কুড়িগ্রাম সরকারি খাদ্য গোডাউনে দুদকের অনুসন্ধানে ৫৬২ মেট্রিকটন ধান-চালের হদিস মেলেনি

আপলোড সময় : ১২-০১-২০২৬ ১২:৫১:২১ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ১২-০১-২০২৬ ১২:৫১:২১ পূর্বাহ্ন
 
আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-
কুড়িগ্রামে সরকারি খাদ্য গোডাউনে ৫২১ মেট্রিক টন ধান ও সাড়ে ৪১ মেট্রিক টন চালের হদিস পাওয়া পায়নি। এ ছাড়াও গোডাউনে নিম্নমানের চালের মজুত পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। রবিবার (১১ জানুয়ারি) কুড়িগ্রাম সদরের সরকারি খাদ্য গুদামে পরিচালিত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযানে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
 
দুদক সমন্বিত কুড়িগ্রাম জেলা কাযালয়, কুড়িগ্রামের সহকারী পরিচালক সাবদারুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
 
দুদক প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে কুড়িগ্রাম জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ সাবদারুল ইসলামের নেতৃত্বে এই অভিযান উপসহকারী পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান চৌধুরী এবং মোঃ আতিকুর রহমান অংশ নেন। এ সময় খাদ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি এলএসডি) উপস্থিত ছিলেন।
 
অভিযান সূত্রে জানা গেছে, সরকারি খাদ্য গুদামে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিম্নমানের চাল সংগ্রহ করা, নতুন বস্তার পরিবর্তে পুরাতন বস্তা ক্রয় এবং গুদামের খাদ্যশস্য  অন্যত্র বিক্রি করে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা হয় এমন অভিযোগে অভিযান চালায় দুদক। অভিযানে জেলা সদরের ১২টি গুদামের খাদ্য মজুত যাচাই করা হয়। এতে বিভিন্ন গুদামে প্রায় ৫২১ মেট্রিক টন ধান এবং ১ হাজার ৩৭২ বস্তা চাল ঘাটতি পাওয়া গেছে। ৩০ কেজি ওজনের বস্তার এসব চালের ওজন প্রায় ৪১ মেট্রিক টন। এ ছাড়াও একটি গুদামে ৫০ কেজি ওজনের ২ হাজার ৪০৭ বস্তা ( প্রায় ১২০ মেট্রিকটন) চাল পাওয়া গেছে যার মজুদের কোনও নথি দেখাতে পারেনি খাদ্য বিভাগ।
 
অভিযানে খাদ্য পরিদর্শক ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, এলএসডি) মোঃ শরীফ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। তবে গুদামের এই পরিমাণ খাদ্যশস্য ঘাটতির বিষয়ে তিনি কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি।
 
দুদক সহকারী পরিচালক মোঃ সাবদারুল ইসলাম বলেন, ধান-চাল ঘাটতি এবং অতিরিক্ত চালের বস্তা মজুতের বিষয়ে খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা কোনও রেজিস্টার, রেকর্ড  বই বা কোনও প্রকার ডকুমেন্টস দেখাতে পারেনি। এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক একটি যাচাই কমিটি করে দিয়েছেন। তারা বিষয়গুলো যাচাই করে প্রতিবেদন দেবেন। সেটি সহ আমরা আমাদের অভিযানের সার্বিক বিষয় প্রতিবেদন আকারে আমরা প্রধান কাযালয়ে পাঠাবো। তাদের নির্দেশনা মোতাবেক পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 
এ বিষয়ে জানতে কুড়িগ্রাম জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ কাজী হামিদুল হক ও ওসি (এলএসডি) মোঃ শরীফ আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তারা কেউ ফোন রিসিভ করেননি।
 
 
 
 
 

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]