কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জ সদর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক) ডা. নুর মোহাম্মদ শামসুল আলমের বিরুদ্ধে হাসপাতাল চত্বরে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে।
গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কিশোরগঞ্জ সদর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে সরকারি গাছ কেটে নেওয়া হয়। এ সময় সংবাদ সংগ্রহের জন্য ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকরা ভিডিও ধারণ করতে গেলে সহকারী পরিচালক ডা. নুর মোহাম্মদ শামসুল আলম এতে বাধা দেন।
পরবর্তীতে তাঁর কার্যালয়ে গিয়ে গাছ কাটার বিষয়ে বন বিভাগের অনুমোদন ও টেন্ডারের আওতায় গাছ কাটা হচ্ছে কি না এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো সুস্পষ্ট উত্তর দিতে পারেননি। একপর্যায়ে তিনি সাংবাদিকদের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে অসদাচরণ করেন এবং বলেন, আপনারা যা ইচ্ছা লিখে নিউজ করতে পারেন।
গাছ কাটার সময় উপস্থিত এক কাটুরিয়া জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অনুমতিতেই গাছ কাটছেন তিনি। তবে কার বা কে তাঁকে অনুমতি দিয়েছেন—সে বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট নাম বলতে তিনি রাজি হননি। সাংবাদিকদের ক্যামেরা দেখে তিনি কাজ বন্ধ রেখে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
হাসপাতালের সামনে অবস্থানরত সাধারণ জনগণ জানান, আগে হাসপাতাল চত্বরে বেশ কয়েকটি গাছ ছিল, যা এখন কেটে নেওয়া হয়েছে। এতে হাসপাতাল এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে বলে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ সহকারী বন সংরক্ষণ কার্যালয়ের বনবিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাহরিমা আক্তার কচি বলেন, সরকারি গাছ কাটার জন্য অবশ্যই বন সংরক্ষণ কার্যালয়ের অনুমোদন ও টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাজ করতে হয়। বিষয়টি জানানোর জন্য সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য দ্রুত একজন কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে পাঠানো হবে এবং অনুমোদন ছাড়া গাছ কাটার সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কিশোরগঞ্জ সদর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক) ডা. নুর মোহাম্মদ শামসুল আলমের বিরুদ্ধে হাসপাতাল চত্বরে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে।
গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কিশোরগঞ্জ সদর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে সরকারি গাছ কেটে নেওয়া হয়। এ সময় সংবাদ সংগ্রহের জন্য ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকরা ভিডিও ধারণ করতে গেলে সহকারী পরিচালক ডা. নুর মোহাম্মদ শামসুল আলম এতে বাধা দেন।
পরবর্তীতে তাঁর কার্যালয়ে গিয়ে গাছ কাটার বিষয়ে বন বিভাগের অনুমোদন ও টেন্ডারের আওতায় গাছ কাটা হচ্ছে কি না এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো সুস্পষ্ট উত্তর দিতে পারেননি। একপর্যায়ে তিনি সাংবাদিকদের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে অসদাচরণ করেন এবং বলেন, আপনারা যা ইচ্ছা লিখে নিউজ করতে পারেন।
গাছ কাটার সময় উপস্থিত এক কাটুরিয়া জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অনুমতিতেই গাছ কাটছেন তিনি। তবে কার বা কে তাঁকে অনুমতি দিয়েছেন—সে বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট নাম বলতে তিনি রাজি হননি। সাংবাদিকদের ক্যামেরা দেখে তিনি কাজ বন্ধ রেখে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
হাসপাতালের সামনে অবস্থানরত সাধারণ জনগণ জানান, আগে হাসপাতাল চত্বরে বেশ কয়েকটি গাছ ছিল, যা এখন কেটে নেওয়া হয়েছে। এতে হাসপাতাল এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে বলে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ সহকারী বন সংরক্ষণ কার্যালয়ের বনবিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাহরিমা আক্তার কচি বলেন, সরকারি গাছ কাটার জন্য অবশ্যই বন সংরক্ষণ কার্যালয়ের অনুমোদন ও টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাজ করতে হয়। বিষয়টি জানানোর জন্য সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য দ্রুত একজন কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে পাঠানো হবে এবং অনুমোদন ছাড়া গাছ কাটার সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।