​খান্দুরার পীরকে নিয়ে কওমী বক্তা আশরাফীর বিস্ফোরক মন্তব্য

আপলোড সময় : ০৬-০২-২০২৬ ১২:০১:০৮ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৬-০২-২০২৬ ১২:০১:০৮ অপরাহ্ন

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :

সম্প্রতি হবিগঞ্জ–৪ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় নামেন খান্দুরার পীর জুবায়ের কামাল। আলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের একজন নেতা হওয়া সত্ত্বেও তার এই অবস্থান সন্নি জোট সমর্থিত মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর সমর্থকদের মধ্যে নীরব ক্ষোভ ও আবেগের জন্ম দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে চলছে নানা আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন কওমিপন্থী ইসলামী বক্তা ও স্থানীয় একাধিক মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা শোয়াইব আহমেদ আশরাফী। তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাসে দ্বিচারিতা ও ভণ্ডামির বিরুদ্ধে কঠোর ভাষায় প্রতিবাদ জানান।

স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন—
“চুপ করে থাকতে পারলাম না। কারণ এই ভণ্ডামির কথা আমি অনেক আগেই বলেছিলাম—সেদিন ভণ্ড পীরের অনুসারীরা আমাকে গালমন্দ করেছে, ফিতনাবাজ বলেছে, বেয়াদব আখ্যা দিয়েছে। আর আজ? দেখছি সেই একই লোকেরাই ছবি ও ভিডিওসহ সেই ভণ্ড পীরকে ‘বিড়িখোর’ বানিয়ে জাতির সামনে তুলে ধরছে।”
তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন,

“যে ব্যক্তি প্রকাশ্যে মুরিদানের সামনে বিড়ি সেবন করে, সে কীভাবে বছরের পর বছর ‘আল্লাহর অলি’ হয়ে থাকে? তখন কারো বিবেক জাগে না, কিন্তু স্বার্থে আঘাত লাগতেই সব নীতি-আদব উধাও হয়ে যায়?”
শোয়াইব আহমেদ আশরাফী তার লেখায় স্পষ্ট করেন, এটি ব্যক্তি আক্রমণ নয় বরং দ্বীনের নামে ভণ্ডামি ও দ্বিচারিতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। তিনি বলেন, “সমস্যা বিড়িতে নয়, সমস্যা দ্বিচারিতায়। স্বার্থ থাকলে অলি, স্বার্থ না থাকলে বিড়িখোর—এই নীতিই সবচেয়ে বিপজ্জনক।”

যদিও তিনি সরাসরি কারো নাম উল্লেখ করেননি, তবে বক্তব্যের প্রেক্ষাপট, পরিবেশ পরিচিতি ও মন্তব্যের ধারাবাহিকতায় নেটিজেনদের ধারণা—এই মন্তব্য খান্দুরার পীর জুবায়ের কামালকে উদ্দেশ্য করেই করা হয়েছে। পোস্টটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]