নিজস্ব প্রতিবেদক
বান্দরবানে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নে স্কুল বন্ধ থাকার সুযোগে ক্যাংগারবিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতাধিক গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বাইশারী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা তসলিমের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এর সত্যতা যাচাই করতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তসলিমের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি দাবি করেন—কাটা গাছগুলো বিদ্যালয়ের নয়।
তবে একই সময়ে বিএনপি নেতা ফারুক ও বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র জাহেদ তাকে ফোন করে জানান, তসলিমই বিদ্যালয়ের গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছেন।
প্রধান শিক্ষক আরও জানান, বিদ্যালয়ের জমির সীমানা ও সঠিক পরিমাণ সম্পর্কে তার স্পষ্ট ধারণা নেই। ফলে গাছগুলো স্কুলের জায়গার ভেতরে পড়েছে কিনা—তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তিনি বলেন স্কুল বন্ধ থাকায় এতদিন স্কুলে যাওয়া হয়নি।স্কুল ২৮ ডিসেম্বর খুলবে তখন ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখবেন বলে জানান।
এদিকে এলাকাবাসীর অভিযোগ, কোনো ধরনের লিখিত অনুমতি বা প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ছাড়াই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছ কাটা হয়েছে, যা সরকারি সম্পদ ক্ষতির শামিল।
প্রধান শিক্ষক বলেন, এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ তাকে ফোন করে জানিয়েছেন যে, আগামী ২৮ ডিসেম্বর বিএনপি নেতা বাহাদূরের মাধ্যমে বিদ্যালয়ে বসে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা তসলিমের বক্তব্য নেওয়ার সুযোগ হয়নি।
স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত প্রশাসনিক তদন্ত, বিদ্যালয়ের সীমানা নির্ধারণ এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
বান্দরবানে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নে স্কুল বন্ধ থাকার সুযোগে ক্যাংগারবিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতাধিক গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বাইশারী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা তসলিমের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এর সত্যতা যাচাই করতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তসলিমের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি দাবি করেন—কাটা গাছগুলো বিদ্যালয়ের নয়।
তবে একই সময়ে বিএনপি নেতা ফারুক ও বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র জাহেদ তাকে ফোন করে জানান, তসলিমই বিদ্যালয়ের গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছেন।
প্রধান শিক্ষক আরও জানান, বিদ্যালয়ের জমির সীমানা ও সঠিক পরিমাণ সম্পর্কে তার স্পষ্ট ধারণা নেই। ফলে গাছগুলো স্কুলের জায়গার ভেতরে পড়েছে কিনা—তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তিনি বলেন স্কুল বন্ধ থাকায় এতদিন স্কুলে যাওয়া হয়নি।স্কুল ২৮ ডিসেম্বর খুলবে তখন ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখবেন বলে জানান।
এদিকে এলাকাবাসীর অভিযোগ, কোনো ধরনের লিখিত অনুমতি বা প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ছাড়াই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছ কাটা হয়েছে, যা সরকারি সম্পদ ক্ষতির শামিল।
প্রধান শিক্ষক বলেন, এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ তাকে ফোন করে জানিয়েছেন যে, আগামী ২৮ ডিসেম্বর বিএনপি নেতা বাহাদূরের মাধ্যমে বিদ্যালয়ে বসে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা তসলিমের বক্তব্য নেওয়ার সুযোগ হয়নি।
স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত প্রশাসনিক তদন্ত, বিদ্যালয়ের সীমানা নির্ধারণ এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।