নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা-১৫ সংসদীয় আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি মনোনীত প্রার্থী ডা. শফিকুর রহমানের পক্ষে এক শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী গণসংযোগ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) এশার নামাজের পর রাত ৮.১৫ মিনিটে শেওড়াপাড়ার বিন্দুবৃত্ত গলির সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে জামতলা বাজার, সূর্য শিশির, জামতলা, ঝিলপাড় পাকার মাথা, কায়কোবাদের গলি, নুর মসজিদ, গাঞ্জাপট্টি, সালাহ উদ্দিন স্কুল, ডরিন গার্মেন্টস হয়ে অরবিট গলিতে যেয়ে শেষ হয়।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদের সদস্য ডা. মোবারক হোসেনের নেতৃত্বে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।
মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ডা. মোবারক হোসেন বলেন, “বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীরের পক্ষে সারা দেশে যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, তা এখন স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। মিরপুর-কাফরুলসহ ঢাকা-১৫ আসনেও জনগণের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে নির্বাচন বানচাল করা যাবে না। আমরা সন্ত্রাসীদের হুঁশিয়ার করে বলতে চাই—জনগণ নির্বিঘ্নে ভোট দিতে কেন্দ্রে যাবেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা ভোটারদের সার্বিক সহযোগিতায় নিয়োজিত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।
আগামী ১২ তারিখ অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “নির্বাচনের আগে যে সময়টুকু আমাদের হাতে আছে, তাতে আমরা যদি জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে পারি, তবে সারা দেশে যেভাবে ১১ দলীয় জোটের প্রতি সমর্থন ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ পাচ্ছে, তাতে বিজয় নিশ্চিত হবে ইনশাআল্লাহ।
গণসংযোগ ও মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, থানা আমীর আব্দুল মতিন খান ও থানা সেক্রেটারী মাওলানা আতিক হাসান রায়হান।
অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগরী মজলিশে শুরা সদস্য ও থানা কর্মপরিষদ সদস্য জনাব মতিউর রহমান, মহানগরী কাফরুল অঞ্চল টিম সদস্য জনাব একেএম তৌফিকুল হক, আলতাফ হোসেন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কাফরুল উত্তর থানা সভাপতি জনাব নেসার উদ্দিন, থানা কর্মপরিষদ সদস্য জনাব সিরাজুল ইসলাম, আমিনুর রাহমান আমান, মু'তাসিম বিল্লাহ, আবুল হাশেম, মাওলানা সাইফুল ইসলামসহ ১১ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
মিছিল ও গণসংযোগ চলাকালে নেতাকর্মীরা বিভিন্ন নির্বাচনী স্লোগান দেন এবং সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন। এ সময় ভোটাধিকার প্রয়োগের গুরুত্ব ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অংশগ্রহণের বিষয়ে জনগণকে সচেতন করা হয়।
মিছিলে কয়েক হাজার নেতা-কর্মীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল লক্ষ্য করার মত।
নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা-১৫ সংসদীয় আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি মনোনীত প্রার্থী ডা. শফিকুর রহমানের পক্ষে এক শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী গণসংযোগ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) এশার নামাজের পর রাত ৮.১৫ মিনিটে শেওড়াপাড়ার বিন্দুবৃত্ত গলির সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে জামতলা বাজার, সূর্য শিশির, জামতলা, ঝিলপাড় পাকার মাথা, কায়কোবাদের গলি, নুর মসজিদ, গাঞ্জাপট্টি, সালাহ উদ্দিন স্কুল, ডরিন গার্মেন্টস হয়ে অরবিট গলিতে যেয়ে শেষ হয়।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদের সদস্য ডা. মোবারক হোসেনের নেতৃত্বে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।
মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ডা. মোবারক হোসেন বলেন, “বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীরের পক্ষে সারা দেশে যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, তা এখন স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। মিরপুর-কাফরুলসহ ঢাকা-১৫ আসনেও জনগণের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে নির্বাচন বানচাল করা যাবে না। আমরা সন্ত্রাসীদের হুঁশিয়ার করে বলতে চাই—জনগণ নির্বিঘ্নে ভোট দিতে কেন্দ্রে যাবেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা ভোটারদের সার্বিক সহযোগিতায় নিয়োজিত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।
আগামী ১২ তারিখ অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “নির্বাচনের আগে যে সময়টুকু আমাদের হাতে আছে, তাতে আমরা যদি জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে পারি, তবে সারা দেশে যেভাবে ১১ দলীয় জোটের প্রতি সমর্থন ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ পাচ্ছে, তাতে বিজয় নিশ্চিত হবে ইনশাআল্লাহ।
গণসংযোগ ও মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, থানা আমীর আব্দুল মতিন খান ও থানা সেক্রেটারী মাওলানা আতিক হাসান রায়হান।
অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগরী মজলিশে শুরা সদস্য ও থানা কর্মপরিষদ সদস্য জনাব মতিউর রহমান, মহানগরী কাফরুল অঞ্চল টিম সদস্য জনাব একেএম তৌফিকুল হক, আলতাফ হোসেন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কাফরুল উত্তর থানা সভাপতি জনাব নেসার উদ্দিন, থানা কর্মপরিষদ সদস্য জনাব সিরাজুল ইসলাম, আমিনুর রাহমান আমান, মু'তাসিম বিল্লাহ, আবুল হাশেম, মাওলানা সাইফুল ইসলামসহ ১১ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
মিছিল ও গণসংযোগ চলাকালে নেতাকর্মীরা বিভিন্ন নির্বাচনী স্লোগান দেন এবং সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন। এ সময় ভোটাধিকার প্রয়োগের গুরুত্ব ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অংশগ্রহণের বিষয়ে জনগণকে সচেতন করা হয়।
মিছিলে কয়েক হাজার নেতা-কর্মীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল লক্ষ্য করার মত।