নিজস্ব প্রতিবেদক
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় আইনজীবী হত্যার ঘটনায় মূল আসামীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সবসময় বিভিন্ন ধরণের অপরাধীদের গ্রেফতার এবং হত্যার রহস্য উদঘাটনে অত্যন্ত অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। এছাড়াও র্যাবের সৃষ্টিকাল থেকে এ পর্যন্ত অপহরণকারী, সন্ত্রাসী, এজাহারনামীয় আসামী, ছিনতাইকারী, চাঁদাবাজ, প্রতারকচক্র, ধর্ষণকারী, পর্ণোগ্রাফি বিস্তারকারী, চোরাকারবারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বিশেষত সাম্প্রতিক সময়ে অনেকগুলো ক্লুলেস ও চাঞ্চল্যকর হত্যা ঘটনার দ্রুততম সময়ে নিষ্পত্তি করে র্যাবসাধারণ জনগণের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
গত ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ ভিকটিম নাঈম কিবরিয়া (৩৫) গত ইং ১৭/১২/২০২৫ তারিখে তার আত্মীয় মোঃ রাকিবুল ইসলাম (শামীম), পিতা-মোঃ বেল্লাল হোসেন, সাং-পূর্ব হাটাবো(নাগদা), থানা-রুপগঞ্জ, জেলা-নারায়ণগঞ্জ এর বাসায় বেড়াতে আসে। ঘটনার দিন গত ৩১/১২/২৫ইং তারিখে সময় অনুমান রাত ১১:০০ ঘটিকায় তার আত্মীয়মোঃ রাকিবুল ইসলাম (শামীম) মোবাইল ফোনে সংবাদ প্রদান করে যে, ভিকটিমের বাবার নিকটগত ৩১/১২/২০২৫ ইং তারিখে সময় অনুমান রাত ০৯:০০ ঘটিকায় তার আত্মীয়েল ব্যবসায়িক পার্টনার মোঃ মোতালেব মিয়ার প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্রো-গ-৪৭-৫২৬১) নিয়ে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় বেড়াতে বের হলে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার অভ্যন্তরে অজ্ঞাতনামা স্থানে অজ্ঞাতনামা মোটর বাইকের সাথে ধাক্কা লাগার বিষয়কে কেন্দ্র করে তর্ক বির্তক হওয়ার সময় অন্য মোটর বাইকে থাকা অজ্ঞানামা আসামীগণ বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আই ব্লকের ৭নং রোড়ের মাথায় ভিকটিম নাঈম কিবরিয়া (৩৫) কে গাড়ি হতে জোরপূর্বক নামিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথাড়িভাবে কিল ঘুষি মেরে, শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়।
পরবর্তীতে মোঃ রাকিবুল ইসলাম ভিকটিম নাঈম কিবরিয়া (২৯) ’কেগত ৩১/১২/২০২৫ তারিখে সময় অনুমান রাত ১০:৪৫ ঘটিকায় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ঘটনাস্থলে আই ব্লকের ওয়াল্টন বাড়ী সংলগ্ন ১৫ নং রোড়ের মাথায় রাস্তা হতে উদ্ধার করিয়া কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরে ভাটরা থানা পুলিশ ভিকটিম নাঈম কিবরিয়া (২৯) এর লাশ ময়না তদন্তের নিমিত্তে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতেভিকটিমের বাবা এ সংক্রান্তে অজ্ঞাতনামা কয়েকজন ব্যক্তির নামে ভাটারা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নম্বর-০১/১ তারিখঃ- ০১/০১/২০২৬, ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড-১৮৬০।
এই ঘটনাটি বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় ব্যাপক প্রচারিত হয় এবং এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে এই হত্যাকান্ডের ঘটনার সহিত জড়িত আসামীদের গ্রেপ্তারের জন্য র্যাব-১ এর একটি আভিযানিক দল উক্ত হত্যাকান্ডের আসামী গ্রেফতারের জন্য ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং ঘটনা উদ্ধারে অভিযান পরিচালনা করে।
এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ০৪জানুয়ারী ২০২৬খ্রিঃ তারিখ বিকাল আনুমানিক ১৬:৩০ ঘটিকার সময় র্যাব-১, এর আভিযানিকদল তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে জানতে পারে যে, হত্যা মামলার তদন্তেপ্রাপ্ত আসামী মোঃ জোবায়ের হোসেন পাপ্পু (২৯)’কে গুলশান বারিধারা থানাধীন এলাকায় অবস্থান করছে। প্রাপ্ত সংবাদের ভিতিত্তে র্যাব-১, আভিযানিক দল বর্ণিত স্থানে অভিযান পরিচালনা করে ক্লুলেস হত্যা মামলার তদন্তপ্রাপ্ত আসামী মোঃ জোবায়ের হোসেন পাপ্পু (২৯), পিতা-মোঃ বদরুল ইসলাম স্বপন, মাতা-হামিদা বেগম, সাং-পরমান্দপুর, পোঃ- আন্দনগর, থানা কোতোয়ালী, জেলা-ফরিদপুর, এ/পি-১০০ফিট, সাইদ নগর, ভাটারা থানা, ডিএমপি, ঢাকা’কে গ্রেফতার করে।
এসময় ধৃত আসামীর নিকট হতে হত্যাকান্ডের সময় ব্যবহৃত মোটর সাইকেল০১টি ও ব্যবহৃত একজোড়াইরশবৎং’মষড়াবং (হাতমোজা) উদ্ধার করা হয়। র্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত আসামী মোঃ জোবায়ের হোসেন পাপ্পু (২৯) উক্ত ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্তা আছে মর্মে স্বীকার করে। এই ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের জোর প্রচেস্টা অব্যাহত আছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ডিএমপির ভাটারা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় আইনজীবী হত্যার ঘটনায় মূল আসামীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সবসময় বিভিন্ন ধরণের অপরাধীদের গ্রেফতার এবং হত্যার রহস্য উদঘাটনে অত্যন্ত অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। এছাড়াও র্যাবের সৃষ্টিকাল থেকে এ পর্যন্ত অপহরণকারী, সন্ত্রাসী, এজাহারনামীয় আসামী, ছিনতাইকারী, চাঁদাবাজ, প্রতারকচক্র, ধর্ষণকারী, পর্ণোগ্রাফি বিস্তারকারী, চোরাকারবারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বিশেষত সাম্প্রতিক সময়ে অনেকগুলো ক্লুলেস ও চাঞ্চল্যকর হত্যা ঘটনার দ্রুততম সময়ে নিষ্পত্তি করে র্যাবসাধারণ জনগণের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
গত ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ ভিকটিম নাঈম কিবরিয়া (৩৫) গত ইং ১৭/১২/২০২৫ তারিখে তার আত্মীয় মোঃ রাকিবুল ইসলাম (শামীম), পিতা-মোঃ বেল্লাল হোসেন, সাং-পূর্ব হাটাবো(নাগদা), থানা-রুপগঞ্জ, জেলা-নারায়ণগঞ্জ এর বাসায় বেড়াতে আসে। ঘটনার দিন গত ৩১/১২/২৫ইং তারিখে সময় অনুমান রাত ১১:০০ ঘটিকায় তার আত্মীয়মোঃ রাকিবুল ইসলাম (শামীম) মোবাইল ফোনে সংবাদ প্রদান করে যে, ভিকটিমের বাবার নিকটগত ৩১/১২/২০২৫ ইং তারিখে সময় অনুমান রাত ০৯:০০ ঘটিকায় তার আত্মীয়েল ব্যবসায়িক পার্টনার মোঃ মোতালেব মিয়ার প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্রো-গ-৪৭-৫২৬১) নিয়ে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় বেড়াতে বের হলে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার অভ্যন্তরে অজ্ঞাতনামা স্থানে অজ্ঞাতনামা মোটর বাইকের সাথে ধাক্কা লাগার বিষয়কে কেন্দ্র করে তর্ক বির্তক হওয়ার সময় অন্য মোটর বাইকে থাকা অজ্ঞানামা আসামীগণ বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আই ব্লকের ৭নং রোড়ের মাথায় ভিকটিম নাঈম কিবরিয়া (৩৫) কে গাড়ি হতে জোরপূর্বক নামিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথাড়িভাবে কিল ঘুষি মেরে, শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়।
পরবর্তীতে মোঃ রাকিবুল ইসলাম ভিকটিম নাঈম কিবরিয়া (২৯) ’কেগত ৩১/১২/২০২৫ তারিখে সময় অনুমান রাত ১০:৪৫ ঘটিকায় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ঘটনাস্থলে আই ব্লকের ওয়াল্টন বাড়ী সংলগ্ন ১৫ নং রোড়ের মাথায় রাস্তা হতে উদ্ধার করিয়া কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরে ভাটরা থানা পুলিশ ভিকটিম নাঈম কিবরিয়া (২৯) এর লাশ ময়না তদন্তের নিমিত্তে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতেভিকটিমের বাবা এ সংক্রান্তে অজ্ঞাতনামা কয়েকজন ব্যক্তির নামে ভাটারা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নম্বর-০১/১ তারিখঃ- ০১/০১/২০২৬, ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড-১৮৬০।
এই ঘটনাটি বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় ব্যাপক প্রচারিত হয় এবং এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে এই হত্যাকান্ডের ঘটনার সহিত জড়িত আসামীদের গ্রেপ্তারের জন্য র্যাব-১ এর একটি আভিযানিক দল উক্ত হত্যাকান্ডের আসামী গ্রেফতারের জন্য ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং ঘটনা উদ্ধারে অভিযান পরিচালনা করে।
এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ০৪জানুয়ারী ২০২৬খ্রিঃ তারিখ বিকাল আনুমানিক ১৬:৩০ ঘটিকার সময় র্যাব-১, এর আভিযানিকদল তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে জানতে পারে যে, হত্যা মামলার তদন্তেপ্রাপ্ত আসামী মোঃ জোবায়ের হোসেন পাপ্পু (২৯)’কে গুলশান বারিধারা থানাধীন এলাকায় অবস্থান করছে। প্রাপ্ত সংবাদের ভিতিত্তে র্যাব-১, আভিযানিক দল বর্ণিত স্থানে অভিযান পরিচালনা করে ক্লুলেস হত্যা মামলার তদন্তপ্রাপ্ত আসামী মোঃ জোবায়ের হোসেন পাপ্পু (২৯), পিতা-মোঃ বদরুল ইসলাম স্বপন, মাতা-হামিদা বেগম, সাং-পরমান্দপুর, পোঃ- আন্দনগর, থানা কোতোয়ালী, জেলা-ফরিদপুর, এ/পি-১০০ফিট, সাইদ নগর, ভাটারা থানা, ডিএমপি, ঢাকা’কে গ্রেফতার করে।
এসময় ধৃত আসামীর নিকট হতে হত্যাকান্ডের সময় ব্যবহৃত মোটর সাইকেল০১টি ও ব্যবহৃত একজোড়াইরশবৎং’মষড়াবং (হাতমোজা) উদ্ধার করা হয়। র্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত আসামী মোঃ জোবায়ের হোসেন পাপ্পু (২৯) উক্ত ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্তা আছে মর্মে স্বীকার করে। এই ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের জোর প্রচেস্টা অব্যাহত আছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ডিএমপির ভাটারা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।