নিজস্ব প্রতিবেদক
সন্দ্বীপে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের জেরে ‘আমার দেশ’ পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি শামসুল আজম মুন্নাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হুমকি ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। ২১ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) আমার দেশ অনলাইনে ‘ছাত্রশিবির নেতাকে পিটিয়ে জখম’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই dস্থানীয় একটি রাজনৈতিক দলের একদল উগ্র কর্মী-সমর্থক এই কর্মকাণ্ড শুরু করেছেন।
প্রকাশিত সংবাদে কোনো সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নাম উল্লেখ না থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের কর্মী পরিচয়দানকারী বেশ কয়েক ব্যক্তি সামাজিক মাধ্যমে একে নিজ দলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বলে দাবি করছেন। ফেসবুকে বিভিন্ন পোস্ট ও মন্তব্যের মাধ্যমে তারা আমার দেশ সন্দ্বীপ উপজেলা প্রতিনিধির বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা ও হুমকি দিচ্ছেন। এমনকি রহিম নামে বিএনপি পরিচয়দানকারী স্থানীয় এক ব্যক্তি ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে আমার দেশ সন্দ্বীপ উপজেলা প্রতিনিধির বিরুদ্ধে মামলার দাবি তুলেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সন্দ্বীপ উপজেলা যুবদলের এক নেতা জানান, বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জার গ্রুপে আমার দেশ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের নীল নকশা তৈরি হচ্ছে এবং সুযোগ বুঝে বিপদে ফেলার আলোচনা চলছে। এ ঘটনার মূল হোতা হিসেবে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদল নেতা পরিচয়দানকারী এমএইচসি আরিয়ান ও হারামিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহসভাপতি পরিচয়দানকারী বাপ্পি ইসলামের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে।
এছাড়া সাইবার বুলিংয়ে সক্রিয় সাদ্দাম হোসেন, ফাহিমুল ইসলাম ফরহাদ, রুহুল আমিন রুবেল, সাখাওয়াত হোসাইন ও গোলাম মাওলা রনির নাম উঠে এসেছে। এমনকি সন্দ্বীপে আমার দেশ পত্রিকা বন্ধ করে দেওয়ারও হুমকি দেওয়া হয়েছে।
বিষয়টি সন্দ্বীপের সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশার নজরে আনা হলে তিনি কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন। তিনি হুমকিদাতাদের একটি তালিকা প্রদানের অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘আপনারা নির্ভয়ে সাংবাদিকতা করুন। আমি ভুল করলে আমারও সমালোচনা করতে দ্বিধা করবেন না।’
অন্যদিকে, আহত শিবির কর্মী জিহাদকে দেখতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন ঠাকুর। শীর্ষ নেতাদের এমন ইতিবাচক অবস্থানের বিপরীতে তৃণমূলের কিছু নেতাকর্মীর উগ্র আচরণে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা অবিলম্বে হুমকিদাতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে সন্দ্বীপ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জায়েদ নূর বলেন, সাংবাদিককে হুমকি বা হেনস্তা করার বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সাথে দেখছি। ডিজিটাল মাধ্যমে বা অন্য কোনোভাবে যদি কাউকে হুমকি দেওয়া হয়, তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
প্রকাশিত সংবাদে কোনো সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নাম উল্লেখ না থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের কর্মী পরিচয়দানকারী বেশ কয়েক ব্যক্তি সামাজিক মাধ্যমে একে নিজ দলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বলে দাবি করছেন। ফেসবুকে বিভিন্ন পোস্ট ও মন্তব্যের মাধ্যমে তারা আমার দেশ সন্দ্বীপ উপজেলা প্রতিনিধির বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা ও হুমকি দিচ্ছেন। এমনকি রহিম নামে বিএনপি পরিচয়দানকারী স্থানীয় এক ব্যক্তি ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে আমার দেশ সন্দ্বীপ উপজেলা প্রতিনিধির বিরুদ্ধে মামলার দাবি তুলেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সন্দ্বীপ উপজেলা যুবদলের এক নেতা জানান, বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জার গ্রুপে আমার দেশ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের নীল নকশা তৈরি হচ্ছে এবং সুযোগ বুঝে বিপদে ফেলার আলোচনা চলছে। এ ঘটনার মূল হোতা হিসেবে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদল নেতা পরিচয়দানকারী এমএইচসি আরিয়ান ও হারামিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহসভাপতি পরিচয়দানকারী বাপ্পি ইসলামের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে।
এছাড়া সাইবার বুলিংয়ে সক্রিয় সাদ্দাম হোসেন, ফাহিমুল ইসলাম ফরহাদ, রুহুল আমিন রুবেল, সাখাওয়াত হোসাইন ও গোলাম মাওলা রনির নাম উঠে এসেছে। এমনকি সন্দ্বীপে আমার দেশ পত্রিকা বন্ধ করে দেওয়ারও হুমকি দেওয়া হয়েছে।
বিষয়টি সন্দ্বীপের সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশার নজরে আনা হলে তিনি কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন। তিনি হুমকিদাতাদের একটি তালিকা প্রদানের অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘আপনারা নির্ভয়ে সাংবাদিকতা করুন। আমি ভুল করলে আমারও সমালোচনা করতে দ্বিধা করবেন না।’
অন্যদিকে, আহত শিবির কর্মী জিহাদকে দেখতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন ঠাকুর। শীর্ষ নেতাদের এমন ইতিবাচক অবস্থানের বিপরীতে তৃণমূলের কিছু নেতাকর্মীর উগ্র আচরণে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা অবিলম্বে হুমকিদাতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে সন্দ্বীপ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জায়েদ নূর বলেন, সাংবাদিককে হুমকি বা হেনস্তা করার বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সাথে দেখছি। ডিজিটাল মাধ্যমে বা অন্য কোনোভাবে যদি কাউকে হুমকি দেওয়া হয়, তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করব।