আব্দুল্লাহ আল মামুন, যশোরঃ-
যশোর-৫ (মণিরামপুর) সংসদীয় আসনে ভোট চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই দফায় মারধরের ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (সময়) মণিরামপুর উপজেলার মশ্বিমনগর ইউনিয়নের পারখাজুরা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পারখাজুরা গ্রামের বিলায়েত মোল্ল্যার ছেলে মোঃ লুৎফার রহমান (৫০) বেলা ১১টার দিকে বাজারে অবস্থান করছিলেন। এ সময় একই এলাকার মোঃ আবুসাইদ মেম্বার (৪৮), তার ছেলে মোঃ সাকিব হোসেনসহ কয়েকজন ব্যক্তি ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইতে গেলে লুৎফার রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেবেন জানালে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়।
খবর পেয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যুব বিভাগের মণিরামপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলী রেজা রাজু, রফিকুল ইসলাম ও আবু তালহা আবিরসহ কয়েকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছান। অভিযোগকারী জানান, পরবর্তীতে আপোষের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হলে দ্বিতীয় দফায় আবুসাইদ মেম্বার, তার ছেলে সাকিব হোসেন, মোঃ তরিকুল ইসলা
ম (২৭), মোঃ রিয়াদ হোসেন (২২), মোঃ জোহর সানা (৪৫), মোঃ মনিরুল সানা, জাকিরুল ইসলাম (৩৫)সহ অজ্ঞাতনামা ৩০-৪০ জন দেশীয় অস্ত্র, লোহার রড, জিআই পাইপ ও বাঁশ দিয়ে তাদের উপর হামলা চালায়।
ম (২৭), মোঃ রিয়াদ হোসেন (২২), মোঃ জোহর সানা (৪৫), মোঃ মনিরুল সানা, জাকিরুল ইসলাম (৩৫)সহ অজ্ঞাতনামা ৩০-৪০ জন দেশীয় অস্ত্র, লোহার রড, জিআই পাইপ ও বাঁশ দিয়ে তাদের উপর হামলা চালায়।
হামলায় লুৎফার রহমান ও যুব বিভাগের কয়েকজন নেতা-কর্মী আহত হন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তরা ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থক বলে দাবি করা হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও বিজিবির সদস্যদের বহরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন উপজেলা রিটার্নিং অফিসার মোঃ সম্রাট হোসেন। তিনি জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে।
এ ঘটনায় দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীর প্রতিনিধি আবু সালেহ মোঃ উবাইদুল্লাহ তীব্র নিন্দা জানান। তবে ধানের শীষের প্রার্থী ও তার প্রতিনিধির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনে সাড়া পাওয়া যায়নি।
মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে একাধিক ঘটনার কারণে মণিরামপুরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।