বেকারত্ব জয় করে অর্ধকোটি টাকার খামারের মালিক আছোমং মারমা

আপলোড সময় : ০৪-০৩-২০২৬ ০৫:০১:২৪ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৪-০৩-২০২৬ ০৫:০১:২৪ অপরাহ্ন
রাজস্থলী (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি: 
মোঃ আইয়ুব চৌধুরী


এক সময় বেকার ছিলেন আছোমং মারমা। অষ্টম শ্রেণি পাসের পর দীর্ঘদিন কাজ না থাকায় পরিবারের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। তবে হাল না ছেড়ে প্রশিক্ষণ ও পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি আজ একজন সফল খামার উদ্যোক্তা। তিনি রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের কুদুমছড়া পাড়ার বাসিন্দা।

২০১৩ সালে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন আছোমং। এরপর ছোট পরিসরে শুকর ও ছাগল পালন শুরু করেন। ধীরে ধীরে অভিজ্ঞতা ও সঞ্চয় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খামার সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেন।
২০২০ সালে কর্মসংস্থান ব্যাংক থেকে ৫ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে ১৩টি গরু দিয়ে গবাদিপশুর খামার শুরু করেন। ধারাবাহিক প্রচেষ্টা ও সঠিক ব্যবস্থাপনার ফলে বর্তমানে তার খামারের সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৫০ লাখ টাকায় পৌঁছেছে।
বর্তমানে খামারে গরু, ছাগল ও শুকর পালন করা হয়।

বছরে প্রায় ৪০ লাখ টাকারও বেশি পশু বিক্রি করেন তিনি। খামারে বর্তমানে ৫ জন শ্রমিক নিয়মিত কাজ করছেন, যা স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থানে অবদান রাখছে।

আছোমং মারমা জানান, তিনি ধাপে ধাপে খামারটি আধুনিকায়ন করতে চান। সরকারের আর্থিক সহায়তা ও কারিগরি সহযোগিতা পেলে খামার আরও সম্প্রসারণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি মনে করেন।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডা. মো. নোমান বলেন, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে খামারটি পরিচালিত হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।

উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা প্রিয়রতন চাকমা জানান, এটি রাজস্থলীর একটি উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ। আছোমং মারমা বেকার যুবকদের জন্য একটি ইতিবাচক উদাহরণ।

সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে এ ধরনের উদ্যোগ আরও বিস্তৃত হতে পারে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]