খালেদা জিয়ার জানাযা শেষে বাড়ি ফেরা হলোনা তুহিনের

আপলোড সময় : ০৩-০১-২০২৬ ০১:৩৮:৪৩ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ০৩-০১-২০২৬ ০১:৩৮:৪৩ পূর্বাহ্ন
‎এস এম মামুন, যশোর 
 
ত্রিশ বছর বয়সী  মনিরুজ্জামান তুহিন গত ৩০শে ডিসেম্বর সদ্য প্রয়াত বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার জানাযার নামাজে অংশ নিতে বন্ধুদের সাথে গেছিলেন ঢাকায়। বিশ্বের ইতিহাসের স্বাক্ষী হতে গিয়ে প্রিয় নেত্রীর জানাযায় শরীক হতে যেয়ে নিজেই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। ৩১শে ডিসেম্বর জনসমুদ্রের ন্যায় জানাযাস্থলে মানুষের চাপে শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (২রা জানুয়ারী) ভোরবেলা স্ট্রোক জনিত কারনে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে মৃত তুহিনের পরিবার। মনিরুজ্জামান তুহিন মণিরামপুর উপজেলার শ্যামকুড় ইউনিয়নের ব্যবসায়ী মোঃ ফারুক হোসেনের বড় ছেলে ও যশোর শহরের একটি ট্রাভেল এজেন্সির মালিক ছিলেন।
 
‎তথ্যমতে,গত ২৯শে ডিসেম্বর বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর শুনে পরদিন ৩০শে ডিসেম্বর দুপুর ২টার দিকে তার জানাযায় অংশ নিতে কয়েকজন বন্ধু সহ ঢাকায় উদ্দেশ্য রওনা হয়। মৃত তুহিনের বন্ধু মারফত জানাযায়,তুহিন সম্প্রতি মালায়েশিয়া হতে দেশে এসে যশোরে একটি ট্টাভেল এজেন্সি খোলেন। দলগত ভাবে তার পরিবার বিএনপি এমনকি তথ্য আছে তুহিন ছাত্রদলের কর্মী দিলেন।

তথ্য আছে, ৩১শে ডিসেম্বর ঢাকায় খালেদা জিয়ার জানাযা শেষ করে শারীরিকভাবে একটু মোটাতাজা হওয়ায় মানুষর ভীড়ে গাদাগাদিতে অসুস্থ্য হয়ে পড়লে ধরাধরি করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে তার বন্ধুরা। সে থেকেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২ জানুয়ারি হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে ও ভোরবেলা(শুক্রবার) আনুমানিক ৫টার দিকে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে তুহিন। 
 
‎খবর পেয়ে তুহিনের গ্রামের বাড়ি মণিরামপুর লাউড়ী রামনগর গেলে দেখা যায় তুহিনের মায়াের আহাজারি আর ছোট ভাই মাহফুজ ও মাহিতের আর্তনাদ। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃতের দেহের আইনি প্রক্রিয়া চলমান ছিলো। এদিকে তার বাড়িতে অকালে মৃত্যুকে কেউ মানতে পারছেনা তবুও দাফন-কাফনের প্রাথমিক কার্যক্রম চলমান ছিলো।V

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]