঢাকা থেকে বিমানযোগে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে সড়কপথে সৈয়দপুর–দশমাইল–কাহারোল রুট ব্যবহার করে দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি। সৈয়দপুর থেকে কাহারোল উপজেলার দূরত্ব প্রায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার।
সরেজমিনে দেখা যায়, সৈয়দপুর থেকে দিনাজপুর পর্যন্ত দীর্ঘ সড়কজুড়ে কোথাও নেতাকর্মীদের স্বাগত তোরণ, ব্যানার বা ফেস্টুন চোখে পড়েনি। সড়কের পাশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত উপস্থিতিও ছিল না। পুরো সফরটি ছিল সাধারণ আয়োজনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।
কাহারোল উপজেলার সাহপাড়া এলাকায় পৌঁছে নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সাহপাড়া খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। স্থানীয় সূত্র জানায়, খালটি প্রায় ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ। পুনঃখনন সম্পন্ন হলে প্রায় ৩৩ হাজার কৃষক সেচ সুবিধা পাবেন এবং প্রায় ১ হাজার ২০০ হেক্টর জমি সেচের আওতায় আসবে। এর ফলে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষ উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। খালটির পানি ব্যবহারের মাধ্যমে বর্তমানে উৎপাদিত ফসলের তুলনায় প্রায় ৬০ হাজার মেট্রিক টন বেশি ফসল উৎপাদন সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
অনুষ্ঠানে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী মূল সড়ক থেকে কিছুটা পথ হেঁটে সানারপাড় এলাকার মঞ্চে পৌঁছান। এ সময় পথে উপস্থিত স্থানীয় মানুষ ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি। তার পোশাক-আশাক ও আচরণেও ছিল সরলতার ছাপ।
সানারপাড় এলাকার বাসিন্দা ৭৫ বছর বয়সী ইসমাইল হোসেন বলেন, তাদের এলাকায় এই প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রী এসেছেন এবং সেটিও হেলিকপ্টার ছাড়া। এর আগে দিনাজপুরে বড় নেতারা সাধারণত হেলিকপ্টারে করে আসতেন বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, আগে কোনো বড় নেতা এলে এলাকায় ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুনে ভরে যেত। এবার তেমন কোনো আয়োজন দেখা যায়নি। সাধারণ মানুষও তুলনামূলকভাবে সহজে অনুষ্ঠানস্থলের কাছাকাছি যেতে পেরেছেন বলে জানান তিনি।
একই এলাকার বাসিন্দা বেসরকারি চাকরিজীবী বেলাল হোসেন বলেন, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সহজভাবে মিশে জনসভা করে ফিরে যাওয়াকে তিনি ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।
সফর শেষে কর্মসূচি সম্পন্ন করে প্রধানমন্ত্রী ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।