নিজস্ব প্রতিবেদন
নারীঘটিত বিষয় নিয়ে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ছাত্রদলের এক কর্মী আহত হলে তাকে পাবনা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে এ ঘটনা ঘটে।
আহত ওই শিক্ষার্থীর নাম অমিত কবিরাজ। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল সভাপতি মুজাহিদ হোসেনের অনুসারী।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সোমবার সকালে নারীঘটিত বিষয় নিয়ে প্রথমে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে অমিত কবিরাজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি মুজাহিদ হোসেনের অনুসারী ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের গবেষণা সম্পাদক মেহেদী হাসানের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এ বিষয়কে কেন্দ্র করে ছাত্রদল সভাপতির দুই পক্ষ দুইদিকে বিভক্ত হয়ে ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকের সামনে দুপুর ১টার দিকে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
এ সময় অমিত কবিরাজের পক্ষ নেয় ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক রুমেল হোসেন, ফয়সাল, রাসেল এবং মেহেদীর পক্ষ নেয় ইমরান, মেহেদীসহ আরও কয়েকজন। এ সময় মেহেদী হাসানের পক্ষের কর্মীদের আঘাতে অমিত কবিরাজের বাঁ হাতের আঙুল ভেঙে যায়।
পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদুল হক ও প্রক্টর কামরুজ্জামান খান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। তারপর আহত শিক্ষার্থীকে পাবনা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আহত ছাত্রদল কর্মী অমিত কবিরাজ জানান, রাজনৈতিক ক্ষমতার বলে মেহেদী আমাকে আঘাত করেছে। সে আমার ওপর নারীঘটিত মিথ্যা দোষারোপ করেছে।
অভিযুক্ত মেহেদীর সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি মুজাহিদ হোসেনেরও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
পাবনা সদর হাসপাতালের ডাক্তার মো. পলাশ বলেন, অমিতের বাম হাতের আঙুলে ফ্যাকচার দেখা গেছে।