মেঘনা পাড়ে যুবককে গলা কেটে হত্যা, নেপথ্যে পরকীয়া, দাবি পরিবারের

আপলোড সময় : ২১-০১-২০২৬ ০৬:২০:০৪ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২১-০১-২০২৬ ০৬:২০:০৪ অপরাহ্ন


হিজলা প্রতিনিধিঃ
গত ১৮ জানুয়ারি গভীর রাতে মেঘনা নদীর পাড়ে গলা কেটে হত্যা করা হয় মো আমির হোসেন (৩৫) এক যুবককে। পরকীয়া প্রেমের জেরে  নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে  স্ত্রী খোদেজা বেগমকে আটক করেছে হিজলা নৌপুলিশ। একই সঙ্গে নিহতের পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে। নিহত আমির (৩৫) লাশ শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে। তিনি লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার চরবংশী ইউনিয়নের ঘাসের চর গ্রামের স্বপ্নন হাওলাদার এর ছেলে।


বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হিজলা নৌপুলিশ এর পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র মন্ডল। তিনি বলেন, গত ১৮ জানুয়ারি যে যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল সেই ঘটনায় নিহতের স্ত্রীকে খোদেজা বেগমকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তদন্ত চলছে, বিস্তারিত পরে জানানো হবে।


জানা যায়, আমির সাথে ১১ বছর আগে একই গ্রামের বিল্লাল আকনের মেয়ে খোদেজা বেগম (৩০) বিয়ে হয়। তাদের ঘরে দুইটি সন্তান মনির হোসেন ও লামিয়া।


নিহতের ভাই শরীফ হাওলাদার জানান, মুন্সীগঞ্জের গনকবাজার এলাকার পাশাপাশি খাবারের হোটেলে কাজ করতো আমির ও খোকন। সেই সুবাধে তাদের বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বাড়িতে যাতায়াতের সুবাধে খোকন সঙ্গে আমিরের স্ত্রীর দীর্ঘদিনের পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ নিয়ে একাধিকবার পরিবারে অশান্তি হয়। আমার আব্বাকে ফোন দিয়ে একাধিকবার আমার ভাই একথা জানিয়েছিল।


নিহতের মামা আক্তার সরদার জানান, ও অনেক শান্ত স্বভাবের ভালো মানুষ ছিলেন। মুন্সীগঞ্জে পরিবারে নিয়ে ভাড়া থাকতো। স্ত্রীর পরকীয়া সম্পর্ক ধরা পড়লেও আমির একাধিকবার ক্ষমা করেছিলেন। এ নিয়ে সংসারে অশান্তি ছিল। কিন্তু প্রেমিক খোকন অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত। তার প্রভাবে আমিরের স্ত্রী সহযোগিতা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে তাদের অভিযোগ।


পরিবার আমির হত্যার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে বলেন, একজন ভালো মানুষকে বিশ্বাসঘাতকতার বলি হতে হয়েছে।আমরা সরকারের কাছে ন্যায়বিচার চাই।


 

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]