নিজস্ব প্রতিবেদক
ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় গ্রাম্য আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির স্থানীয় দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে ৩টি বসতভিটা ভাঙচুরসহ উভয় পক্ষের অন্তত ২৩ জন আহত হয়েছে। বুধবার (০৪ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার দিকে শৈলকূপা উপজেলার হাকিমপুর গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটে।
পুলিশ জানিয়েছে, হাকিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বকুল বিশ্বাসের সমর্থকদের সঙ্গে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি তরুণ বিশ্বাসের সমর্থকদের এলাকায় প্রভাব বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে বুধবার সন্ধ্যায় দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়।
একপর্যায়ে রাত সাড়ে আটটার দিকে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে গ্রামজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অন্তত ২৩ জন আহত হন। খবর পেয়ে শৈলকূপা থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে শৈলকূপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে গ্রামটিতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
শৈলকূপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবির মোল্লা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে তরুণ বিশ্বাস ও বকুল বিশ্বাসের সমর্থকদের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়েছে। বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, হাকিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বকুল বিশ্বাসের সমর্থকদের সঙ্গে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি তরুণ বিশ্বাসের সমর্থকদের এলাকায় প্রভাব বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে বুধবার সন্ধ্যায় দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়।
একপর্যায়ে রাত সাড়ে আটটার দিকে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে গ্রামজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অন্তত ২৩ জন আহত হন। খবর পেয়ে শৈলকূপা থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে শৈলকূপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে গ্রামটিতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
শৈলকূপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবির মোল্লা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে তরুণ বিশ্বাস ও বকুল বিশ্বাসের সমর্থকদের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়েছে। বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।