নিজস্ব প্রতিবেদক
মতলবে ইউপি চেয়ারম্যানকে কাফন পাঠিয়ে প্রাণনাশের হুমকি চাঁদপুরের মতলব উত্তরের এখলাছপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মফিজুল ইসলাম মুন্না ঢালীর বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে দৃবৃর্ত্তরা। একই সময় ঘটনাস্থল থেকে দুটি চকলেট বোমা ও পলিথিনে মোড়ানো কাফনের কাপড়সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে পুলিশ।
দুর্বৃত্তরা এসবের সঙ্গে একটি চিরকুটে মৃত্যু পরোয়ানা বা প্রাণনাশের হুমকিও দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম মুন্না ঢালী জানান, সোমবার রাত সাড়ে ১১টার পর হঠাৎ বিকট শব্দ শুনতে পান। পরে তিনি প্রতিবেশী ও পুলিশকে খবর দেন।
দুর্বৃত্তরা এসবের সঙ্গে একটি চিরকুটে মৃত্যু পরোয়ানা বা প্রাণনাশের হুমকিও দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম মুন্না ঢালী জানান, সোমবার রাত সাড়ে ১১টার পর হঠাৎ বিকট শব্দ শুনতে পান। পরে তিনি প্রতিবেশী ও পুলিশকে খবর দেন।
পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দুটি চকলেট বোমা ও দাফনের কাপড় উদ্ধার করে। তবে কারা বা কী উদ্দেশ্যে এ ঘটনা ঘটিয়েছে সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি। তিনি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া চিরকুটে চেয়ারম্যানকে উদ্দেশ্য করে নানা হুমকিমূলক কথা লেখা ছিল। সেখানে তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে বলা হয়, তার জন্য “একজন সৈনিকই যথেষ্ট” এবং ভবিষ্যতে আরও কঠিন পরিণতির হুমকিও দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে মতলব উত্তর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মনিরুজ্জামান মনির জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বোমাসদৃশ বস্তু ও দাফনের কাপড়সহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। রাতের ঘটনায় অনেকে ঘর থেকে বের হয়ে আসেন এবং পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। সেখান থেকে বোমাসদৃশ দুটি বস্তু ও কিছু আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চলছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ নজরদারি রাখা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পেছনের কারণ উদঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।