নিজস্ব প্রতিবেদক
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে স্ত্রী ইসরাত জাহান ইমাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সাথে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ-৩ এর আদালতের বিচারক মো. নজরুল ইসলাম এরায় প্রদান করেন।
এই আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর হামিদুল ইসলাম দুলাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত হলেন, সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার মুগবেলাই গ্রামের নুর নবী আকন্দের মেয়ে ইসরাত জাহান ইমা।
মামলার অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১২ সালের সদর উপজেলার কালিয়া হরিপুর ইউনিয়নের কল্যাণী পূর্ব পাড়া গ্রামের এস.এম সায়েমের সঙ্গে বিয়ে হয় ইসরাত জাহান ইমার। বিয়ের আগ থেকেই সায়েম সিলেটে পূবালী ব্যাংকে সিকিউরিটি গার্ডের চাকরী করতেন। সায়েমের অনুপস্থিতে ইসরাত জাহান ইমা প্রতিবেশী শাহাদতসহ একাধিক পুরুষের সাথে মোবাইলে কথাবার্তা বলতো। বিষয়টি জানার পর সায়েমের সঙ্গে ইমার পারিবারিক বিরোধ দেখা দেয়। ২০২২ সালের ৮ জুলাই এস.এম সায়েম ঈদুল আযহা পালনের জন্য বাড়িতে আসেন।
বিকেলে সায়েম গোসল করে ঘরে ফিরলে স্ত্রী ইমা তাকে ঘুমের ওষুধ মিশ্রিত শরবত খেতে দেয়। এর পর সে ঘুমিয়ে পড়ে। রাতে সেভেন আপের মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে বাড়ির সবাইকে খাইয়ে দেয় ইমা। এর পর বাড়ির সবাই ঘুমিয়ে পড়ে। রাতের কোন এক সময় ইসরাত জাহান ইমা ও অজ্ঞাত নামা দুই-তিন ব্যক্তির সহযোগিতায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে এস.এম সায়েমকে হত্যা করে। এ-ঘটনায় নিহতের বাবা শেখ ফরিদ বাদী হয়ে পুত্রবধূ ইসরাত জাহান ইমার নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত নামা দুই-তিন জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আজ ইসরাত জাহান ইমাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
সোমবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ-৩ এর আদালতের বিচারক মো. নজরুল ইসলাম এরায় প্রদান করেন।
এই আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর হামিদুল ইসলাম দুলাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত হলেন, সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার মুগবেলাই গ্রামের নুর নবী আকন্দের মেয়ে ইসরাত জাহান ইমা।
মামলার অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১২ সালের সদর উপজেলার কালিয়া হরিপুর ইউনিয়নের কল্যাণী পূর্ব পাড়া গ্রামের এস.এম সায়েমের সঙ্গে বিয়ে হয় ইসরাত জাহান ইমার। বিয়ের আগ থেকেই সায়েম সিলেটে পূবালী ব্যাংকে সিকিউরিটি গার্ডের চাকরী করতেন। সায়েমের অনুপস্থিতে ইসরাত জাহান ইমা প্রতিবেশী শাহাদতসহ একাধিক পুরুষের সাথে মোবাইলে কথাবার্তা বলতো। বিষয়টি জানার পর সায়েমের সঙ্গে ইমার পারিবারিক বিরোধ দেখা দেয়। ২০২২ সালের ৮ জুলাই এস.এম সায়েম ঈদুল আযহা পালনের জন্য বাড়িতে আসেন।
বিকেলে সায়েম গোসল করে ঘরে ফিরলে স্ত্রী ইমা তাকে ঘুমের ওষুধ মিশ্রিত শরবত খেতে দেয়। এর পর সে ঘুমিয়ে পড়ে। রাতে সেভেন আপের মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে বাড়ির সবাইকে খাইয়ে দেয় ইমা। এর পর বাড়ির সবাই ঘুমিয়ে পড়ে। রাতের কোন এক সময় ইসরাত জাহান ইমা ও অজ্ঞাত নামা দুই-তিন ব্যক্তির সহযোগিতায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে এস.এম সায়েমকে হত্যা করে। এ-ঘটনায় নিহতের বাবা শেখ ফরিদ বাদী হয়ে পুত্রবধূ ইসরাত জাহান ইমার নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত নামা দুই-তিন জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আজ ইসরাত জাহান ইমাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।