নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য এবং ঢাকা মহানগর উত্তরের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার বলেন, “নির্বাচনের আগের রাতে প্রশাসনের একটা অংশের সহযোগিতায় কসবা- আখাউড়ায় ২৫ হাজার ভোট কেটে ফেলা হয়েছে” এবং মোট ২২টি কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটেছে। শিগগিরই এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য-উপাত্ত জনসম্মুখে তুলে ধরা হবে বলেও জানান তিনি।
আজ রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা নতুন বাজার আলতাফ প্লাজা মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত রমজান শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
কসবা উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ ফরিদ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি গোলাম সারওয়ারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা মোবারক হোসাইন আকন্দ। বিশেষ অতিথি হিসেবে আর উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সাবেক নায়েবে আমীর ও কসবা উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কাজী ইয়াকুব আলী,জেলা যুব ও আইন বিষয়ক সম্পাদক কাজী সিরাজুল ইসলাম, কসবা উপজেলা নায়েবে আমীর মাওলানা শিবলী নোমানী, উপজেলা সহকারী সেক্রেটারি এসএম আজাদ মানিক এবং কসবা প্রেসক্লাব সভাপতি আবুল খায়ের স্বপনসহ এনসিপিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
আতাউর রহমান সরকার বলেন, “কিছুদিন আগে নির্বাচন হয়েছে। আপনারা দু’হাত ভরে আমাকে নির্বাচিত করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন, ভোট দিয়েছেন, সহযোগিতা করেছেন। কিন্তু ক্ষমতা দেওয়ার মালিক আল্লাহ তায়ালা। আমরা আল্লাহ তায়ালার সিদ্ধান্তের ওপর সন্তুষ্ট।”
তিনি নির্বাচনকে “কারচুপির, ম্যানেজের এবং ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের নির্বাচন” আখ্যা দিয়ে অভিযোগ করেন, পরিকল্পিতভাবে ভোট কেটে ফেলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “আপনারা সৎ নেতৃত্ব ও পরিবর্তনের প্রত্যাশায় এগিয়ে এসেছেন। নিরাপদ ও উন্নত কসবা-আখাউড়া গড়ার যে আকাঙ্ক্ষা আপনারা দেখিয়েছেন, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। ভবিষ্যতেও আপনাদের পাশে থেকে কাজ করে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।”
আলোচনা সভায় পবিত্র রমজান মাসের তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া ও নৈতিক সমাজ গঠনের আহ্বান জানান। অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া এবং ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য এবং ঢাকা মহানগর উত্তরের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার বলেন, “নির্বাচনের আগের রাতে প্রশাসনের একটা অংশের সহযোগিতায় কসবা- আখাউড়ায় ২৫ হাজার ভোট কেটে ফেলা হয়েছে” এবং মোট ২২টি কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটেছে। শিগগিরই এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য-উপাত্ত জনসম্মুখে তুলে ধরা হবে বলেও জানান তিনি।
আজ রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা নতুন বাজার আলতাফ প্লাজা মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত রমজান শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
কসবা উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ ফরিদ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি গোলাম সারওয়ারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা মোবারক হোসাইন আকন্দ। বিশেষ অতিথি হিসেবে আর উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সাবেক নায়েবে আমীর ও কসবা উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কাজী ইয়াকুব আলী,জেলা যুব ও আইন বিষয়ক সম্পাদক কাজী সিরাজুল ইসলাম, কসবা উপজেলা নায়েবে আমীর মাওলানা শিবলী নোমানী, উপজেলা সহকারী সেক্রেটারি এসএম আজাদ মানিক এবং কসবা প্রেসক্লাব সভাপতি আবুল খায়ের স্বপনসহ এনসিপিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
আতাউর রহমান সরকার বলেন, “কিছুদিন আগে নির্বাচন হয়েছে। আপনারা দু’হাত ভরে আমাকে নির্বাচিত করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন, ভোট দিয়েছেন, সহযোগিতা করেছেন। কিন্তু ক্ষমতা দেওয়ার মালিক আল্লাহ তায়ালা। আমরা আল্লাহ তায়ালার সিদ্ধান্তের ওপর সন্তুষ্ট।”
তিনি নির্বাচনকে “কারচুপির, ম্যানেজের এবং ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের নির্বাচন” আখ্যা দিয়ে অভিযোগ করেন, পরিকল্পিতভাবে ভোট কেটে ফেলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “আপনারা সৎ নেতৃত্ব ও পরিবর্তনের প্রত্যাশায় এগিয়ে এসেছেন। নিরাপদ ও উন্নত কসবা-আখাউড়া গড়ার যে আকাঙ্ক্ষা আপনারা দেখিয়েছেন, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। ভবিষ্যতেও আপনাদের পাশে থেকে কাজ করে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।”
আলোচনা সভায় পবিত্র রমজান মাসের তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া ও নৈতিক সমাজ গঠনের আহ্বান জানান। অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া এবং ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।