যেভাবে পরিচালিত হয় বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ, যে কারণে এবার ব্যতিক্রম

আপলোড সময় : ১১-০৩-২০২৬ ০৪:৩০:১৬ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১১-০৩-২০২৬ ০৪:৩০:১৬ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন করেছে বিএনপি। সরকার গঠনের পর এখন বসবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ। আগামী ১২ মার্চ এই নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

গত ১২ই ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের পরদিনই অর্থাৎ ১৩ ফেব্রুয়ারি রাতে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নামে গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। আইন অনুযায়ী, গেজেট প্রকাশের ৩০দিনের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হতে হয় সংসদ অধিবেশন।

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদের মেয়াদ প্রথম অধিবেশন থেকে শুরু করে পরবর্তী পাঁচ বছর। সে হিসেবে আগামী ২০৩১ সালের মার্চ পর্যন্ত মেয়াদ থাকবে এই সংসদের।

গত ১৭ই ফেব্রুয়ারি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পর সরকার গঠন করেছে বিএনপি। সরকারি দলীয় নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আর বিরোধী দলীয় নেতা নির্বাচিত হয়েছে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রীতি অনুযায়ী ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি। ওই অধিবেশনেই আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদের স্পিকারও নির্বাচিত হবে। একই দিন ডেপুটি স্পিকারও নির্বাচিত হওয়ার কথা রয়েছে।

বাংলাদেশের বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ী, এক সংসদের পর পরবর্তী সংসদ শুরু না হওয়া পর্যন্ত স্পিকারের মেয়াদ থাকে। বিদায়ী সংসদের স্পিকারই নতুন সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন। নতুন সংসদে স্পিকার ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত করার পরই তার দায়িত্ব শেষ হবে।

২০২৪ সালের অগাস্টে ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতন হলে দ্বাদশ সংসদ ভেঙে দেন রাষ্ট্রপতি। সংসদের স্পিকার পদত্যাগ করেছেন অভ্যুত্থানের পরপরই। আর ডেপুটি স্পিকার যিনি ছিলেন তিনিও আছেন কারাগারে।

বাংলাদেশের বিদ্যমান সংবিধান ও জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী পূর্ববর্তী সংসদের স্পিকার কিংবা ডেপুটি স্পিকারের উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করার কথা।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]