বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ
বাগেরহাটে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ঋণ খেলাপি ও তথ্যগত গরমিলের কারণে পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
মনোনয়ন যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় বাগেরহাট জেলার চারটি সংসদীয় আসন থেকে মনোনয়ন দাখিলকারী মোট ৩২ জন প্রার্থীর কাগজপত্র পর্যালোচনা করা হয়। যাচাই শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়।
বাগেরহাট-১ (ফকিরহাট, মোল্লাহাট ও চিতলমারি):
এই আসনে মোট ১১ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে তিনজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। বাতিল প্রার্থীরা হলেন—
স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম মুশফিকুর (ভোটের শতকরা হিসাবের গরমিল),ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুজিবুর রহমান শামীম (ঋণ খেলাপি),
জাতীয় পার্টির প্রার্থী গোলাম সরোয়ার (ঋণ খেলাপি)।
বাগেরহাট-২ (বাগেরহাট সদর ও কচুয়া):
এই আসনে মনোনয়ন দাখিলকারী ৮ জন প্রার্থীর মধ্যে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)-এর প্রার্থী মোঃ হাসান ইমাম লিটুর মনোনয়ন ঋণ খেলাপির কারণে বাতিল করা হয়।
বাগেরহাট-৩ (রামপাল ও মোংলা)
এই আসনে মনোনয়ন দাখিলকারী সাতজন প্রার্থীর সকলের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বাগেরহাট-৪ (মোড়েলগঞ্জ ও শরণখোলা):
এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী খাইরুজ্জামান শিপনের মনোনয়ন বাতিল করা হয় ভোটারের স্বাক্ষর মিল না থাকায়।
বাগেরহাট জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা গোলাম মোঃ বাতেন বলেন, বাগেরহাট জেলার চারটি সংসদীয় আসন থেকে মোট ৩২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশনের আইন ও বিধিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। ঋণ খেলাপি হওয়া এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ভোটের তথ্যের গরমিল থাকায় পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাতিলকৃত প্রার্থীরা আগামী ৫ জানুয়ারি থেকে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন।
বাগেরহাটে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ঋণ খেলাপি ও তথ্যগত গরমিলের কারণে পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
মনোনয়ন যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় বাগেরহাট জেলার চারটি সংসদীয় আসন থেকে মনোনয়ন দাখিলকারী মোট ৩২ জন প্রার্থীর কাগজপত্র পর্যালোচনা করা হয়। যাচাই শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়।
বাগেরহাট-১ (ফকিরহাট, মোল্লাহাট ও চিতলমারি):
এই আসনে মোট ১১ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে তিনজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। বাতিল প্রার্থীরা হলেন—
স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম মুশফিকুর (ভোটের শতকরা হিসাবের গরমিল),ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুজিবুর রহমান শামীম (ঋণ খেলাপি),
জাতীয় পার্টির প্রার্থী গোলাম সরোয়ার (ঋণ খেলাপি)।
বাগেরহাট-২ (বাগেরহাট সদর ও কচুয়া):
এই আসনে মনোনয়ন দাখিলকারী ৮ জন প্রার্থীর মধ্যে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)-এর প্রার্থী মোঃ হাসান ইমাম লিটুর মনোনয়ন ঋণ খেলাপির কারণে বাতিল করা হয়।
বাগেরহাট-৩ (রামপাল ও মোংলা)
এই আসনে মনোনয়ন দাখিলকারী সাতজন প্রার্থীর সকলের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বাগেরহাট-৪ (মোড়েলগঞ্জ ও শরণখোলা):
এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী খাইরুজ্জামান শিপনের মনোনয়ন বাতিল করা হয় ভোটারের স্বাক্ষর মিল না থাকায়।
বাগেরহাট জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা গোলাম মোঃ বাতেন বলেন, বাগেরহাট জেলার চারটি সংসদীয় আসন থেকে মোট ৩২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশনের আইন ও বিধিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। ঋণ খেলাপি হওয়া এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ভোটের তথ্যের গরমিল থাকায় পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাতিলকৃত প্রার্থীরা আগামী ৫ জানুয়ারি থেকে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন।