জামায়াত জোট ক্ষমতায় এলে উত্তরাঞ্চলের জীবনমান বদলে যাবে: ডা. শফিকুর রহমান
পঞ্চগড় সংবাদদাতাঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দীর্ঘদিনের পরিকল্পিত বঞ্চনার কারণে উত্তরাঞ্চলের উন্নয়ন থমকে আছে। তিনি দাবি করেন, জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১০-দলীয় জোট ক্ষমতায় গেলে দেশের ৬৪ জেলাতেই মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতি ও লুটপাট বন্ধের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
শুক্রবার দুপুরে পঞ্চগড় চিনিকল মাঠে আয়োজিত বিশাল নির্বাচনী জনসভায় তিনি বলেন, এই অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা পাল্টে যাবে। নদীর প্রাণ ফিরবে, মানুষের জীবনেও নতুন সজীবতা আসবে।”
এর আগে হেলিকপ্টারে তিনি পঞ্চগড় স্টেডিয়ামে পৌঁছান। জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি অভিযোগ করেন, উত্তরাঞ্চলের মানুষকে পরিকল্পিতভাবে পিছিয়ে রাখা হয়েছে। আল্লাহর ওপর ভরসা করে বলছি, সময় পেলেই এই অঞ্চলের চেহারা বদলে দেওয়া সম্ভব।
বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের প্রতিশ্রুতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমরা দুই হাজার টাকার কার্ডের রাজনীতি করি না। আমি আপনাদের ভালোবাসার কার্ড চাই।”
দেশের প্রধান চারটি নদীকে “হত্যা করা হয়েছে” দাবি করে তিনি প্রশ্ন করেন, “নদীর কি মা–বাবা ছিল না? তাহলে তারা মারা গেল কেন?” তাঁর অভিযোগ, যারা পাঁচ বছরে একবার আসে, তারাই বড় বড় কথা বলে।
দুর্নীতি বিরোধী অবস্থান তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, চুরি করে যারা টাকা পাচার করেছে, তাদের পেটের ভেতর হাত ঢুকিয়ে হলেও সেই টাকা ফিরিয়ে আনা হবে। সব সম্প্রদায়ের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, জনগণের ট্যাক্সের পাশাপাশি দেশে আরেক ধরনের অদৃশ্য ট্যাক্স—চাঁদাবাজি—চালু আছে। মুদির দোকান থেকে শুরু করে হকার, এমনকি ভিক্ষুকও চাঁদার হাত থেকে রেহাই পায় না। ক্ষমতায় গেলে এই চাঁদাবাজি বন্ধের আশ্বাস দেন তিনি।
নারী নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি বলেন, “নারীদের সম্মানজনক অবস্থানে রাখতে চাই। কর্মক্ষেত্র ও রাস্তাঘাটে শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। মা–বোনদের ইজ্জত নিয়ে কেউ টানাটানি করলে তা সহ্য করা হবে না।”
জনসভায় তিনি পঞ্চগড়–১ আসনে জোটের প্রার্থী সারজিস আলমকে ‘শাপলা কলি’ এবং পঞ্চগড়–২ আসনে শফিউল আলম সুফিকে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক তুলে দেন। প্রার্থীদের পক্ষে ভোট চেয়ে তিনি জোটের বিজয়ের আহ্বান জানান। সভাপতিত্ব করেন জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন। বক্তব্য দেন জোটভুক্ত দলগুলোর নেতারাও। জনসভা শেষে ডা. শফিকুর রহমান হেলিকপ্টারযোগে দিনাজপুরের উদ্দেশে রওনা হন।
ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যে উত্তরাঞ্চলের উন্নয়ন, দুর্নীতি দমন ও জনগণের অধিকার পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকার জোরালোভাবে উঠে এসেছে। নির্বাচনের আগে তাঁর এ প্রতিশ্রুতিগুলো রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
পঞ্চগড় সংবাদদাতাঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দীর্ঘদিনের পরিকল্পিত বঞ্চনার কারণে উত্তরাঞ্চলের উন্নয়ন থমকে আছে। তিনি দাবি করেন, জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১০-দলীয় জোট ক্ষমতায় গেলে দেশের ৬৪ জেলাতেই মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতি ও লুটপাট বন্ধের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
শুক্রবার দুপুরে পঞ্চগড় চিনিকল মাঠে আয়োজিত বিশাল নির্বাচনী জনসভায় তিনি বলেন, এই অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা পাল্টে যাবে। নদীর প্রাণ ফিরবে, মানুষের জীবনেও নতুন সজীবতা আসবে।”
এর আগে হেলিকপ্টারে তিনি পঞ্চগড় স্টেডিয়ামে পৌঁছান। জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি অভিযোগ করেন, উত্তরাঞ্চলের মানুষকে পরিকল্পিতভাবে পিছিয়ে রাখা হয়েছে। আল্লাহর ওপর ভরসা করে বলছি, সময় পেলেই এই অঞ্চলের চেহারা বদলে দেওয়া সম্ভব।
বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের প্রতিশ্রুতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমরা দুই হাজার টাকার কার্ডের রাজনীতি করি না। আমি আপনাদের ভালোবাসার কার্ড চাই।”
দেশের প্রধান চারটি নদীকে “হত্যা করা হয়েছে” দাবি করে তিনি প্রশ্ন করেন, “নদীর কি মা–বাবা ছিল না? তাহলে তারা মারা গেল কেন?” তাঁর অভিযোগ, যারা পাঁচ বছরে একবার আসে, তারাই বড় বড় কথা বলে।
দুর্নীতি বিরোধী অবস্থান তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, চুরি করে যারা টাকা পাচার করেছে, তাদের পেটের ভেতর হাত ঢুকিয়ে হলেও সেই টাকা ফিরিয়ে আনা হবে। সব সম্প্রদায়ের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, জনগণের ট্যাক্সের পাশাপাশি দেশে আরেক ধরনের অদৃশ্য ট্যাক্স—চাঁদাবাজি—চালু আছে। মুদির দোকান থেকে শুরু করে হকার, এমনকি ভিক্ষুকও চাঁদার হাত থেকে রেহাই পায় না। ক্ষমতায় গেলে এই চাঁদাবাজি বন্ধের আশ্বাস দেন তিনি।
নারী নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি বলেন, “নারীদের সম্মানজনক অবস্থানে রাখতে চাই। কর্মক্ষেত্র ও রাস্তাঘাটে শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। মা–বোনদের ইজ্জত নিয়ে কেউ টানাটানি করলে তা সহ্য করা হবে না।”
জনসভায় তিনি পঞ্চগড়–১ আসনে জোটের প্রার্থী সারজিস আলমকে ‘শাপলা কলি’ এবং পঞ্চগড়–২ আসনে শফিউল আলম সুফিকে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক তুলে দেন। প্রার্থীদের পক্ষে ভোট চেয়ে তিনি জোটের বিজয়ের আহ্বান জানান। সভাপতিত্ব করেন জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন। বক্তব্য দেন জোটভুক্ত দলগুলোর নেতারাও। জনসভা শেষে ডা. শফিকুর রহমান হেলিকপ্টারযোগে দিনাজপুরের উদ্দেশে রওনা হন।
ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যে উত্তরাঞ্চলের উন্নয়ন, দুর্নীতি দমন ও জনগণের অধিকার পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকার জোরালোভাবে উঠে এসেছে। নির্বাচনের আগে তাঁর এ প্রতিশ্রুতিগুলো রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।