রাজশাহীতে কাঁচাবাজারে নিম্ন আয়ের ক্রেতাদের নাভিশ্বাস

আপলোড সময় : ১৯-০২-২০২৬ ০৯:৫৪:২১ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৯-০২-২০২৬ ০৯:৫৪:২১ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক
রমজানের প্রথমদিনেই রাজশাহীর কাঁচা বাজারে দ্রব্যমূল্যের দাম নাগালের বাইরে। চরম উর্ধ্বগতিতে নিম্ন আয়ের ক্রেতাদের নাভিশ্বাস জানান দেয় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেই। কোনো কোনো পণ্যে দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ২০০ টাকা পর্যন্ত।


 
সরেজমিনে রাজশাহীর বৃহৎ কাঁচা বাজার মনি চত্বরে গিয়ে দেখা যায়, হতাশার ছাপ বয়ে বেড়াচ্ছেন নিম্ন আয়ের ক্রেতারা। কেউ ব্যাগ হাতে দাঁড়িয়ে আছেন, কারো ব্যাগে একতৃতীয়াংশ ভর্তি আবার কারো একটু বেশি। যতটুকু না নিলেই নয় ততটুকু নিয়েই ক্ষান্ত থাকছেন ক্রেতারা। বলছেন গত রমযানে দ্রব্যমূল্যের দাম কম থাকলেও এবার তা তুলনামূলকভাবে বেড়েছে।

 
খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, গতদিনে যে সাগর কলা বিক্রি হচ্ছিল ২৫-৩০ টাকা তা আজ ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, সবরি কলার দাম বেড়েছে ২০ টাকা, বেগুন-করলায় কেজি প্রতি বেড়েছে ৩০ টাকা, শসা ৫০ থেকে বেড়ে ৮০, ফুলকপি-বাঁধাকপিতে ১০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।


অন্যদিকে আদার দাম বেড়েছে ৪০ টাকা, পেঁয়াজের কেজিতে বেড়েছে ১৫ টাকা। অন্যদিকে লেবুর দাম বেছে প্রতি হালিতে ৪০-৫০ টাকা পর্যন্ত। ছোলা-বুট এবং খেসারি ডাল বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১০০ টাকায়।


মাংসের বাজারেও নেই স্বস্তি। ব্রয়লারের দাম ছিল কেজি প্রতি ১৫০ যা ৪০ টাকা বেড়ে বর্তমানে ১৯০, সোনালী ৩০ টাকা বেড়ে ২৯০, দেশি মুরগির দাম ১০০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ টাকায়, গরুর মাংস ৭৮০ এবং খাসির মাংস ১২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।


বেড়েছে খেজুরের দামও। আগে মরিয়ম ১ হাজার টাকায় বিক্রি হলেও আজ তা ২০০ বেড়ে ১২০০ টাকা, মিরজুলে ২০০ বেড়ে ১৪০০ টাকা, দাবাসে ১২০ টাকা বেড়ে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 
জীর্ণ পোশাকে খালি ব্যাগ হাতে দাঁড়িয়ে ছিলেন এক ক্রেতা। তার কাছে বাজারের অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার বলার মতো কোনো ভাষা নেই। আমাদের মতো গরিব মানুষদের যে অবস্থা। আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি। জিনিস পত্রের দাম বেড়েছে। এই অবস্থায় কিভাবে যে চলছি আমি নিজেই জানি না।

 

আরেক নারী ক্রেতা বলেন, বাজারের দাম গতকাল থেকে বেশি দেখছি। শশা-লেবুর দাম চড়া। প্রায় সব কিছুর দাম বেড়েছে। তাহলে এ অবস্থায় গরিব-সাধারণ মানুষরা খাবে কি?

 

সেলিম নামক আরেক ক্রেতা বলেন, রোজার শুরুতে সব কিছুর দাম একটু বেশি বেশি নিচ্ছে। সাধারণ মানুষের জন্য এটা কষ্টকর। তবে ধীরে ধীরে দাম করে যাবে বলে আশা রাখছি।

 

আনোয়ার নামক এক পাইকারি বিক্রেতা বলেন, বেশি দামে কিনতে হচ্ছে তাই বেশি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে। আমরা তো আর বেশি লাভ করছি না।






 

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]