৭ বছরেও শেষ হয়নি ১৩৬ কোটি টাকার কুড়িগ্রামের সোনাহাট সেতুর কাজ

আপলোড সময় : ০৬-০৩-২০২৬ ১২:৫৩:২৮ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৬-০৩-২০২৬ ১২:৫৩:২৮ অপরাহ্ন
 
 
আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-
 
কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলার দুধকুমার নদীর ওপর নির্মাণাধীন সোনাহাট সেতুর কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন কুড়িগ্রাম-১ (ভূরুঙ্গামারী-নাগেশ্বরী) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে তিনি নির্মাণাধীন সেতু এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার তাগিদ দেন।
 
পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ শাহাদাৎ হোসেন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ মেহেদী হাসান সরকার, ভূরুঙ্গামারী উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ ইনছাফুল হক সরকারসহ প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা এবং সোনাহাট স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীরা।
 
সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালে পুরোনো সোনাহাট বেইলি (রেল) সেতুর কিছুটা ভাটিতে দুধকুমার নদীর ওপর ৬৪৫ দশমিক ১৫ মিটার দীর্ঘ নতুন সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়। এমএম বিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড এবং ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড যৌথভাবে প্রকল্পটির নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে।
 
১৩৬ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন এই সেতু ও সংযোগ সড়কের কাজ ২০২১ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে নানা জটিলতায় চার দফায় সময় ও ব্যয় বৃদ্ধি করা হলেও প্রায় সাত বছরেও কাজ সম্পন্ন করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
 
এদিকে নতুন সেতুর কাজ শেষ না হওয়ায় বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ পুরোনো বেইলি সেতু দিয়েই যানবাহন চলাচল করছে। ফলে দেশের ১৮তম সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি কচাকাটা থানাসহ উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের কয়েক লাখ মানুষকে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
 
সড়ক ও জনপথ বিভাগ জানিয়েছে, আগামী জুন মাসের মধ্যে সেতুর নির্মাণকাজ শেষ করে যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে কাজের ধীরগতির কারণে স্থানীয়দের মধ্যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেতু চালু হওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
 
এ বিষয়ে উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ মেহেদী হাসান সরকার বলেন, “সেতুর নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। ভূরুঙ্গামারী প্রান্তে সেতুর অ্যাপ্রোচ সড়কের কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। অপর প্রান্তে জমি অধিগ্রহণ নিয়ে সড়ক বিভাগ ও রেলওয়ের মধ্যে আলোচনা চলছে। আশা করছি আগামী জুনের মধ্যেই সেতুর কাজ শেষ করা সম্ভব হবে।”
 
স্থানীয়রা জানান, সেতুটি চালু হলে সোনাহাট স্থলবন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বৃদ্ধি পাবে এবং ভূরুঙ্গামারী-নাগেশ্বরীসহ আশপাশের এলাকার মানুষের যাতায়াত সহজ হবে।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]