ইন্দোনেশিয়ায় আবর্জনার স্তূপ ধসে ৪ জনের মৃত্যু

আপলোড সময় : ০৯-০৩-২০২৬ ১২:০৫:২৪ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৯-০৩-২০২৬ ১২:০৫:২৪ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক
ইন্দোনেশিয়ার বৃহত্তম আবর্জনার স্তূপ ধসে ট্রাক ও খাবারের দোকান চাপা পড়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ অন্তত আরও পাঁচজনকে উদ্ধারে তল্লাশি চালাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। উদ্ধার কর্তৃপক্ষ সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে ।

জাতীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী জাকার্তা থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরের বানতারগেবাং আবর্জনার স্তূপে রোববার স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে এ ধস হয়। জাকার্তা থেকে বার্তাসংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

সংস্থাটি এক বিবৃতিতে জানায়, উদ্ধারকারীরা ব্যাকহোরের মতো ভারী যন্ত্র ব্যবহার করে দুর্ঘটনাস্থলে প্রবেশের পথ খুলছেন। সম্ভাব্য ভুক্তভোগীদের সন্ধানে ট্র্যাকিং কুকুরও মোতায়েন করা হয়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, এলাকায় কয়েক ঘণ্টার ভারী বৃষ্টির পর আবর্জনার স্তূপের একটি অংশ ধসে পড়ে।

জাকার্তা ও এর আশপাশের শহরগুলোয় ‘জাবোদেতাবেক’ নামে পরিচিত—সেখানে প্রায় ৪ কোটি ২০ লাখ মানুষের বাস। প্রতিদিন এখান থেকে আনুমানিক ১৪ হাজার টন বর্জ্য উৎপন্ন হয়।

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ উন্মুক্ত আবর্জনার স্তূপ বানতারগেবাংয়ের আয়তন ১১০ হেক্টরের বেশি। স্থানীয় পরিবেশ সংস্থার একজন কর্মকর্তার মতে, এখানে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টন বর্জ্য জমা রয়েছে।

পরিবেশমন্ত্রী হানিফ ফাইসল নুরোফিক স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে দায়ী করেছেন। ২০০৮ সালে উন্মুক্ত আবর্জনার স্তূপ নিষিদ্ধ করা হলেও সেখানে বর্জ্য জমতে দেওয়ার অনুমতি দেওয়ার অভিযোগ তোলেন তিনি।

রোববার রাতে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সময় কম্পাস টিভিকে তিনি বলেন, ‘বানতারগেবাং জাকার্তা প্রশাসনের অধীন। তাই এর দায়িত্বও তাদেরই নিতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই ঘটনা আমাদের জন্য তিক্ত শিক্ষা হয়ে থাকা উচিত, যাতে জাকার্তা দ্রুত প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে পারে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাকার্তা পরিবেশ সংস্থা তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি বলে জানিয়েছে এএফপি।
গত মাসে প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো বলেন, ইন্দোনেশিয়ার বেশিরভাগ ল্যান্ডফিল ধাপে ধাপে বন্ধ করা হচ্ছে। তবে ২০২৮ সালের মধ্যে সেগুলোর বেশিরভাগই ধারণক্ষমতার সীমা ছাড়িয়ে যাবে।

তিনি জানান, দুই বছরের মধ্যে ৩৪টি বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণে ৩৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে সরকার। এসব কেন্দ্রে বর্জ্য পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে।

২০০৫ সালে পশ্চিম জাভায় একটি আবর্জনার স্তূপ ধসে ১৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ওই দুর্ঘটনা ঘটে মিথেন গ্যাস বিস্ফোরণ ও ভারী বৃষ্টির কারণে।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]