নিজস্ব প্রতিবেদক
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় মাদক কারবারি জাহাঙ্গীর আলমকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে ইউএনও আশরাফুল কবীর, বোনারপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (আইসি) আব্দুল কাইয়ুম ও সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে নিজ বাড়ি থেকে মাদক সেবনরত অবস্থায় গ্রেপ্তার করে।
মাদক বিক্রয় ও সেবনের প্রমাণ পাওয়া গেলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৯(১)(গ) ধারায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। জাহাঙ্গীর আলম উপজেলার বোনারপাড়া এলাকার শিমুল তাইড় (কুলিপট্টি) গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তার বিরুদ্ধে পূর্বে মাদক সংক্রান্ত ৮ থেকে ১০টি মামলা রয়েছে।
বোনারপাড়ার বাসিন্দা রাশেদুন নবী, সুজন মিয়া, আব্দুর রহমান সহ অনেকেই জানান, এই এলাকাটি দীর্ঘদিন থেকে মাদকের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। নানাভাবে চেষ্টা করেও তাদের দমন করা সম্ভব হয়নি। এলাকার বাসিন্দারা বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের আইন-শৃঙ্খলা সভায় একাধিকবার উপস্থাপন করায় নজরে আনেন প্রশাসন।
এ বিষয়ে কথা হলে সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আশরাফুল কবীর বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে গাঁজা বিক্রির সঙ্গে জড়িত বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ ছিল। অভিযানের সময় তাকে মাদক সেবনরত অবস্থায় আটক করা হয়। পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে দণ্ড দেওয়া হয়েছে। মাদক সেবন ও বিক্রয়ের যে কোন অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মাদক বিক্রয় ও সেবনের প্রমাণ পাওয়া গেলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৯(১)(গ) ধারায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। জাহাঙ্গীর আলম উপজেলার বোনারপাড়া এলাকার শিমুল তাইড় (কুলিপট্টি) গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তার বিরুদ্ধে পূর্বে মাদক সংক্রান্ত ৮ থেকে ১০টি মামলা রয়েছে।
বোনারপাড়ার বাসিন্দা রাশেদুন নবী, সুজন মিয়া, আব্দুর রহমান সহ অনেকেই জানান, এই এলাকাটি দীর্ঘদিন থেকে মাদকের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। নানাভাবে চেষ্টা করেও তাদের দমন করা সম্ভব হয়নি। এলাকার বাসিন্দারা বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের আইন-শৃঙ্খলা সভায় একাধিকবার উপস্থাপন করায় নজরে আনেন প্রশাসন।
এ বিষয়ে কথা হলে সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আশরাফুল কবীর বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে গাঁজা বিক্রির সঙ্গে জড়িত বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ ছিল। অভিযানের সময় তাকে মাদক সেবনরত অবস্থায় আটক করা হয়। পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে দণ্ড দেওয়া হয়েছে। মাদক সেবন ও বিক্রয়ের যে কোন অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।