মোঃ আফজাল হোসেন, দিনাজপুর প্রতিনিধি
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র শিশু সিরাজুম আল শামস (০৮) হত্যাকান্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনার মাত্র ১৫ ঘণ্টার মধ্যেই জড়িত মূল সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে জেলা পুলিশ ও ডিবি। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি নবাবগঞ্জ থানাধীন আমরুলবাড়ী (ডাঙ্গাপাড়া) এলাকায় এই মর্মান্তিক হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে।
নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর রাতে তাকে একটি ভুট্টা ক্ষেত থেকে উদ্ধার করা হলেও হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন বিকেলে শিশু সিরাজুম আল শামস নিখোঁজ হয়।
পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজির পর রাত ৯টার দিকে স্থানীয়দের সহায়তায় একটি ভুট্টা ক্ষেতে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। দ্রুত তাকে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনার পর এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে।
দিনাজপুর জেলার পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসা (পিপিএম)-এর প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার হোসেন এবং বিরামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে একটি চৌকস দল অভিযানে নামে। জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও নবাবগঞ্জ থানা পুলিশের সমন্বয়ে পরিচালিত এই অভিযানে প্রযুক্তিগত সহায়তায় ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে মো. আমানুর ইসলাম আমানকে (২১) গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আমানুর আমরুলবাড়ী এলাকারই বাসিন্দা
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আমানুর ইসলাম শিশুটিকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। সে জানায়, পূর্বের পারিবারিক বিরোধ ও ক্ষোভের জেরে সে কৌশলে শিশু শামসকে নির্জন স্থানে ডেকে নিয়ে যায় এবং শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে মরদেহ লুকানোর উদ্দেশ্যে পার্শ্ববর্তী ভুট্টা ক্ষেতে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত একটি ধারালো ছুরি এবং ভিকটিমের ব্যবহৃত স্যান্ডেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। বর্তমানে এ ঘটনায় নবাবগঞ্জ থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত শেষ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র শিশু সিরাজুম আল শামস (০৮) হত্যাকান্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনার মাত্র ১৫ ঘণ্টার মধ্যেই জড়িত মূল সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে জেলা পুলিশ ও ডিবি। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি নবাবগঞ্জ থানাধীন আমরুলবাড়ী (ডাঙ্গাপাড়া) এলাকায় এই মর্মান্তিক হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে।
নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর রাতে তাকে একটি ভুট্টা ক্ষেত থেকে উদ্ধার করা হলেও হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন বিকেলে শিশু সিরাজুম আল শামস নিখোঁজ হয়।
পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজির পর রাত ৯টার দিকে স্থানীয়দের সহায়তায় একটি ভুট্টা ক্ষেতে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। দ্রুত তাকে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনার পর এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে।
দিনাজপুর জেলার পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসা (পিপিএম)-এর প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার হোসেন এবং বিরামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে একটি চৌকস দল অভিযানে নামে। জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও নবাবগঞ্জ থানা পুলিশের সমন্বয়ে পরিচালিত এই অভিযানে প্রযুক্তিগত সহায়তায় ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে মো. আমানুর ইসলাম আমানকে (২১) গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আমানুর আমরুলবাড়ী এলাকারই বাসিন্দা
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আমানুর ইসলাম শিশুটিকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। সে জানায়, পূর্বের পারিবারিক বিরোধ ও ক্ষোভের জেরে সে কৌশলে শিশু শামসকে নির্জন স্থানে ডেকে নিয়ে যায় এবং শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে মরদেহ লুকানোর উদ্দেশ্যে পার্শ্ববর্তী ভুট্টা ক্ষেতে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত একটি ধারালো ছুরি এবং ভিকটিমের ব্যবহৃত স্যান্ডেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। বর্তমানে এ ঘটনায় নবাবগঞ্জ থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত শেষ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।